ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশায় বিশ্ববাজারে ফের কমল জ্বালানি তেলের দাম আজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় স্কুলশিক্ষার্থী অন্তঃসত্ত্বা, বিএনপি নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলা অন্তর্বর্তী সরকার বর্তমান সরকারকে কাজ করার মতো একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করে দিয়েছে:সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নতুন শিক্ষানীতি নয়, ২০১০ সালের নীতি অনুসরণ করেই প্রাথমিক শিক্ষায় আসছে সংস্কার:ববি হাজ্জাজ ঝিনাইগাতীতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে চারা বিতরণ, নিজ হাতে বৃক্ষরোপণ করলেন জেলা প্রশাসক স্থানীয়দের বহুল প্রতীক্ষিত মডেল মসজিদ ও জাতীয় উদ্যান সিংড়ার প্রবেশপথের বেইলি ব্রিজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০ তম মৃত্যুবার্ষিকী রাসূলুল্লাহ ﷺ এর জীবনের অলৌকিক নিদর্শনসমূহ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০ তম মৃত্যুবার্ষিকী

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর একটি গানে লিখেছেন, “মসজিদেরই পাশে আমায় কবর দিয়ো ভাই/যেন গোরের থেকে মুয়াজ্জিনের আযান শুনতে পাই” জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের এই ইচ্ছার বিষয়টি বিবেচনা করে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে সমাধিস্থ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এবং সে অনুযায়ী তাঁর সমাধি রচিত হয়। তবে প্রমিলা দেবীর শেষ ইচ্ছা ছিল তাঁর স্বামীকে যেন তাঁর কবরের পাশে (চুরুলিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের পৈতৃক বাড়িতে) সমাধিস্থ করা হয়। কিন্তু প্রমিলার শেষ ইচ্ছাটি আর পূরণ হয়ে উঠেনি। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আমরা তাঁর অম্লান স্মৃতির প্রতি গ্রভীর শ্রদ্ধা জানাই। তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ২৩ বছরের সাহিত্য জীবনের অনন্য সৃষ্টি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে মর্যাদার এক উচ্চাসনে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান বাংলা ভাষার কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও সঙ্গীতজ্ঞ।

তিনি আমাদের জাতীয় কবি। তাঁর সাহিত্য কর্মের মধ্যে মানবতার বাণী ছিল উচ্চকিত। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে তাঁর কবিতা ও গান এক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছে। তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন তাঁর অনন্য সৃষ্টিকর্মের মাধ্যমে। উজ্জীবিত করেছেন অবহেলিত ও শোষিত মানুষকে শোষক ও অত্যাচারির কবল থেকে রক্ষা পেতে। ফলে তিনি বৃটিশ শাসকদের চক্ষুশুলে পরিণত হন। এবং কারা নির্যাতন ভোগ করেন।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক চিরকালীন দ্রোহের প্রতীক। সাহিত্য ও শিল্পকর্মে তাঁর ছিল বহুমূখী প্রতিভা। কিন্তু তাঁর প্রধান পরিচয় তিনি কবি। তাঁর রচনা আমাদেরকে স্বদেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। সমাজে শান্তি, সাম্য ও মানবতা প্রতিষ্ঠার ব্রত নিয়ে তিনি সাহিত্যকর্মে আত্মনিয়োগ করেছিলেন। কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর সৃষ্টিকর্মের জন্য চিরদিন অমর হয়ে থাকবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশায় বিশ্ববাজারে ফের কমল জ্বালানি তেলের দাম

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০ তম মৃত্যুবার্ষিকী

আপডেট সময় ০৯:২৫:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর একটি গানে লিখেছেন, “মসজিদেরই পাশে আমায় কবর দিয়ো ভাই/যেন গোরের থেকে মুয়াজ্জিনের আযান শুনতে পাই” জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের এই ইচ্ছার বিষয়টি বিবেচনা করে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে সমাধিস্থ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এবং সে অনুযায়ী তাঁর সমাধি রচিত হয়। তবে প্রমিলা দেবীর শেষ ইচ্ছা ছিল তাঁর স্বামীকে যেন তাঁর কবরের পাশে (চুরুলিয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের পৈতৃক বাড়িতে) সমাধিস্থ করা হয়। কিন্তু প্রমিলার শেষ ইচ্ছাটি আর পূরণ হয়ে উঠেনি। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আমরা তাঁর অম্লান স্মৃতির প্রতি গ্রভীর শ্রদ্ধা জানাই। তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ২৩ বছরের সাহিত্য জীবনের অনন্য সৃষ্টি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে মর্যাদার এক উচ্চাসনে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান বাংলা ভাষার কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও সঙ্গীতজ্ঞ।

তিনি আমাদের জাতীয় কবি। তাঁর সাহিত্য কর্মের মধ্যে মানবতার বাণী ছিল উচ্চকিত। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে তাঁর কবিতা ও গান এক যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছে। তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন তাঁর অনন্য সৃষ্টিকর্মের মাধ্যমে। উজ্জীবিত করেছেন অবহেলিত ও শোষিত মানুষকে শোষক ও অত্যাচারির কবল থেকে রক্ষা পেতে। ফলে তিনি বৃটিশ শাসকদের চক্ষুশুলে পরিণত হন। এবং কারা নির্যাতন ভোগ করেন।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক চিরকালীন দ্রোহের প্রতীক। সাহিত্য ও শিল্পকর্মে তাঁর ছিল বহুমূখী প্রতিভা। কিন্তু তাঁর প্রধান পরিচয় তিনি কবি। তাঁর রচনা আমাদেরকে স্বদেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। সমাজে শান্তি, সাম্য ও মানবতা প্রতিষ্ঠার ব্রত নিয়ে তিনি সাহিত্যকর্মে আত্মনিয়োগ করেছিলেন। কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর সৃষ্টিকর্মের জন্য চিরদিন অমর হয়ে থাকবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।