ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেবে সরকার:ডা. জাহেদ উর রহমান দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়তে প্রতিটি পরিবারের সচেতনতা জরুরি বলেছেন রাষ্ট্রপতি দেশে ফিরে আসা কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসনে সরকার কাজ করছে জানিয়েছেন নুর ধামইরহাটে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত জিয়াউল আহসানের বিচারকাজ ভার্চুয়ালি হবে আজ থেকে জানিয়েছেন প্রসিকিউটর তামিম প্রবাসীদের সংকট নিরসনে বিশেষ আদালত গঠনের পরিকল্পনা সরকারের জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আক্রমণ শক্তিশালী করতে আরও মানসম্মত পেসার প্রয়োজন বললেন সালাহউদ্দিন বারহাট্টায় দিনব্যাপী বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শন করলেন নেত্রকোণার জেলা প্রশাসক শেরপুরে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে তথ্য সংগ্রহ বিষয়ে অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স শেরপুরে গণশুনানিতে ১৩ জন পেলেন হুইলচেয়ার, বিতরণ একটি ট্রাইসাইকেলও
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়তে প্রতিটি পরিবারের সচেতনতা জরুরি বলেছেন রাষ্ট্রপতি

দুর্যোগপরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে আগাম সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রতিটি ঘরকেই দুর্যোগ মোকাবিলার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে হবে। দুর্যোগের প্রথম আঘাত যেহেতু পরিবার ও বাসাবাড়ির ওপর আসে, তাই দুর্যোগ সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ব্যক্তি ও পারিবারিক সচেতনতার বিকল্প নেই।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ একটি অত্যন্ত দুর্যোগপ্রবণ দেশ। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, বন্যা ও ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগ এখানকার মানুষের নিত্যসঙ্গী। এর সঙ্গে এখন যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান নেতিবাচক প্রভাব। সম্প্রতি নেপালে হিমবাহধসে হাজারো মানুষের প্রাণহানির ঘটনার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ একটি দেশের জীবন-জীবিকা কতটা তছনছ করে দিতে পারে, তা নেপালের ঘটনাই প্রমাণ করে।
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে উষ্ণতা বৃদ্ধি এখন আন্তর্জাতিক উদ্বেগের বিষয়। জলবায়ু পরিবর্তনের পেছনে বাংলাদেশের ভূমিকা একেবারেই নগণ্য হলেও এর সবচেয়ে বড় শিকার হতে হচ্ছে এ দেশের মানুষকে। জলবায়ুজনিত ঝুঁকির কারণে দেশের প্রায় ১৭ শতাংশ মানুষকে চরম মূল্য দিতে হবে এবং উপকূলীয় অঞ্চলের এক বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের অর্জন তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, অতীতে দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা অনেক বাড়লেও এখনো অনেক ক্ষেত্রে উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে দুর্যোগকালীন সম্মুখসারির যোদ্ধা স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো নেই। এ কারণে জরুরি ভিত্তিতে স্বেচ্ছাসেবকদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিতে যুগোপযোগী আইন প্রণয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

 

ভূমিকম্পের ঝুঁকি প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও অব্যবস্থাপনার কারণেই মূলত ভূমিকম্পে প্রাণহানির আশঙ্কা বহুগুণ বাড়ে। তাই ভবন ও আবাসন নির্মাণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত মানদণ্ড মেনে চলার ওপর জোর দিতে হবে। একই সঙ্গে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা ও দূষণ বন্ধ করে মানবসৃষ্ট দুর্যোগ কমিয়ে আনার আহ্বান জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেবে সরকার:ডা. জাহেদ উর রহমান

দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়তে প্রতিটি পরিবারের সচেতনতা জরুরি বলেছেন রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ০২:১৭:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

দুর্যোগপরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে আগাম সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রতিটি ঘরকেই দুর্যোগ মোকাবিলার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে হবে। দুর্যোগের প্রথম আঘাত যেহেতু পরিবার ও বাসাবাড়ির ওপর আসে, তাই দুর্যোগ সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ব্যক্তি ও পারিবারিক সচেতনতার বিকল্প নেই।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ একটি অত্যন্ত দুর্যোগপ্রবণ দেশ। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, বন্যা ও ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগ এখানকার মানুষের নিত্যসঙ্গী। এর সঙ্গে এখন যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান নেতিবাচক প্রভাব। সম্প্রতি নেপালে হিমবাহধসে হাজারো মানুষের প্রাণহানির ঘটনার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ একটি দেশের জীবন-জীবিকা কতটা তছনছ করে দিতে পারে, তা নেপালের ঘটনাই প্রমাণ করে।
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে উষ্ণতা বৃদ্ধি এখন আন্তর্জাতিক উদ্বেগের বিষয়। জলবায়ু পরিবর্তনের পেছনে বাংলাদেশের ভূমিকা একেবারেই নগণ্য হলেও এর সবচেয়ে বড় শিকার হতে হচ্ছে এ দেশের মানুষকে। জলবায়ুজনিত ঝুঁকির কারণে দেশের প্রায় ১৭ শতাংশ মানুষকে চরম মূল্য দিতে হবে এবং উপকূলীয় অঞ্চলের এক বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের অর্জন তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, অতীতে দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা অনেক বাড়লেও এখনো অনেক ক্ষেত্রে উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে দুর্যোগকালীন সম্মুখসারির যোদ্ধা স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামো নেই। এ কারণে জরুরি ভিত্তিতে স্বেচ্ছাসেবকদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিতে যুগোপযোগী আইন প্রণয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

 

ভূমিকম্পের ঝুঁকি প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও অব্যবস্থাপনার কারণেই মূলত ভূমিকম্পে প্রাণহানির আশঙ্কা বহুগুণ বাড়ে। তাই ভবন ও আবাসন নির্মাণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত মানদণ্ড মেনে চলার ওপর জোর দিতে হবে। একই সঙ্গে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখা ও দূষণ বন্ধ করে মানবসৃষ্ট দুর্যোগ কমিয়ে আনার আহ্বান জানান তিনি।