ভোলার চরফ্যাশনে সম্পত্তি দখলকে কেন্দ্র করে এক বিধবা নারীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের এক স্থানীয় নেতার বিরুদ্ধে। হামলায় ওই নারীর বাম হাত ও বুকের একটি হাড় ভেঙে গেছে বলে পরিবারের দাবি। বর্তমানে তিনি চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
ঘটনার তিন দিন পর শনিবার (১৯ জুলাই) রাতে ভুক্তভোগী রহিমা বেগমের ছেলে আল আমিন পাঁচজনের বিরুদ্ধে চরফ্যাশন থানায় মামলা করেন। মামলার পর প্রধান অভিযুক্ত কালাম মাঝিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে সন্তানদের নিয়ে স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে বসবাস করছেন রহিমা বেগম। পরিবারের অভিযোগ, ওই সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিন ধরে তাকে চাপ দিয়ে আসছিলেন কালাম মাঝি।
চিকিৎসাধীন রহিমা বেগমের ছেলে আল আমিন বলেন, “আমার বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তি দখলের জন্য দীর্ঘদিন ধরে কালাম মাঝি আমাদের হয়রানি করে আসছেন। বুধবার নারিকেল পাড়ার সময় তারা আমার মাকে মারধর করেন। আমার মা এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাকে নিয়ে ব্যস্ত থাকায় মামলা করতে কিছুটা দেরি হয়েছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।”
চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, “ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত। ভুক্তভোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মামলার পর প্রধান অভিযুক্ত কালাম মাঝিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ডিজিটাল রিপোর্ট 






















