ময়মনসিংহ , বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঢাকায় যাত্রাবিরতি ভুটানের রাজার, স্বাগত: রাষ্ট্রপতি অনিয়ম রোধে পূর্বধলায় অভিযান: ৩ প্রতিষ্ঠানকে ৩২ হাজার টাকা জরিমানা ডিমলায় ওজনে কম দেওয়া ও ভুয়া তথ্যের অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা খাগড়াছড়িতে পুলিশের বিশেষ কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত: জনবান্ধব পুলিশিং জোরদারের নির্দেশ চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজির কারাগারে মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত করার নির্দেশ: নেত্রকোণায় জেলা প্রশাসকের সরেজমিন পরিদর্শন ও বৃক্ষরোপণ রংপুর পুলিশ কমিশনারের বদলি দুই সপ্তাহ আগেই হয়েছে বললেন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জন্ম মানব সভ্যতার ইতিহাসে এক অনন্য ও মহিমান্বিত ঘটনা পাবনা জেলার ফরিদপুর বনওয়ারীনগর ইউনিয়নে কৃষক কার্ড এর তথ্য সংগ্রহ রাঙ্গামাটিতে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা: অপরাধ দমনে ডিআইজির কঠোর হুঁশিয়ারি গ্যাস সংকট কাটাতে আরও দুই বছর লাগতে পারে জানিয়েছেন ডা. জাহেদ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

পাবনা জেলার ফরিদপুর বনওয়ারীনগর ইউনিয়নে কৃষক কার্ড এর তথ্য সংগ্রহ

পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলাধীন বনওয়ারীনগর ইউনিয়নের খলিশাদহ গ্রামের মো: আলআমিন এর বাড়ীতে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা (SAAO) মো: আলআমিন ও মো: গোলাম মোস্তফাসহ কৃষক কার্ড এর তথ্য সংগ্রহ করছেন। কৃষক কার্ড হলো বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন দেশের প্রতিটি প্রকৃত কৃষকের ডিজিটাল পরিচয়পত্র ও একটি ইলেকট্রনিক ডেটাবেজ ব্যবস্থা। এবং এর মাধ্যমে কৃষকরা সরাসরি সরকারি বিভিন্ন আর্থিক অনুদান, ভর্তুকি এবং কৃষি সেবা পেয়ে থাকেন।

কৃষক কার্ডের বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো: কার্ডধারীদের জন্য প্রধান ১০টি সুবিধা:
উপকরণ প্রাপ্তি: ন্যায্যমূল্যে বীজ, সার ও কীটনাশক কেনা যায়।
আর্থিক সহায়তা: সরকারি অনুদান সরাসরি কৃষকের মোবাইল ওয়ালেটে বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়।
কৃষি ঋণ: অত্যন্ত সহজ শর্তে কৃষি ঋণ সুবিধা পাওয়া যায়।
সেচ সুবিধা: সরকারিভাবে সাশ্রয়ী মূল্যে সেচ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
সরাসরি বিক্রয়: মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য ছাড়াই সরাসরি সরকারের কাছে ন্যায্যমূল্যে ফসল বিক্রি করা যায়।
কৃষি যন্ত্রপাতি: স্বল্পমূল্যে ও ভর্তুকিতে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি কেনা সম্ভব।
বীমা সুবিধা: ফসলের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় কৃষি বীমা সুবিধা পাওয়া যায়।
তথ্য ও পূর্বাভাস: মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আবহাওয়া ও বাজারের দৈনিক আপডেট জানা যায়।
বিশেষজ্ঞ পরামর্শ: ফসলের রোগ-বালাই দমন এবং আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতির ওপর নিয়মিত প্রশিক্ষণ পাওয়া যায়।
১৪ ডিজিটের আইডি: প্রতিটি কার্ডে বিবিএস (BBS) জিও কোড অনুযায়ী একটি ইউনিক ১৪ ডিজিটের আইডি থাকে।

আবেদনের যোগ্যতা:
আবেদনকারীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ধারী হতে হবে।
ফসল উৎপাদনকারী ছাড়াও মৎস্যজীবী, গবাদিপশু বা হাঁস-মুরগির খামারি এবং লবণ চাষীরাও এই কার্ড পাবেন।
জমির মালিকানার ভিত্তিতে ভূমিহীন (৫ শতকের কম), প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, মাঝারি এবং বড়—সব শ্রেণির কৃষকই এর আওতাভুক্ত।
যারা অন্যের জমি বর্গা চাষ করেন, তারাও স্থানীয় জনপ্রতিনিধির প্রত্যয়নপত্র দিয়ে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদন করার পদ্ধতি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
সরকার মূলত স্থানীয় কৃষি অফিসের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে এই কার্ড সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণ করে। আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র:
আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)-এর কপি।
২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
নিজের নামে নিবন্ধিত একটি সচল মোবাইল নম্বর।
জমির মালিকানার দলিল/পর্চা অথবা বর্গা চাষের ক্ষেত্রে স্থানীয় ইউপি সদস্য বা চেয়ারম্যানের প্রত্যয়নপত্র। বনওয়ারীনগর ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা (SAAO)-এর কার্যালয় অথবা ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে যোগাযোগ করে এই কার্ডের তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করা যাবে। এছাড়া অফিসিয়াল কৃষক কার্ড পোর্টাল থেকে এই সেবা সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকায় যাত্রাবিরতি ভুটানের রাজার, স্বাগত: রাষ্ট্রপতি

