গত শনিবার (১৮ জুলাই) বিকালে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে কৌতূহলী মানুষ আয়েশা সুলতানার (২১) বাড়িতে ভিড় করেন। আয়েশা কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়নের বাইসার গ্রামের আবদুল আলিমের মেয়ে। সোহান চাও চীনের হেনান প্রদেশের নানইয়াং শহরের বাসিন্দা সংফু ফ্যাংয়ের ছেলে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সং হানজাও বাংলাদেশে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এরপর গত ১৪ জুন এফিডেভিটের মাধ্যমে ইসলামী রীতিতে আয়েশা সুলতানাকে বিয়ে করেন।
আয়েশার বাবা আবদুল আলিম বলেন, সোহান বাংলাদেশে আসার পর আমরা ঢাকায় গিয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে তার বিষয়ে খোঁজখবর নিই। তিনি ইসলাম গ্রহণ করার পর মেয়ের সঙ্গে তার বিয়ে দিই। বিয়ের পর তারা ঢাকায় থাকছেন। মেয়ের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুতের কাজ চলছে। পরে তাকে চীনে নিয়ে যাবে। সবকিছু জেনেশুনেই মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি।
স্থানীয় যুবক আলিম হোসেন বলেন, প্রায়ই দেখা যায়, বিদেশ থেকে এসে বিয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশি নারীদের নিজ দেশে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন অনৈতিক কাজে জড়িয়ে ফেলা হয়। তাই এ ধরনের বিষয়ে সরকারের আরও নজরদারি প্রয়োজন।
এ বিষয়ে কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি খোঁজখবর নিচ্ছি। বিস্তারিত জানার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডিজিটাল রিপোর্ট 






















