ময়মনসিংহ , সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত, যেকোনো সময় ঘোষণা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নারীদের অনার্স পর্যন্ত শিক্ষা ফ্রি করে দেওয়া হবে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে যে বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট হচ্ছে, এর দায় সরকারের নয় বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব পূর্বধলায় নানা আয়োজনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ পালিত বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরে একদিনের জন্য আমদানি-রপ্তানি বন্ধ খুলনার রূপসায় চা-দোকানের সামনে যুবককে গলা কেটে হত্যা ঠাকুরগাঁও সীমান্তে ১৫ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার ভোলাহাটে ৩১০টি ভারতীয় চোরাই মোবাইলসহ নারী আটক ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে চিলমারী নদী-বন্দর প্রকল্পে নিম্নমানের পাথর ব্যবহারের অভিযোগ, এলাকায়
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২২:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৭৯ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পাকিস্তান সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছে দেশটি। 

গত মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী ঢাকায় এক সৌজন্য বৈঠকে পাকিস্তানের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগ বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অধ্যাপক আহসান ইকবাল এই আমন্ত্রণ জানান।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে বাণিজ্য, সামুদ্রিক সংযোগ এবং শিল্প সহযোগিতার মতো কৌশলগত বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে দুই দেশের বৃহৎ তরুণ সমাজকে অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার ওপর উভয় নেতা বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর মতো উদীয়মান খাতে যৌথ বিনিয়োগ ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়েছে। অধ্যাপক আহসান ইকবাল বৈঠকে ‘পাকিস্তান–বাংলাদেশ নলেজ করিডর’ নামক একটি উচ্চাভিলাষী উদ্যোগের প্রস্তাব পেশ করেন।

এই করিডরের মূল লক্ষ্য হবে দুই দেশের মধ্যে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের পাশাপাশি শিক্ষার্থী বিনিময় কার্যক্রম বৃদ্ধি করা। একই সঙ্গে দুই দেশের সাংস্কৃতিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে আল্লামা ইকবালের ১৫০তম জন্মবার্ষিকী যৌথভাবে উদযাপনের প্রস্তাবও তুলে ধরেন পাকিস্তানের এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

বৈঠকের শেষ পর্যায়ে দুই নেতা বাস্তবমুখী সহযোগিতা ত্বরান্বিত করার মাধ্যমে আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি এবং ভূ-অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদারের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। দক্ষিণ এশিয়ার সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান ভবিষ্যতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

তারেক রহমানের এই আমন্ত্রণ গ্রহণের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এক নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ শুরু হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন কূটনীতিবিদরা। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তার কাছে আসা প্রথম কোনো রাষ্ট্রীয় সফরের আমন্ত্রণ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত, যেকোনো সময় ঘোষণা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে

আপডেট সময় ১০:২২:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পাকিস্তান সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছে দেশটি। 

গত মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী ঢাকায় এক সৌজন্য বৈঠকে পাকিস্তানের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বিশেষ উদ্যোগ বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অধ্যাপক আহসান ইকবাল এই আমন্ত্রণ জানান।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে বাণিজ্য, সামুদ্রিক সংযোগ এবং শিল্প সহযোগিতার মতো কৌশলগত বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে দুই দেশের বৃহৎ তরুণ সমাজকে অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার ওপর উভয় নেতা বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর মতো উদীয়মান খাতে যৌথ বিনিয়োগ ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়েছে। অধ্যাপক আহসান ইকবাল বৈঠকে ‘পাকিস্তান–বাংলাদেশ নলেজ করিডর’ নামক একটি উচ্চাভিলাষী উদ্যোগের প্রস্তাব পেশ করেন।

এই করিডরের মূল লক্ষ্য হবে দুই দেশের মধ্যে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের পাশাপাশি শিক্ষার্থী বিনিময় কার্যক্রম বৃদ্ধি করা। একই সঙ্গে দুই দেশের সাংস্কৃতিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে আল্লামা ইকবালের ১৫০তম জন্মবার্ষিকী যৌথভাবে উদযাপনের প্রস্তাবও তুলে ধরেন পাকিস্তানের এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

বৈঠকের শেষ পর্যায়ে দুই নেতা বাস্তবমুখী সহযোগিতা ত্বরান্বিত করার মাধ্যমে আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি এবং ভূ-অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদারের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। দক্ষিণ এশিয়ার সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান ভবিষ্যতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

তারেক রহমানের এই আমন্ত্রণ গ্রহণের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এক নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ শুরু হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন কূটনীতিবিদরা। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তার কাছে আসা প্রথম কোনো রাষ্ট্রীয় সফরের আমন্ত্রণ।