ময়মনসিংহ , শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নেত্রকোনায় ৩৫টি গাছ উপড়ে ফেলল দুর্বৃত্তরা: জড়িতদের গ্রেপ্তারে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ডেপুটি স্পিকারের বাংলাদেশের অর্থনীতি ২০৩০ সালে ৬৭৭ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা থানায় পুলিশের ধাওয়ায় পুকুরে মাইক্রোবাস, উদ্ধার ২৫২ কেজি গাঁজা শার্শায় পুলিশের অভিযানে ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার শার্শায় বিজিবির অভিযান: বিদেশী পিস্তল ও ম্যাগাজিন উদ্ধার নেত্রকোণায় জেলা প্রশাসকের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্ট, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা শাখার নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ঘোড়ার মাংস জবাইয়ের অভিযোগ, পুলিশি অভিযানে মাংস জব্দ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও উন্নয়ন কার্যক্রমের দায়িত্ব পেলেন ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয় বলেছেন জামায়াত আমির
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

বাংলাদেশের অর্থনীতি ২০৩০ সালে ৬৭৭ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা

আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার ৬৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। এই পূর্বাভাস বাস্তবায়িত হলে ২০৩০ সালের মধ্যে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের মতো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি শক্তিশালী অর্থনীতিকে ছাড়িয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ।

কানাডাভিত্তিক ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্টে প্রকাশিত ‘দ্য ১৫০ ট্রিলিয়ন ডলার গ্লোবাল ইকোনমি ইন ২০৩০’ শীর্ষক প্রতিবেদনে আইএমএফের এই পূর্বাভাস তুলে ধরা হয়েছে।প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০৩০ সালে বাংলাদেশের জিডিপি পৌঁছাতে পারে প্রায় ৬৭৭ বিলিয়ন ডলারে। একই সময়ে মালয়েশিয়ার অর্থনীতির আকার ৬৭২.৫ বিলিয়ন, ভিয়েতনামের ৬৬৭.৫ বিলিয়ন এবং থাইল্যান্ডের ৬৪৭.৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ, জিডিপির মোট আকারের বিচারে বাংলাদেশ এসব দেশকে ছাড়িয়ে যেতে পারে। এছাড়া ইউরোপের দেশ ডেনমার্কের অর্থনীতির আকার ২০৩০ সালে দাঁড়াবে প্রায় ৫৮৯.২ বিলিয়ন ডলারে, যা বাংলাদেশের তুলনায় কম।

​শীর্ষেই থাকছে যুক্তরাষ্ট্র
আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালেও বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি হিসেবে শীর্ষ অবস্থান ধরে রাখবে যুক্তরাষ্ট্র। ওই সময় দেশটির জিডিপি পৌঁছাতে পারে প্রায় ৩৭.৭ ট্রিলিয়ন ডলারে। যুক্তরাষ্ট্রের পর শীর্ষ ১০ অর্থনীতির তালিকায় যথাক্রমে চীন, ভারত, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, জাপান, ফ্রান্স, ব্রাজিল, ইতালি ও কানাডার মতো দেশগুলোর শক্তিশালী অবস্থান বজায় থাকবে।

​বৈশ্বিক অর্থনীতির কেন্দ্রীভূত কাঠামো
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিশ্বের মাত্র পাঁচটি দেশ মিলে বৈশ্বিক জিডিপির প্রায় ৫৩.৩ শতাংশ উৎপাদন করে, যার মধ্যে এককভাবে যুক্তরাষ্ট্রের অংশই এক-চতুর্থাংশের বেশি। তবে এই কেন্দ্রীভূত কাঠামোর মধ্যেও এশিয়ার উদীয়মান দেশগুলোর দ্রুত প্রবৃদ্ধি আগামীতে বিশ্ব অর্থনীতির মানচিত্রে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে পারে।

১৫০ ট্রিলিয়ন ডলারের বিশ্ব অর্থনীতি
আইএমএফের ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’-এর তথ্যমতে, ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রায় ২৫ ট্রিলিয়ন ডলার যোগ হতে পারে। ফলে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতির মোট আকার ১৫০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে, যেখানে বড় ভূমিকা রাখবে উন্নয়নশীল দেশগুলো।

