ময়মনসিংহ , বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জ্বালানি সাশ্রয়ে কঠোর নির্দেশনা: ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে ফিরছে সরকারি সব সভা “এনসিপিতে যোগ দিয়েই মেয়র পদে লড়াইয়ের ঘোষণা মনজুর আলমের” ভিসা ছাড়াই ৩৬ দেশে ভ্রমণের সুযোগ: সুখবর পাচ্ছেন বাংলাদেশিরা! নানক ও তাপসের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য দারুণ সুযোগ: নৌবাহিনীতে যোগ দেওয়ার আহ্বান ১৬ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: আজ শুরু হচ্ছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা গৌরীপুর মহিলা কলেজের উদ্যোগে বর্নিল আয়োজনে নববর্ষ উদযাপন  মাহমুদা আক্তার জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি ‘র আলোচিত মুখ পূর্বধলায় বর্ণাঢ্য আয়োজন উপজেলা প্রশাসনের বর্ষবরণ দুদেশের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আস্থার সম্পর্ক শক্তিশালী বলেছেন প্রণয় ভার্মা
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

জামায়াতে ইসলামীর ঘোষণা কওমি শিক্ষা সিলেবাস পরিমার্জনের

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৯:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮৫ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহারে কওমি শিক্ষা সিলেবাস পরিমার্জন এবং ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো সরকারি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। 

গত বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান এই ইশতেহার ঘোষণা করেন।

শিক্ষাসংক্রান্ত পরিকল্পনায় জামায়াত আমির জানান, তাদের দল সরকার গঠন করলে দেশের ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোকে জাতীয়করণ করা হবে, যাতে এগুলো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সমান মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা পায়। একই সঙ্গে যুগের চাহিদার সঙ্গে সংগতি রেখে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষা সিলেবাসে প্রয়োজনীয় পরিমার্জন আনা হবে।

উচ্চশিক্ষায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তায় জামায়াত এক অভিনব অর্থনৈতিক প্রস্তাবনা পেশ করেছে। ইশতেহার অনুযায়ী, স্নাতক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার এক লাখ মেধাবী শিক্ষার্থীকে প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা করে পাঁচ বছর মেয়াদী সুদমুক্ত ঋণ প্রদান করা হবে।

ইশতেহারের প্রথম অংশে জুলাই বিপ্লবের মূল আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠনের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী অংশগুলোতে আত্মনির্ভরশীল পররাষ্ট্রনীতি, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, জ্বালানি খাতের সংস্কার এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা বর্ণনা করা হয়েছে।

ইশতেহারে আরও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন এবং পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ। যুব সমাজের নেতৃত্বে প্রযুক্তি বিপ্লব ঘটানো এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরও বিশেষ জোর দিয়েছে দলটি।

একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষে জামায়াতে ইসলামী সমাজকল্যাণ ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। দলটির দাবি, এই ২৬ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি সাশ্রয়ে কঠোর নির্দেশনা: ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে ফিরছে সরকারি সব সভা

জামায়াতে ইসলামীর ঘোষণা কওমি শিক্ষা সিলেবাস পরিমার্জনের

আপডেট সময় ০১:০৯:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহারে কওমি শিক্ষা সিলেবাস পরিমার্জন এবং ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো সরকারি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। 

গত বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান এই ইশতেহার ঘোষণা করেন।

শিক্ষাসংক্রান্ত পরিকল্পনায় জামায়াত আমির জানান, তাদের দল সরকার গঠন করলে দেশের ইবতেদায়ি মাদ্রাসাগুলোকে জাতীয়করণ করা হবে, যাতে এগুলো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সমান মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা পায়। একই সঙ্গে যুগের চাহিদার সঙ্গে সংগতি রেখে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষা সিলেবাসে প্রয়োজনীয় পরিমার্জন আনা হবে।

উচ্চশিক্ষায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তায় জামায়াত এক অভিনব অর্থনৈতিক প্রস্তাবনা পেশ করেছে। ইশতেহার অনুযায়ী, স্নাতক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার এক লাখ মেধাবী শিক্ষার্থীকে প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা করে পাঁচ বছর মেয়াদী সুদমুক্ত ঋণ প্রদান করা হবে।

ইশতেহারের প্রথম অংশে জুলাই বিপ্লবের মূল আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠনের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী অংশগুলোতে আত্মনির্ভরশীল পররাষ্ট্রনীতি, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, জ্বালানি খাতের সংস্কার এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা বর্ণনা করা হয়েছে।

ইশতেহারে আরও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন এবং পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ। যুব সমাজের নেতৃত্বে প্রযুক্তি বিপ্লব ঘটানো এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরও বিশেষ জোর দিয়েছে দলটি।

একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষে জামায়াতে ইসলামী সমাজকল্যাণ ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। দলটির দাবি, এই ২৬ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করা সম্ভব হবে।