ময়মনসিংহ , বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
​সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, মাছ ধরার নৌকায় সতর্কতা জুলাই নিয়ে কটূক্তিকারীদের বিচার করতে হবে বললেন আখতার হোসেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে বড় রদবদল: স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান, উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি ওয়াহিদুজ্জামান ​জাতীয় নির্বাচনের পাঠ নিয়ে স্থানীয় নির্বাচনে নামছে নির্বাচন কমিশন পঞ্চদশ সংশোধনী মামলার রায় বৃহস্পতিবার জনদুর্ভোগ লাঘবে নারী এমপির অনুদান; সড়ক সংস্কারে যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল ​আর্জেন্টিনার প্রতি শুভকামনা মোস্তফা জিকোর, প্রত্যাশা আরও এক বিশ্বকাপের রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ: ‘টাকার বিনিময়ে ম্যাচ হেরেছি’, অভিযোগ মিশর কোচের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ-পাকিস্তান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত ​কারবালার পথে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মসূচির প্রতিবাদে বিক্ষোভ ঢাকা কলেজে।

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) রাত ১০টায় কলেজটির বকুল চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। এরপর মিছিলটি হলপাড়া ঘুরে কলেজের মুক্তমঞ্চে সমাপ্ত হয়।

এ সময় তারা ‘২৪-এর হাতিয়ার ,গর্জে উঠুক আরেকবার, ‘আবু সাঈদ মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ’, ‘হৈহৈ রৈরৈ, ছাত্রলীগ গেলি কই? ছাত্রলীগের কালো হাত, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’, ‘২৪-এর রক্ত, বৃথা যেতে দিবো না’, ‘আওয়ামী লীগের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘ছাত্রলীগের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

বিক্ষোভ শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জিহাদ হোসাইন বলেন, বাংলাদেশে জুলাই বিপ্লব সূচনাকারী অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা কলেজ। যে রক্ত সাগরের মধ্য দিয়ে আমরা বিজয় অর্জন করেছি। সেই ছাত্রলীগ যখন কর্মসূচির ঘোষণা দেয় তখন আমরা বলব, তাদেরকে দেখে নেব। আমাদের ভাইদের যারা হত্যা করেছে, তারা যখন বলে জুলাই হত্যাকারীদের হটাও, আমরা বলতে চাই এটা হাস্যকর। আমরা এই খুনি সংগঠনকে বাংলাদেশে দেখতে চাই না। তাদেরকে যদি বাংলাদেশে দেখা যায়, তাহলে প্রতিটি জনগণ এটার প্রতিহত করবে। অন্তর্বর্তী সরকারকে বলতে চাই, খুনিদেরকে অতিদ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। আমাদের ভাইয়েরা যে স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছেন সেই স্বাধীনতা আমরা এখনো উপভোগ করতে পারিনি। কারণ নিষিদ্ধ সংগঠনের আনাগোনা এখনো রয়েছে। কয়েকদিন আগে ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মীরা ঢাকা কলেজের গেট থেকে শেখ হাসিনার বিকৃত ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেছে। সেই ছাত্রলীগকে আমরা বাংলাদেশ থেকে সমূলে উৎপাটিত করে ছাড়ব।

উল্লেখ্য, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে। এর মধ্যে ১ থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত লিফলেট ও প্রচারপত্র বিলি, ৬ তারিখে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ, ১০ তারিখে বিক্ষোভ সমাবেশ, ১৬ তারিখে সড়ক-রেল-জল ও বিমানবন্দর অবরোধ কর্মসূচি, ১৮ তারিখে দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালন করবেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

​সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, মাছ ধরার নৌকায় সতর্কতা

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মসূচির প্রতিবাদে বিক্ষোভ ঢাকা কলেজে।

আপডেট সময় ১১:২২:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) রাত ১০টায় কলেজটির বকুল চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। এরপর মিছিলটি হলপাড়া ঘুরে কলেজের মুক্তমঞ্চে সমাপ্ত হয়।

এ সময় তারা ‘২৪-এর হাতিয়ার ,গর্জে উঠুক আরেকবার, ‘আবু সাঈদ মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ’, ‘হৈহৈ রৈরৈ, ছাত্রলীগ গেলি কই? ছাত্রলীগের কালো হাত, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’, ‘২৪-এর রক্ত, বৃথা যেতে দিবো না’, ‘আওয়ামী লীগের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘ছাত্রলীগের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

বিক্ষোভ শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জিহাদ হোসাইন বলেন, বাংলাদেশে জুলাই বিপ্লব সূচনাকারী অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা কলেজ। যে রক্ত সাগরের মধ্য দিয়ে আমরা বিজয় অর্জন করেছি। সেই ছাত্রলীগ যখন কর্মসূচির ঘোষণা দেয় তখন আমরা বলব, তাদেরকে দেখে নেব। আমাদের ভাইদের যারা হত্যা করেছে, তারা যখন বলে জুলাই হত্যাকারীদের হটাও, আমরা বলতে চাই এটা হাস্যকর। আমরা এই খুনি সংগঠনকে বাংলাদেশে দেখতে চাই না। তাদেরকে যদি বাংলাদেশে দেখা যায়, তাহলে প্রতিটি জনগণ এটার প্রতিহত করবে। অন্তর্বর্তী সরকারকে বলতে চাই, খুনিদেরকে অতিদ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। আমাদের ভাইয়েরা যে স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছেন সেই স্বাধীনতা আমরা এখনো উপভোগ করতে পারিনি। কারণ নিষিদ্ধ সংগঠনের আনাগোনা এখনো রয়েছে। কয়েকদিন আগে ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মীরা ঢাকা কলেজের গেট থেকে শেখ হাসিনার বিকৃত ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেছে। সেই ছাত্রলীগকে আমরা বাংলাদেশ থেকে সমূলে উৎপাটিত করে ছাড়ব।

উল্লেখ্য, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে। এর মধ্যে ১ থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত লিফলেট ও প্রচারপত্র বিলি, ৬ তারিখে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ, ১০ তারিখে বিক্ষোভ সমাবেশ, ১৬ তারিখে সড়ক-রেল-জল ও বিমানবন্দর অবরোধ কর্মসূচি, ১৮ তারিখে দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালন করবেন তারা।