ময়মনসিংহ , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
​ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শেষ হওয়ার ইঙ্গিত, এক ধাক্কায় কমল তেলের দাম ​ফসল হারিয়ে দিশেহারা সিলেটের কৃষক: ঈদের আগে সরকারি সহায়তার আশা ক্ষীণ ​মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সাংবাদিক রাশিদুল হাসান গুরুতর আহত মহাপরিচালকের ঈদ উপহার পেলেন আনসার-ভিডিপির ভাতাভোগী সদস্য-সদস্যারা পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলায় কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণে প্রশিক্ষণ নেত্রকোণার মদনে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে বৃদ্ধ কৃষকের মৃত্যু নয় মাসের অনাথ শিশু থেকে ‘বিএ পাস’ সমাজসেবক: মেম্বার পদে লড়ছেন অদম্য হারাধন, মুক্তাগাছায় তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের মাঝে এমপির ঈদ উপহার বিতরণ ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

দশমবারের মতো বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন নীতিশ কুমার

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০৮:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৩৫ বার পড়া হয়েছে

ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নিয়েছেন জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ) প্রেসিডেন্ট ও বিজেপি নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক জোট ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ)-এর অন্যতম নেতা নীতিশ কুমার। এ নিয়ে দশম বারের মতো মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তিনি।

এনডিটিভির প্রতিবেদন মতে, আজ বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) বিহারের রাজধানী পাটনার ঐতিহাসিক গান্ধী ময়দানে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-র উপস্থিতিতে নীতিশ কুমারসহ মোট ৩০ জন মন্ত্রী শপথ পড়েন। 

 
১৯৫১ সালে বিহারের বখতিয়ারপুরে জন্মগ্রহণ করা নীতিশ কুমার জেপি আন্দোলনের সময় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। জনতা পার্টিতে যোগ দেন এবং ১৯৭৭ সালে প্রথম বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে ১৯৮৫ সালে প্রথমবার নির্বাচনে জয় পান তিনি।
 প্রায় পাঁচ দশকের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ঘন ঘন দল বদলানোয় নীতিশ ‘পল্টু রাম’ নাম পেয়েছেন। তবে তার সুশাসনের জন্য তাঁকে ‘সুশাসন বাবু’ও বলা হয়।
 
বিহারে গত ৬ ও ১১ নভেম্বর— দুই দফায় বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুসারে, দুই দফা মোট ৬৭ শতাংশ ভোট পড়ে। গত ১৪ নভেম্বর নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
 
নির্বাচনে মূলত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় বিজেপি-জনতা দল ইউনাইডেট (জেডিইউ) নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট এবং কংগ্রেস-রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি) নেতৃত্বাধীন জোট মহাগাঠবন্ধনের মধ্যে। বিধানসভার ২৪৩টি আসনের মধ্যে ২০২টিতে জয় পায় এনডিএ জোট। বিরোধী মহাগাঠবন্ধন জোট পায় ৩৫টি আসন।
ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

​ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শেষ হওয়ার ইঙ্গিত, এক ধাক্কায় কমল তেলের দাম

দশমবারের মতো বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন নীতিশ কুমার

আপডেট সময় ০৩:০৮:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নিয়েছেন জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ) প্রেসিডেন্ট ও বিজেপি নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক জোট ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ)-এর অন্যতম নেতা নীতিশ কুমার। এ নিয়ে দশম বারের মতো মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তিনি।

এনডিটিভির প্রতিবেদন মতে, আজ বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) বিহারের রাজধানী পাটনার ঐতিহাসিক গান্ধী ময়দানে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-র উপস্থিতিতে নীতিশ কুমারসহ মোট ৩০ জন মন্ত্রী শপথ পড়েন। 

 
১৯৫১ সালে বিহারের বখতিয়ারপুরে জন্মগ্রহণ করা নীতিশ কুমার জেপি আন্দোলনের সময় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। জনতা পার্টিতে যোগ দেন এবং ১৯৭৭ সালে প্রথম বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে ১৯৮৫ সালে প্রথমবার নির্বাচনে জয় পান তিনি।
 প্রায় পাঁচ দশকের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ঘন ঘন দল বদলানোয় নীতিশ ‘পল্টু রাম’ নাম পেয়েছেন। তবে তার সুশাসনের জন্য তাঁকে ‘সুশাসন বাবু’ও বলা হয়।
 
বিহারে গত ৬ ও ১১ নভেম্বর— দুই দফায় বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুসারে, দুই দফা মোট ৬৭ শতাংশ ভোট পড়ে। গত ১৪ নভেম্বর নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
 
নির্বাচনে মূলত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় বিজেপি-জনতা দল ইউনাইডেট (জেডিইউ) নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট এবং কংগ্রেস-রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি) নেতৃত্বাধীন জোট মহাগাঠবন্ধনের মধ্যে। বিধানসভার ২৪৩টি আসনের মধ্যে ২০২টিতে জয় পায় এনডিএ জোট। বিরোধী মহাগাঠবন্ধন জোট পায় ৩৫টি আসন।