ময়মনসিংহ , রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১/১১ তে তারেক রহমানকে ‘আয়নাঘরে’ বন্দি রাখা হয়েছিল বললেন চিফ প্রসিকিউটর গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেন জামায়াত আমির বলে মন্তব্য করেছেন রাশেদ খাঁন সরকারের কাজে কোনো গাফিলতি হলে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বলেছেন রিজভী মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ৪০ হাজার ইয়াবাসহ যুবক আটক সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে কেন্দুয়ায় আলোচনা সভা: সবাইকে নিয়ে নিরাপদ সমাজ গড়ার আহ্বান নেত্রকোনায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক একটি চিঠিই বদলে দিল ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী অনুশ্রী রায়ের জীবনের শাস্তির বদলে সাভারের ওসি পদে মেহেরপুরের সাবেক কর্মকর্তা, ক্ষোভে ফেটে পড়েছে মেহেরপুরবাসী দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের হীরক জয়ন্তী: পুনর্মিলনী নিবন্ধনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন পূর্বধলায় কেন্দ্রীয় মন্দিরের ৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা: পরিচিতি সভায় দায়িত্ব হস্তান্তর
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ডেঙ্গু ও করোনা চিকিৎসায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন নির্দেশনা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১৬:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫
  • ১৯১ বার পড়া হয়েছে

দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ এবং করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এই নির্দেশনাগুলো দেশের সব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল, বিভাগীয় ও জেলা হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।

আজ রোববার (২০ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত একটি সার্বিক নির্দেশনাপত্র প্রকাশ করা হয়েছে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিবেচনায়  নির্দেশনা:

★সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের বহির্বিভাগে ফ্লু কর্নার/ফিভার কর্নার রাখতে হবে। এখানে জ্বরের রোগী এলে শনাক্ত করা ডেঙ্গু রোগীকে ট্রিয়াজ অর্থাৎ প্রাথমিক নির্ণয়ের মাধ্যমে রোগের তীব্রতা অনুযায়ী এ, বি ও সি গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত করে গাইডলাইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে হবে।

★ সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষার ব্যবস্থাসহ পর্যাপ্ত ডেঙ্গু শনাক্তকরণ কিটের মজুত নিশ্চিত করতে হবে।

★ বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানসমূহে ডেঙ্গু শনাক্তকরণের জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা বিধিমোতাবেক সরকারের পূর্বনির্ধারিত হারে ফি প্রযোজ্য হবে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নজরদারিতে রাখবে।

★ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী তীব্রতা অনুযায়ী প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তি হবে অথবা তাকে উচ্চতর হাসপাতালে রেফার করতে হবে।

★সব হাসপাতালে ডেঙ্গু ডেডিকেটেড বেড/ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করতে হবে।

★সব হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসার জন্য প্রশিক্ষিত সুনির্দিষ্ট চিকিৎসক দল থাকতে হবে।

★ ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় আইভি ফ্লুইডের ব্যবস্থা রাখতে হবে এবং প্রয়োজনে বিধিমোতাবেক ক্রয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।

★প্রতিটি রোগীর ফ্লুইড গ্রহণ ও বর্জনের চার্ট নিয়মিতভাবে রেকর্ড ও মনিটরিং করতে হবে।

★ডেঙ্গু রোগীদের জাতীয় গাইডলাইন অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে হবে। প্লাটিলেট কনসেনট্রেট প্রয়োজন হলে সরকারিভাবে সংগ্রহ করা যাবে। নিম্নলিখিত ২১টি সেন্টারে প্লাটিলেট সরবরাহের ব্যবস্থা রয়েছে।

DMCH. NICVD, NIKDU, NINS, BMU, CMCH. RMCH, NICRH. RpmCH, Dinajpur MCH. (DJMCH),

SZMCH. Manikganj MCH. Sher-E-Bangla MCH, Sylhet MAG Osmani MCH. NIDCH, ShSMCH.

