ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
​আলিমে রেজিস্ট্রেশন বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর: সময় বাড়ালো মাদ্রাসা বোর্ড স্বাস্থ্যখাতে জনবল সংকট মোকাবিলায় তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা সরকারি চাকরিতে নতুন পে-স্কেল: বেতন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সম্ভাবনা স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পূরণে সরকার কাজ করছে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী কৃষক ১০ হাজার টাকার কৃষি ঋণের জন্য কোমরে দড়ি পড়ে, আর হাজার কোটি টাকার ক্ষমতাশালী গ্রহীতাদের বেলায় আইন তার নিজের গতি হারিয়ে ফেলে? এনসিপির সমাবেশে হামলা: দোষীদের শাস্তির দাবি গোলাম পরওয়ারের কলেজগুলোর জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন নিয়ম ৬ দিনের বিরতি শেষে আজ ফের বসছে জাতীয় সংসদ অধিবেশন ​ঢাকাসহ ১৭ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস: দুপুরের মধ্যেই বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

আজ আইয়ুব বাচ্চুর চলে যাওয়ার ৭ বছর

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫৮:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৫৩ বার পড়া হয়েছে

রুপালি গিটার ফেলে আজ থেকে ৭বছর আগে সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গিয়েছেন বাংলা ব্যান্ড সংগীতের জাদুকর আইয়ুব বাচ্চু। আজ তার ১৮ অক্টোবর সপ্তমতম মৃত্যুবার্ষিকী।

তিনি ছিলেন দেশের সেরা গিটারিস্টও। এদেশের সংগীতাঙ্গনে তিনিই প্রথম ব্র্যান্ডের গানে নতুন ধারা তৈরি করেন।

আইয়ুব বাচ্চুর অসাধারণ গানের কথার সঙ্গে শ্রুতিমধুর সুর, সংগীতায়োজন আর ভরাট কণ্ঠ দর্শককে মুহূর্তের মধ্যেই মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখতো।

আজও তার গান মাতিয়ে রাখে দর্শককে। হৃদয়কে করে তোলে তোলপাড়।
চট্টগ্রামের এই কৃতী সন্তান ১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। গানকে ভালোবেসে সংগীতজীবন শুরু করেন ১৯৭৭ সালে। তার এক বছর পরেই ব্যান্ড জগতে পা রাখেন তিনি।

১৯৮০ সালে আইয়ুব বাচ্চু যোগ দেন সোলস ব্যান্ডে। ১৯৯০ সাল পর্যন্ত তিনি দলটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরের বছর অর্থাৎ ১৯৯১ সালে তিনি ‘লাভ রানস ব্লাইন্ড (এলআরবি) ব্যান্ডদল গঠন করেন। মৃত্যু পর্যন্ত তিনি এই দলটির সঙ্গেই মেইন ভোকাল হিসেবে যুক্ত ছিলেন।
তার প্রথম গাওয়া গান ‘হারানো বিকেলের গল্প’। আর প্রথম একক অ্যালবাম ‘রক্তগোলাপ’। তবে গানের জগতে সফলতা পান তার দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘ময়না’-এর মাধ্যমে।

 দীর্ঘ ৪০ বছরের ক্যারিয়ার জীবনে অসংখ্য গান ভক্তদের উপহার দিয়ে গেছেন তিনি। গায়কী জীবনে ১২টি ব্যান্ড, ১৬টি একক ও বহু মিশ্র অ্যালবাম প্রকাশ হয়েছিল তার।
অসংখ্য দর্শকপ্রিয় গানের মধ্যে তার কয়েকটি গান হলো ফেরারি মন, হাসতে দেখো, কষ্ট পেতে ভালোবাসি, চলো বদলে যাই, সুখেরই পৃথিবী ইত্যাদি।

তার সব কালজয়ী গান গাওয়ার সময় তিনি নিজে যেমন দরদ দিয়ে গান গেয়েছেন, তেমনি দর্শকও কেঁদেছে অঝোর ধারায়। আবেগী এসব গানে সুখ, দুঃখ বেদনা, প্রেম, ভালোবাসা, কষ্ট সব অনুভূতিই আলাদা এক মাত্রা পেতো তার কন্ঠে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

​আলিমে রেজিস্ট্রেশন বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর: সময় বাড়ালো মাদ্রাসা বোর্ড

আজ আইয়ুব বাচ্চুর চলে যাওয়ার ৭ বছর

আপডেট সময় ১২:৫৮:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

রুপালি গিটার ফেলে আজ থেকে ৭বছর আগে সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গিয়েছেন বাংলা ব্যান্ড সংগীতের জাদুকর আইয়ুব বাচ্চু। আজ তার ১৮ অক্টোবর সপ্তমতম মৃত্যুবার্ষিকী।

তিনি ছিলেন দেশের সেরা গিটারিস্টও। এদেশের সংগীতাঙ্গনে তিনিই প্রথম ব্র্যান্ডের গানে নতুন ধারা তৈরি করেন।

আইয়ুব বাচ্চুর অসাধারণ গানের কথার সঙ্গে শ্রুতিমধুর সুর, সংগীতায়োজন আর ভরাট কণ্ঠ দর্শককে মুহূর্তের মধ্যেই মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখতো।

আজও তার গান মাতিয়ে রাখে দর্শককে। হৃদয়কে করে তোলে তোলপাড়।
চট্টগ্রামের এই কৃতী সন্তান ১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। গানকে ভালোবেসে সংগীতজীবন শুরু করেন ১৯৭৭ সালে। তার এক বছর পরেই ব্যান্ড জগতে পা রাখেন তিনি।

১৯৮০ সালে আইয়ুব বাচ্চু যোগ দেন সোলস ব্যান্ডে। ১৯৯০ সাল পর্যন্ত তিনি দলটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরের বছর অর্থাৎ ১৯৯১ সালে তিনি ‘লাভ রানস ব্লাইন্ড (এলআরবি) ব্যান্ডদল গঠন করেন। মৃত্যু পর্যন্ত তিনি এই দলটির সঙ্গেই মেইন ভোকাল হিসেবে যুক্ত ছিলেন।
তার প্রথম গাওয়া গান ‘হারানো বিকেলের গল্প’। আর প্রথম একক অ্যালবাম ‘রক্তগোলাপ’। তবে গানের জগতে সফলতা পান তার দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘ময়না’-এর মাধ্যমে।

 দীর্ঘ ৪০ বছরের ক্যারিয়ার জীবনে অসংখ্য গান ভক্তদের উপহার দিয়ে গেছেন তিনি। গায়কী জীবনে ১২টি ব্যান্ড, ১৬টি একক ও বহু মিশ্র অ্যালবাম প্রকাশ হয়েছিল তার।
অসংখ্য দর্শকপ্রিয় গানের মধ্যে তার কয়েকটি গান হলো ফেরারি মন, হাসতে দেখো, কষ্ট পেতে ভালোবাসি, চলো বদলে যাই, সুখেরই পৃথিবী ইত্যাদি।

তার সব কালজয়ী গান গাওয়ার সময় তিনি নিজে যেমন দরদ দিয়ে গান গেয়েছেন, তেমনি দর্শকও কেঁদেছে অঝোর ধারায়। আবেগী এসব গানে সুখ, দুঃখ বেদনা, প্রেম, ভালোবাসা, কষ্ট সব অনুভূতিই আলাদা এক মাত্রা পেতো তার কন্ঠে।