ইকুয়েডরের সোনালী প্রজন্মকে মেক্সিকোর বিপক্ষে হেরে বিশ্বকাপের শেষ ৩২ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে । তবে এই বিদায়ের পর মাঠের বাইরে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। ম্যাচের কয়েক দিন পর ইকুয়েডর ফুটবল ফেডারেশন (ইএফএফ) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে তারা ফিফার কাছে একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে, যেখানে ম্যাচের আগে ও ম্যাচ চলাকালে ঘটে যাওয়া একাধিক ঘটনার তদন্তের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ফেডারেশন জানিয়েছে, এই আবেদনটির উদ্দেশ্য হলো ম্যাচ চলাকালীন এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল কি না, যা তাদের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করতে পারে তা খতিয়ে দেখা। অভিযোগে নির্দিষ্ট ঘটনার বিস্তারিত প্রকাশ না করলেও সংস্থাটি জোর দিয়ে বলেছে যে তারা সঠিক প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছে এবং ফিফার কাছ থেকে সব ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ও বিস্তারিত পর্যালোচনা আশা করছে।
বিবৃতিতে ইকুয়েডর ফুটবল ফেডারেশন উল্লেখ করে, ‘ম্যাচের আগে ও চলাকালে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর বিস্তারিত তদন্তের জন্য আমরা ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছি, যার মধ্যে এমন সব বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা আমাদের সমর্থক ও খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে।’
তারা আরও যোগ করে, ‘এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের সঙ্গে সম্পর্কিত যেকোনো পরিস্থিতি পরিষ্কার করার জন্য এটিই সঠিক ও আনুষ্ঠানিক পথ।’ফেডারেশন একই বিবৃতিতে জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও তুলে ধরেছে। তারা জানিয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বিভিন্ন ক্লাব ও আঞ্চলিক ফুটবল সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করে বিশ্বকাপ অভিযানের আর্থিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে একটি স্বচ্ছ প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মতামতও নেওয়া হবে।
এছাড়া জাতীয় দলের নতুন প্রধান কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে, যাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং এটি তাদের একটি মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি ক্রীড়া প্রকল্পের অংশ।
ফিফা যখন ইকুয়েডরের অভিযোগ পর্যালোচনা করছে, তখন ফেডারেশন একই সঙ্গে বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের শেষ বার্তায় পুনর্গঠনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে উদীয়মান প্রতিভার বিকাশ ও অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক দল গঠন করা সম্ভব হবে। তবে সম্পূর্ণভাবে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আগে, বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হওয়া সেই ম্যাচে আসলে কী ঘটেছিল, তার একটি স্পষ্ট উত্তর পাওয়ার প্রত্যাশা করছে ইকুয়েডর।

মাটি ও মানুষ ডেস্ক 





