SSMCH. Coxsbazar H. MMCH, Faridpur MCH. Sirajganj

★হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীদের ব্যবহারের জন্য পর্যাপ্ত মশারির ব্যবস্থা রাখতে হবে।

★ প্রতিটি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানের জন্য গঠিত মৃত্যু পর্যালোচনা কমিটি রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখায় (সিডিসি) পাঠাতে হবে।

★ ডেঙ্গু ভেক্টরবাহিত রোগ বিধায় জিও লোকেশন ট্রেসিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর মোবাইল নম্বর ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা অবশ্যই সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ করে সংরক্ষণ করতে হবে।

★ ডেঙ্গু পরীক্ষার তথ্য দেওয়ার জন্য এমআইএস থেকে ডেঙ্গু ট্র্যাকার অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি সব ল্যাবরেটরিতে এর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

★ স্থানীয় সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে ডেঙ্গুবিষয়ক প্রচার-প্রচারণার ব্যবস্থা নিতে হবে।

★ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিধায় হাসপাতালের ভেতর পরিষ্কার রাখতে হবে। এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার সহযোগিতায় হাসপাতালের চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

★হাসপাতালের দর্শনার্থীদের সংখ্যা সীমিত রাখতে হবে।

করোনা চিকিৎসায় নির্দেশনা:

* সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কোভিড প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সতর্কতা নিশ্চিত করতে হবে (মাস্ক পরা ও প্রয়োজনে পিপিই পরা)।

* হাত ধোয়ার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

* বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগে জ্বরের রোগীদের বিশেষভাবে পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

* হাসপাতালে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

হাসপাতালে চাহিদা ও সংক্রমণের তীব্রতা অনুযায়ী প্রয়োজনীয়সংখ্যক আইসোলেশন/কোভিড শয্যা নিশ্চিত করতে হবে।

* হাসপাতালে চাহিদা অনুযায়ী সিডিসি থেকে র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন কিট সংগ্রহ করতে হবে। একই সঙ্গে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিধিমোতাবেক কিট সংগ্রহের ক্রয়প্রস্তুতি নিতে হবে।

* অ্যান্টিজেন টেস্টে কোভিড পজিটিভ রোগীদের নির্দিষ্ট আরটি পিসিআর ল্যাবে নমুনা পাঠিয়ে পরীক্ষা করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য DHIS2 ও MIS সার্ভারে এন্ট্রি করতে হবে।

* যৌক্তিক কারণ ছাড়া কোনো কোভিড রোগীকে অন্য হাসপাতালে রেফার করা যাবে না। যদি রেফার করার প্রয়োজন পড়ে, তাহলে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করে রেফার করতে হবে (রেফারেল হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করে নেওয়া যেতে পারে)।

কোভিড চিকিৎসার ক্ষেত্রে জাতীয় কোভিড-১৯ ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট গাইডলাইন-দশম ভার্সন অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে হবে।

* হাসপাতালে আগত রোগী/দর্শনার্থীদের কোভিড সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সচেতন করা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১/১১ তে তারেক রহমানকে ‘আয়নাঘরে’ বন্দি রাখা হয়েছিল বললেন চিফ প্রসিকিউটর

ডেঙ্গু ও করোনা চিকিৎসায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন নির্দেশনা

আপডেট সময় ১১:১৬:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫

দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ এবং করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এই নির্দেশনাগুলো দেশের সব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল, বিভাগীয় ও জেলা হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।

আজ রোববার (২০ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত একটি সার্বিক নির্দেশনাপত্র প্রকাশ করা হয়েছে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিবেচনায়  নির্দেশনা:

★সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের বহির্বিভাগে ফ্লু কর্নার/ফিভার কর্নার রাখতে হবে। এখানে জ্বরের রোগী এলে শনাক্ত করা ডেঙ্গু রোগীকে ট্রিয়াজ অর্থাৎ প্রাথমিক নির্ণয়ের মাধ্যমে রোগের তীব্রতা অনুযায়ী এ, বি ও সি গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত করে গাইডলাইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে হবে।

★ সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষার ব্যবস্থাসহ পর্যাপ্ত ডেঙ্গু শনাক্তকরণ কিটের মজুত নিশ্চিত করতে হবে।

★ বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানসমূহে ডেঙ্গু শনাক্তকরণের জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা বিধিমোতাবেক সরকারের পূর্বনির্ধারিত হারে ফি প্রযোজ্য হবে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নজরদারিতে রাখবে।

★ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী তীব্রতা অনুযায়ী প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তি হবে অথবা তাকে উচ্চতর হাসপাতালে রেফার করতে হবে।

