ময়মনসিংহ , রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দেশে এত মেধাবী চিকিৎসক, তবু রোগীরা বিদেশে যান কেন বলেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সীমান্তে মিলল নিখোঁজ শিশু শাকিলের মরদেহ কক্সবাজারে প্রাইভেটকারের নিচে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৮৯ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ১ অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে ৪ আসামি গ্রেপ্তার, তারা অপরাধ স্বীকার করেছে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুর্গম খালিয়াজুড়ী থানায় ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি, পরিদর্শনে নির্মাণাধীন নতুন ভবন ধনী আইনজীবী হওয়ার শর্টকাট থাকলেও ভালো হতে পড়াশোনার বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী প্রকৃতি রক্ষার বার্তা নিয়ে ঢাবিতে রেডিয়েন্ট বনসাই সোসাইটির আয়োজনে কর্মশালা নেত্রকোনায় পৃথক মোবাইল কোর্টে ৮৭ হাজার টাকা জরিমানা, দুইজনের কারাদণ্ড শার্শার রুদ্রপুর সীমান্ত থেকে ৫৫০ বোতল ভারতীয় মাদকদ্রব্য উদ্ধার প্রেস ক্লাবের নবগঠিত ৩১ সদস্যের কমিটির সংবাদ সম্মেলন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

আজ বিশ্ব হার্ট দিবস

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৫১:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৭৮ বার পড়া হয়েছে

আজ সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব হার্ট দিবস। হৃদরোগ প্রতিরোধ ও সুস্থ হৃদয়ের গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রতিবছর এদিন বিশ্বজুড়ে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয় দিবসটি।

বিশ্ব হার্ট দিবসের এবারের প্রতিবাদ্য ডোন্ট মিস এ বিট। যার অর্থ লক্ষণ উপেক্ষা না করা, সময়মতো চিকিৎসা নেয়া এবং প্রতিরোধমূলক জীবনযাত্রা মেনে চলা।

বর্তমানে মানুষের মৃত্যুর যত কারণ আছে, তার মধ্যে অন্যতম হৃদরোগ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে, বিশ্বে প্রতি বছর ১৭ মিলিয়নের বেশি মানুষ হৃদরোগে মারা যান। অর্থাৎ বিশ্বে যত মৃত্যু হয় তার ৩৩ শতাংশ মৃত্যুর কারণ হৃদরোগ।
 
দেশেও এ সংখ্যা বাড়ছে দিন দিন। প্রতি বছর দেশে ৩ লাখ মানুষ মারা যান এই রোগে। যা দেশের মোট মৃত্যুর ২১ শতাংশের বেশি। এক সময় হৃদরোগ শুধু বয়স্কদের ধারণা করা হলেও, সমস্যার বাইরে নেই শিশুরাও।
 
প্রতিবছর দেশে ৭৩ হাজার শিশু হৃদযন্ত্রের ত্রুটি নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। যা মোট শিশু জন্মের আড়াই শতাংশ। আরও আশঙ্কার বিষয়, অধিকাংশ অভিভাবকই জানেন না তাদের শিশুরা সমস্যায় আক্রান্ত।
 
তাই এ সমস্যা মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারিসহ সব পর্যায়ের ঐক্যবদ্ধ সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা ও হৃদরোগ প্রতিরোধ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিও হৃদরোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
 
হৃদরোগ প্রতিরোধের জন্য সচেতনতা বাড়াতে ১৯৯৯ সালে বিশ্ব হার্ট ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট অ্যান্টোনি বায়েস দে লুনা প্রথমবার এই দিবস পালনের অনুভব করেন। তার প্রস্তাবে ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় ২০০০ সালে প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব হার্ট ডে পালিত হয়।
 
প্রথমদিকে এটি সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রোববার পালিত হলেও ২০১১ সাল থেকে নির্দিষ্টভাবে ২৯ সেপ্টেম্বর দিনটিতে বিশ্ব হার্ট ডে পালন করা হয়। বর্তমানে প্রায় ৯০টিরও বেশি দেশ এই দিনে হৃদরোগ প্রতিরোধে বিভিন্ন প্রচারাভিযান ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজন করে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে এত মেধাবী চিকিৎসক, তবু রোগীরা বিদেশে যান কেন বলেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আজ বিশ্ব হার্ট দিবস

আপডেট সময় ১০:৫১:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আজ সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব হার্ট দিবস। হৃদরোগ প্রতিরোধ ও সুস্থ হৃদয়ের গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রতিবছর এদিন বিশ্বজুড়ে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয় দিবসটি।

বিশ্ব হার্ট দিবসের এবারের প্রতিবাদ্য ডোন্ট মিস এ বিট। যার অর্থ লক্ষণ উপেক্ষা না করা, সময়মতো চিকিৎসা নেয়া এবং প্রতিরোধমূলক জীবনযাত্রা মেনে চলা।

বর্তমানে মানুষের মৃত্যুর যত কারণ আছে, তার মধ্যে অন্যতম হৃদরোগ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে, বিশ্বে প্রতি বছর ১৭ মিলিয়নের বেশি মানুষ হৃদরোগে মারা যান। অর্থাৎ বিশ্বে যত মৃত্যু হয় তার ৩৩ শতাংশ মৃত্যুর কারণ হৃদরোগ।
 
দেশেও এ সংখ্যা বাড়ছে দিন দিন। প্রতি বছর দেশে ৩ লাখ মানুষ মারা যান এই রোগে। যা দেশের মোট মৃত্যুর ২১ শতাংশের বেশি। এক সময় হৃদরোগ শুধু বয়স্কদের ধারণা করা হলেও, সমস্যার বাইরে নেই শিশুরাও।
 
প্রতিবছর দেশে ৭৩ হাজার শিশু হৃদযন্ত্রের ত্রুটি নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। যা মোট শিশু জন্মের আড়াই শতাংশ। আরও আশঙ্কার বিষয়, অধিকাংশ অভিভাবকই জানেন না তাদের শিশুরা সমস্যায় আক্রান্ত।
 
তাই এ সমস্যা মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারিসহ সব পর্যায়ের ঐক্যবদ্ধ সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর জীবনধারা ও হৃদরোগ প্রতিরোধ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিও হৃদরোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
 
হৃদরোগ প্রতিরোধের জন্য সচেতনতা বাড়াতে ১৯৯৯ সালে বিশ্ব হার্ট ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট অ্যান্টোনি বায়েস দে লুনা প্রথমবার এই দিবস পালনের অনুভব করেন। তার প্রস্তাবে ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় ২০০০ সালে প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব হার্ট ডে পালিত হয়।
 
প্রথমদিকে এটি সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রোববার পালিত হলেও ২০১১ সাল থেকে নির্দিষ্টভাবে ২৯ সেপ্টেম্বর দিনটিতে বিশ্ব হার্ট ডে পালন করা হয়। বর্তমানে প্রায় ৯০টিরও বেশি দেশ এই দিনে হৃদরোগ প্রতিরোধে বিভিন্ন প্রচারাভিযান ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজন করে।