ময়মনসিংহ , শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পূর্বধলায় জনগণের ভালবাসায় সাড়া দিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন মোঃ এরশাদ খাঁন সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী দেশে অর্ধশত কোটি টাকার মালিক মাত্র ১৫ জন! চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ সব বাধা অতিক্রম করে দেশকে এগিয়ে নিতে চায় সরকার বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শাপলা চত্বর হত্যা মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল ২৭ জুলাই জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর অবশেষে পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া আলোচনার মানে হয় না: ককরোচ জনতা পার্টি সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়: দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের বার্তা সরকার রাষ্ট্রীয় সংস্কার বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন শিবির সভাপতি সাদ্দাম মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ: ভারতের রাজপথে এখন জেন-জি প্রজন্মের উত্তাল আন্দোলন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার যেন-’চলছে গাড়ি হেলে-দুলে’বললেন ফারুক হাসান

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:০৭:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫
  • ১৮২ বার পড়া হয়েছে

অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কার্যক্রমকে “চলছে গাড়ি হেলে দুলে” বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হাসান। তিনি সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টকশোতে অংশ নিয়ে সরকারের সদিচ্ছা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন।

ফারুক হাসান বলেন, “বর্তমান সরকারের সংস্কার প্রক্রিয়া দেখে মনে হচ্ছে গাড়ি চলছে হেলে দুলে, কিন্তু গন্তব্য কোথায়—তা কেউ জানে না। সরকারের সদিচ্ছা আদৌ আছে কি না, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।”

তিনি আরও বলেন, “গণহত্যার বিচার নিয়ে সরকার কেবল মুখে বলছে ‘রেড নোটিশ’, ‘ইন্টারপোল’ ইত্যাদি, কিন্তু বাস্তবে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। নয় মাস পেরিয়ে গেলেও সরকার জনগণকে জানাতে পারেনি যে বিচার কার্যক্রম কতদূর এগিয়েছে।”

আলোচনায় তিনি ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধ বিচারের জন্য গঠিত দুটি আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনালের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “তৎকালীন সরকার যদি দুটি ট্রাইবুনাল গঠন করতে পারে, তাহলে এখনকার একটি ভয়াবহ গণহত্যার বিচার করতে গিয়ে কেন কেবল একটি ট্রাইবুনালের উপর নির্ভর করা হচ্ছে?”
বর্তমানে আলোচিত “মানবিক করিডর” প্রসঙ্গে ফারুক হাসান বলেন, “এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে সরকার আলোচনা করেনি। পার্বত্য চট্টগ্রাম একটি সংবেদনশীল অঞ্চল। সেখানে মিয়ানমারের জন্য করিডর খুলে দেওয়া ভবিষ্যতে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে।”

তিনি জাতিসংঘের ভূমিকা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “জাতিসংঘ মানেই আজকের বিশ্বে পশ্চিমা আধিপত্যের প্রতীক। মানবিক করিডরের নামে অতীতে ফিলিস্তিনের গাজায় কী ঘটেছে, তা আমরা দেখেছি। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি বাংলাদেশে যেন না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।”

নারী সংস্কার কমিশনসহ বিভিন্ন সংস্কার কমিশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এগুলোর সদস্যদের অধিকাংশই কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞানসম্পন্ন। বাস্তবিক অভিজ্ঞতা ও কার্যকর দৃষ্টিভঙ্গি ছাড়া কোনো সংস্কার দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না।”

ফারুক হাসান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “এই অন্তর্বর্তী সরকার যদি স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চায়, তাহলে তা অবশ্যই জনগণের অংশগ্রহণ ও রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে হতে হবে। অন্যথায়, সেই সিদ্ধান্ত জনগণ মানবে না।”

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পূর্বধলায় জনগণের ভালবাসায় সাড়া দিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন মোঃ এরশাদ খাঁন

অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার যেন-’চলছে গাড়ি হেলে-দুলে’বললেন ফারুক হাসান

আপডেট সময় ১২:০৭:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫

অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কার্যক্রমকে “চলছে গাড়ি হেলে দুলে” বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হাসান। তিনি সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টকশোতে অংশ নিয়ে সরকারের সদিচ্ছা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন।

ফারুক হাসান বলেন, “বর্তমান সরকারের সংস্কার প্রক্রিয়া দেখে মনে হচ্ছে গাড়ি চলছে হেলে দুলে, কিন্তু গন্তব্য কোথায়—তা কেউ জানে না। সরকারের সদিচ্ছা আদৌ আছে কি না, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।”

তিনি আরও বলেন, “গণহত্যার বিচার নিয়ে সরকার কেবল মুখে বলছে ‘রেড নোটিশ’, ‘ইন্টারপোল’ ইত্যাদি, কিন্তু বাস্তবে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। নয় মাস পেরিয়ে গেলেও সরকার জনগণকে জানাতে পারেনি যে বিচার কার্যক্রম কতদূর এগিয়েছে।”

আলোচনায় তিনি ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধ বিচারের জন্য গঠিত দুটি আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনালের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “তৎকালীন সরকার যদি দুটি ট্রাইবুনাল গঠন করতে পারে, তাহলে এখনকার একটি ভয়াবহ গণহত্যার বিচার করতে গিয়ে কেন কেবল একটি ট্রাইবুনালের উপর নির্ভর করা হচ্ছে?”
বর্তমানে আলোচিত “মানবিক করিডর” প্রসঙ্গে ফারুক হাসান বলেন, “এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে সরকার আলোচনা করেনি। পার্বত্য চট্টগ্রাম একটি সংবেদনশীল অঞ্চল। সেখানে মিয়ানমারের জন্য করিডর খুলে দেওয়া ভবিষ্যতে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে।”

তিনি জাতিসংঘের ভূমিকা নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “জাতিসংঘ মানেই আজকের বিশ্বে পশ্চিমা আধিপত্যের প্রতীক। মানবিক করিডরের নামে অতীতে ফিলিস্তিনের গাজায় কী ঘটেছে, তা আমরা দেখেছি। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি বাংলাদেশে যেন না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।”

নারী সংস্কার কমিশনসহ বিভিন্ন সংস্কার কমিশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এগুলোর সদস্যদের অধিকাংশই কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞানসম্পন্ন। বাস্তবিক অভিজ্ঞতা ও কার্যকর দৃষ্টিভঙ্গি ছাড়া কোনো সংস্কার দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না।”

ফারুক হাসান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “এই অন্তর্বর্তী সরকার যদি স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চায়, তাহলে তা অবশ্যই জনগণের অংশগ্রহণ ও রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে হতে হবে। অন্যথায়, সেই সিদ্ধান্ত জনগণ মানবে না।”