★সব হাসপাতালে ডেঙ্গু ডেডিকেটেড বেড/ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করতে হবে।

★সব হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসার জন্য প্রশিক্ষিত সুনির্দিষ্ট চিকিৎসক দল থাকতে হবে।

★ ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় আইভি ফ্লুইডের ব্যবস্থা রাখতে হবে এবং প্রয়োজনে বিধিমোতাবেক ক্রয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।

★প্রতিটি রোগীর ফ্লুইড গ্রহণ ও বর্জনের চার্ট নিয়মিতভাবে রেকর্ড ও মনিটরিং করতে হবে।

★ডেঙ্গু রোগীদের জাতীয় গাইডলাইন অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে হবে। প্লাটিলেট কনসেনট্রেট প্রয়োজন হলে সরকারিভাবে সংগ্রহ করা যাবে। নিম্নলিখিত ২১টি সেন্টারে প্লাটিলেট সরবরাহের ব্যবস্থা রয়েছে।

DMCH. NICVD, NIKDU, NINS, BMU, CMCH. RMCH, NICRH. RpmCH, Dinajpur MCH. (DJMCH),

SZMCH. Manikganj MCH. Sher-E-Bangla MCH, Sylhet MAG Osmani MCH. NIDCH, ShSMCH.

SSMCH. Coxsbazar H. MMCH, Faridpur MCH. Sirajganj

★হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীদের ব্যবহারের জন্য পর্যাপ্ত মশারির ব্যবস্থা রাখতে হবে।

★ প্রতিটি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানের জন্য গঠিত মৃত্যু পর্যালোচনা কমিটি রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখায় (সিডিসি) পাঠাতে হবে।

★ ডেঙ্গু ভেক্টরবাহিত রোগ বিধায় জিও লোকেশন ট্রেসিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর মোবাইল নম্বর ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা অবশ্যই সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ করে সংরক্ষণ করতে হবে।

★ ডেঙ্গু পরীক্ষার তথ্য দেওয়ার জন্য এমআইএস থেকে ডেঙ্গু ট্র্যাকার অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি সব ল্যাবরেটরিতে এর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

★ স্থানীয় সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে ডেঙ্গুবিষয়ক প্রচার-প্রচারণার ব্যবস্থা নিতে হবে।

★ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিধায় হাসপাতালের ভেতর পরিষ্কার রাখতে হবে। এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার সহযোগিতায় হাসপাতালের চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

★হাসপাতালের দর্শনার্থীদের সংখ্যা সীমিত রাখতে হবে।

করোনা চিকিৎসায় নির্দেশনা:

* সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কোভিড প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সতর্কতা নিশ্চিত করতে হবে (মাস্ক পরা ও প্রয়োজনে পিপিই পরা)।

* হাত ধোয়ার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

* বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগে জ্বরের রোগীদের বিশেষভাবে পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

* হাসপাতালে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

হাসপাতালে চাহিদা ও সংক্রমণের তীব্রতা অনুযায়ী প্রয়োজনীয়সংখ্যক আইসোলেশন/কোভিড শয্যা নিশ্চিত করতে হবে।

* হাসপাতালে চাহিদা অনুযায়ী সিডিসি থেকে র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন কিট সংগ্রহ করতে হবে। একই সঙ্গে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিধিমোতাবেক কিট সংগ্রহের ক্রয়প্রস্তুতি নিতে হবে।

* অ্যান্টিজেন টেস্টে কোভিড পজিটিভ রোগীদের নির্দিষ্ট আরটি পিসিআর ল্যাবে নমুনা পাঠিয়ে পরীক্ষা করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য DHIS2 ও MIS সার্ভারে এন্ট্রি করতে হবে।

* যৌক্তিক কারণ ছাড়া কোনো কোভিড রোগীকে অন্য হাসপাতালে রেফার করা যাবে না। যদি রেফার করার প্রয়োজন পড়ে, তাহলে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করে রেফার করতে হবে (রেফারেল হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করে নেওয়া যেতে পারে)।

কোভিড চিকিৎসার ক্ষেত্রে জাতীয় কোভিড-১৯ ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট গাইডলাইন-দশম ভার্সন অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে হবে।

* হাসপাতালে আগত রোগী/দর্শনার্থীদের কোভিড সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সচেতন করা।