​বিশেষজ্ঞদের মতে, ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি সম্প্রসারণ, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ এবং শিল্প ও সেবা খাতের বিকাশ ঘটাতে পারলে বাংলাদেশ এই লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে। তবে বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতি, মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক বাণিজ্য ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা সামাল দেওয়া এবং দক্ষ অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাই হবে এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার মূল চাবিকাঠি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোনায় ৩৫টি গাছ উপড়ে ফেলল দুর্বৃত্তরা: জড়িতদের গ্রেপ্তারে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ডেপুটি স্পিকারের

বাংলাদেশের অর্থনীতি ২০৩০ সালে ৬৭৭ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা

আপডেট সময় ১১:১৬:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার ৬৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। এই পূর্বাভাস বাস্তবায়িত হলে ২০৩০ সালের মধ্যে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের মতো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি শক্তিশালী অর্থনীতিকে ছাড়িয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ।

কানাডাভিত্তিক ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্টে প্রকাশিত ‘দ্য ১৫০ ট্রিলিয়ন ডলার গ্লোবাল ইকোনমি ইন ২০৩০’ শীর্ষক প্রতিবেদনে আইএমএফের এই পূর্বাভাস তুলে ধরা হয়েছে।প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০৩০ সালে বাংলাদেশের জিডিপি পৌঁছাতে পারে প্রায় ৬৭৭ বিলিয়ন ডলারে। একই সময়ে মালয়েশিয়ার অর্থনীতির আকার ৬৭২.৫ বিলিয়ন, ভিয়েতনামের ৬৬৭.৫ বিলিয়ন এবং থাইল্যান্ডের ৬৪৭.৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ, জিডিপির মোট আকারের বিচারে বাংলাদেশ এসব দেশকে ছাড়িয়ে যেতে পারে। এছাড়া ইউরোপের দেশ ডেনমার্কের অর্থনীতির আকার ২০৩০ সালে দাঁড়াবে প্রায় ৫৮৯.২ বিলিয়ন ডলারে, যা বাংলাদেশের তুলনায় কম।

​শীর্ষেই থাকছে যুক্তরাষ্ট্র
আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালেও বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতি হিসেবে শীর্ষ অবস্থান ধরে রাখবে যুক্তরাষ্ট্র। ওই সময় দেশটির জিডিপি পৌঁছাতে পারে প্রায় ৩৭.৭ ট্রিলিয়ন ডলারে। যুক্তরাষ্ট্রের পর শীর্ষ ১০ অর্থনীতির তালিকায় যথাক্রমে চীন, ভারত, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, জাপান, ফ্রান্স, ব্রাজিল, ইতালি ও কানাডার মতো দেশগুলোর শক্তিশালী অবস্থান বজায় থাকবে।

​বৈশ্বিক অর্থনীতির কেন্দ্রীভূত কাঠামো
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিশ্বের মাত্র পাঁচটি দেশ মিলে বৈশ্বিক জিডিপির প্রায় ৫৩.৩ শতাংশ উৎপাদন করে, যার মধ্যে এককভাবে যুক্তরাষ্ট্রের অংশই এক-চতুর্থাংশের বেশি। তবে এই কেন্দ্রীভূত কাঠামোর মধ্যেও এশিয়ার উদীয়মান দেশগুলোর দ্রুত প্রবৃদ্ধি আগামীতে বিশ্ব অর্থনীতির মানচিত্রে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে পারে।

১৫০ ট্রিলিয়ন ডলারের বিশ্ব অর্থনীতি
আইএমএফের ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’-এর তথ্যমতে, ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রায় ২৫ ট্রিলিয়ন ডলার যোগ হতে পারে। ফলে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতির মোট আকার ১৫০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে, যেখানে বড় ভূমিকা রাখবে উন্নয়নশীল দেশগুলো।

​বিশেষজ্ঞদের মতে, ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি সম্প্রসারণ, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ এবং শিল্প ও সেবা খাতের বিকাশ ঘটাতে পারলে বাংলাদেশ এই লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে। তবে বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতি, মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক বাণিজ্য ও মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা সামাল দেওয়া এবং দক্ষ অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাই হবে এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার মূল চাবিকাঠি।