ময়মনসিংহ , শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‎ত্রিশালে ‘চলো অভ্যাস বদলাই’ স্লোগানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি, শেখ হাসিনার ডিসেম্বরেই দেশে ফেরার ঘোষণা পাকা সেতুর অভাবে ৫০ হাজার মানুষের ভরসা নড়বড়ে কাঠের সাঁকো ভারী বৃষ্টিতে ছেপটখালীর একমাত্র সড়ক বিধ্বস্ত: যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ অতিবৃষ্টিতে পূর্বধলায় জনজীবন স্থবির, চরম দুর্ভোগে শ্রমজীবী ও শিক্ষার্থীরা কালীগঞ্জে মাদকসেবীকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড আওয়ামী লীগ আমলে এক তৃতীয়াংশ অর্থ লোপাট হওয়ায় ২ কোটি আমানতকারী বিপাকে জানিয়েছে গভর্নর সরকারকে ব্যর্থ করতে দেশের বিরুদ্ধে একটি দল চক্রান্ত করছে বলেছেন রিজভী দেশের বাজারে ফের বড় ধাক্কা: এক লাফে অনেকটা বাড়ল স্বর্ণের দাম বিচার প্রক্রিয়া শুরু: হাছান-নওফেলসহ ২২ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আজ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি, শেখ হাসিনার ডিসেম্বরেই দেশে ফেরার ঘোষণা

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ১২:১০:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা,২১ শ্রাবণ( ৫ আগস্ট): বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বলেছেন, তিনি চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশে ফিরবেন। বুধবার (৫ আগস্ট) ভারতের নয়াদিল্লিতে ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়ার আয়োজিত এক গণমাধ্যম অনুষ্ঠানে অডিও বার্তার মাধ্যমে তিনি এ কথা বলেন।

২০২৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এটিই ছিল শেখ হাসিনার প্রথম গণমাধ্যমে বক্তব্য। যদিও তাকে ভিডিওতে উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল, শেষ পর্যন্ত তিনি পর্দার আড়াল থেকে কেবল অডিও বার্তা দেন। কেন তিনি ক্যামেরায় আসেননি, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, তিনি জনগণের কাছে ফিরে যেতে বদ্ধপরিকর। সময় হলে দেশে ফেরার নির্দিষ্ট তারিখ ও বিস্তারিত জানাবেন। তিনি বলেন, দেশে ফিরলে তাকে কারাগারে পাঠানো হতে পারে কিংবা আরও কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারেন, তবুও তিনি দেশে ফিরবেন।

তিনি দাবি করেন, ছাত্র আন্দোলন থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ পরবর্তীতে একটি পরিকল্পিত সহিংস অভিযানে রূপ নেয়, যার লক্ষ্য ছিল তার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা এবং সাংবিধানিক ব্যবস্থা দুর্বল করে দেওয়া।

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সমালোচনা করেন শেখ হাসিনা। তার অভিযোগ, ক্ষমতা হারানোর পর দেশের প্রবৃদ্ধি কমেছে, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান হ্রাস পেয়েছে এবং প্রায় দুই কোটি মানুষ বেকার হয়ে পড়েছে। তার সরকারের সময়কার অর্থনৈতিক অগ্রগতিও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

অন্যদিকে, শেখ হাসিনার বক্তব্য চলাকালে ঢাকায় বিক্ষোভকারীরা তার কুশপুত্তলিকা দাহ করে। সরকার ৫ আগস্টকে ছাত্র আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে জাতীয় ছুটির দিন হিসেবে পালন করছে।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার আগের দিন গণমাধ্যমকে শেখ হাসিনার বক্তব্য বা বিবৃতি প্রকাশ ও প্রচার না করার নির্দেশনা দেয়। সরকারের দাবি, এমন প্রচার ২০২৪ সালের একটি আদালতের আদেশের পরিপন্থী হবে।

শেখ হাসিনার বক্তব্যের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার তাকে ভারতের কাছ থেকে প্রত্যর্পণের আবেদন জানিয়ে আসছে। ভারত জানিয়েছে, তারা সেই অনুরোধ পর্যালোচনা করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা এবং সাম্প্রতিক বক্তব্য বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ও দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎ত্রিশালে ‘চলো অভ্যাস বদলাই’ স্লোগানে পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত

আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি, শেখ হাসিনার ডিসেম্বরেই দেশে ফেরার ঘোষণা

আপডেট সময় ১২:১০:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকা,২১ শ্রাবণ( ৫ আগস্ট): বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বলেছেন, তিনি চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশে ফিরবেন। বুধবার (৫ আগস্ট) ভারতের নয়াদিল্লিতে ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়ার আয়োজিত এক গণমাধ্যম অনুষ্ঠানে অডিও বার্তার মাধ্যমে তিনি এ কথা বলেন।

২০২৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এটিই ছিল শেখ হাসিনার প্রথম গণমাধ্যমে বক্তব্য। যদিও তাকে ভিডিওতে উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল, শেষ পর্যন্ত তিনি পর্দার আড়াল থেকে কেবল অডিও বার্তা দেন। কেন তিনি ক্যামেরায় আসেননি, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, তিনি জনগণের কাছে ফিরে যেতে বদ্ধপরিকর। সময় হলে দেশে ফেরার নির্দিষ্ট তারিখ ও বিস্তারিত জানাবেন। তিনি বলেন, দেশে ফিরলে তাকে কারাগারে পাঠানো হতে পারে কিংবা আরও কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারেন, তবুও তিনি দেশে ফিরবেন।

তিনি দাবি করেন, ছাত্র আন্দোলন থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ পরবর্তীতে একটি পরিকল্পিত সহিংস অভিযানে রূপ নেয়, যার লক্ষ্য ছিল তার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা এবং সাংবিধানিক ব্যবস্থা দুর্বল করে দেওয়া।

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সমালোচনা করেন শেখ হাসিনা। তার অভিযোগ, ক্ষমতা হারানোর পর দেশের প্রবৃদ্ধি কমেছে, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান হ্রাস পেয়েছে এবং প্রায় দুই কোটি মানুষ বেকার হয়ে পড়েছে। তার সরকারের সময়কার অর্থনৈতিক অগ্রগতিও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

অন্যদিকে, শেখ হাসিনার বক্তব্য চলাকালে ঢাকায় বিক্ষোভকারীরা তার কুশপুত্তলিকা দাহ করে। সরকার ৫ আগস্টকে ছাত্র আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে জাতীয় ছুটির দিন হিসেবে পালন করছে।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার আগের দিন গণমাধ্যমকে শেখ হাসিনার বক্তব্য বা বিবৃতি প্রকাশ ও প্রচার না করার নির্দেশনা দেয়। সরকারের দাবি, এমন প্রচার ২০২৪ সালের একটি আদালতের আদেশের পরিপন্থী হবে।

শেখ হাসিনার বক্তব্যের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার তাকে ভারতের কাছ থেকে প্রত্যর্পণের আবেদন জানিয়ে আসছে। ভারত জানিয়েছে, তারা সেই অনুরোধ পর্যালোচনা করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা এবং সাম্প্রতিক বক্তব্য বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ও দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করতে পারে।