পাবনা জেলার ফরিদপুর বনওয়ারীনগর ইউনিয়নে কৃষক কার্ড এর তথ্য সংগ্রহ

আপডেট সময় ০৯:২৬:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলাধীন বনওয়ারীনগর ইউনিয়নের খলিশাদহ গ্রামের মো: আলআমিন এর বাড়ীতে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা (SAAO) মো: আলআমিন ও মো: গোলাম মোস্তফাসহ কৃষক কার্ড এর তথ্য সংগ্রহ করছেন। কৃষক কার্ড হলো বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন দেশের প্রতিটি প্রকৃত কৃষকের ডিজিটাল পরিচয়পত্র ও একটি ইলেকট্রনিক ডেটাবেজ ব্যবস্থা। এবং এর মাধ্যমে কৃষকরা সরাসরি সরকারি বিভিন্ন আর্থিক অনুদান, ভর্তুকি এবং কৃষি সেবা পেয়ে থাকেন।

কৃষক কার্ডের বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো: কার্ডধারীদের জন্য প্রধান ১০টি সুবিধা:
উপকরণ প্রাপ্তি: ন্যায্যমূল্যে বীজ, সার ও কীটনাশক কেনা যায়।
আর্থিক সহায়তা: সরকারি অনুদান সরাসরি কৃষকের মোবাইল ওয়ালেটে বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়।
কৃষি ঋণ: অত্যন্ত সহজ শর্তে কৃষি ঋণ সুবিধা পাওয়া যায়।
সেচ সুবিধা: সরকারিভাবে সাশ্রয়ী মূল্যে সেচ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
সরাসরি বিক্রয়: মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য ছাড়াই সরাসরি সরকারের কাছে ন্যায্যমূল্যে ফসল বিক্রি করা যায়।
কৃষি যন্ত্রপাতি: স্বল্পমূল্যে ও ভর্তুকিতে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি কেনা সম্ভব।
বীমা সুবিধা: ফসলের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় কৃষি বীমা সুবিধা পাওয়া যায়।
তথ্য ও পূর্বাভাস: মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আবহাওয়া ও বাজারের দৈনিক আপডেট জানা যায়।
বিশেষজ্ঞ পরামর্শ: ফসলের রোগ-বালাই দমন এবং আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতির ওপর নিয়মিত প্রশিক্ষণ পাওয়া যায়।
১৪ ডিজিটের আইডি: প্রতিটি কার্ডে বিবিএস (BBS) জিও কোড অনুযায়ী একটি ইউনিক ১৪ ডিজিটের আইডি থাকে।

আবেদনের যোগ্যতা:
আবেদনকারীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ধারী হতে হবে।
ফসল উৎপাদনকারী ছাড়াও মৎস্যজীবী, গবাদিপশু বা হাঁস-মুরগির খামারি এবং লবণ চাষীরাও এই কার্ড পাবেন।
জমির মালিকানার ভিত্তিতে ভূমিহীন (৫ শতকের কম), প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, মাঝারি এবং বড়—সব শ্রেণির কৃষকই এর আওতাভুক্ত।
যারা অন্যের জমি বর্গা চাষ করেন, তারাও স্থানীয় জনপ্রতিনিধির প্রত্যয়নপত্র দিয়ে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদন করার পদ্ধতি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
সরকার মূলত স্থানীয় কৃষি অফিসের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে এই কার্ড সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণ করে। আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র:
আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)-এর কপি।
২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
নিজের নামে নিবন্ধিত একটি সচল মোবাইল নম্বর।
জমির মালিকানার দলিল/পর্চা অথবা বর্গা চাষের ক্ষেত্রে স্থানীয় ইউপি সদস্য বা চেয়ারম্যানের প্রত্যয়নপত্র। বনওয়ারীনগর ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা (SAAO)-এর কার্যালয় অথবা ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে যোগাযোগ করে এই কার্ডের তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করা যাবে। এছাড়া অফিসিয়াল কৃষক কার্ড পোর্টাল থেকে এই সেবা সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য জানা যাবে।