ময়মনসিংহ , সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
​দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের আশাবাদ তারেক রহমানের পদত্যাগ করলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বদিউজ্জামান তপাদার সমুদ্রসীমা সঠিকভাবে বুঝে পেলেও বিগত সময়ে খনিজসম্পদ আহরণ হয়নি জানিয়েছেন নৌমন্ত্রী বিএনপি অফিসে হামলা ও ভাঙচুর: নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাহাঙ্গীর স্যারকে বিদায় জানাল জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ​নেত্রকোণার পূর্বধলায় একটি টেলিকম দোকানে সংঘটিত চুরির ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে মালয়েশিয়ার সঙ্গে আইটি ও শ্রমবাজারে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে একমত বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া চলতি জুন মাসের প্রথম ২০ দিনে ১৯৫ কোটি ডলার পাঠালেন প্রবাসীরা শান্তি চুক্তি সত্ত্বেও লেবাননে হামলা: ‘আসল পরীক্ষা’ নিয়ে সতর্ক ইরান
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ভোটগ্রহণে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক নিয়োগ বললেন সিইসি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৫৯:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫
  • ১২১ বার পড়া হয়েছে

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণের বড় চ্যালেঞ্জ নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক নিয়োগ। সবাইকে নিয়ে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে দেশে আইনের শাসন আছে।

আজ শনিবার (১১ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রাম নগরীর আঞ্চলিক লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন তিনি। ‘ভোটগ্রহণের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক ওই কর্মশালায় অংশ নেন ৭০ জন নির্বাচন কর্মকর্তা।

সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, প্রিসাইডিং অফিসারদের পূর্ণ ক্ষমতা দেয়া হবে। তারা যদি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হন, তবে তারাও অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন।’
 
তিনি বলেন, ‘আইনগত, প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও আমাদের প্রমাণ করতে হবে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত আছে। সবার সহযোগিতায় একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে হবে।’
 
কর্মশালায় বক্তারা নির্বাচনে গুজব, অনলাইনভিত্তিক আর্থিক অনিয়ম, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এসবকে বড় বাধা হিসেবে উল্লেখ করেন।
  
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘অতীতের ব্যর্থতা ভুলে নির্ভয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে। বাধা আসবে, কিন্তু সব বাধা অতিক্রম করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। ফেব্রুয়ারিতেই রমজানের আগেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রবাসী ভোটারদেরও অংশগ্রহণে উৎসাহিত করতে হবে।’
 
এসময় নির্বাচন কমিশন সচিব কে এম আলী নেওয়াজ বলেন, ‘ভোটগ্রহণে নিরাপত্তা ও দক্ষতার বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। গণমাধ্যমকর্মীদেরও এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।’
 
চট্টগ্রামের নির্বাচনী চিত্র তুলে ধরে তিনি জানান, জেলার ১৬টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার ৬৬ লাখ ৪৮ হাজার ৮৫ জন। ভোটকেন্দ্র ১ হাজার ৯৫৯টি, বুথ ১২ হাজার ৫৪০টি, আর ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা থাকবেন প্রায় ৪৪ হাজার।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

​দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের আশাবাদ তারেক রহমানের

ভোটগ্রহণে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক নিয়োগ বললেন সিইসি

আপডেট সময় ০১:৫৯:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণের বড় চ্যালেঞ্জ নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক নিয়োগ। সবাইকে নিয়ে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে দেশে আইনের শাসন আছে।

আজ শনিবার (১১ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রাম নগরীর আঞ্চলিক লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন তিনি। ‘ভোটগ্রহণের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক ওই কর্মশালায় অংশ নেন ৭০ জন নির্বাচন কর্মকর্তা।

সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, প্রিসাইডিং অফিসারদের পূর্ণ ক্ষমতা দেয়া হবে। তারা যদি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হন, তবে তারাও অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন।’
 
তিনি বলেন, ‘আইনগত, প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও আমাদের প্রমাণ করতে হবে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত আছে। সবার সহযোগিতায় একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে হবে।’
 
কর্মশালায় বক্তারা নির্বাচনে গুজব, অনলাইনভিত্তিক আর্থিক অনিয়ম, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এসবকে বড় বাধা হিসেবে উল্লেখ করেন।
  
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘অতীতের ব্যর্থতা ভুলে নির্ভয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে। বাধা আসবে, কিন্তু সব বাধা অতিক্রম করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। ফেব্রুয়ারিতেই রমজানের আগেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রবাসী ভোটারদেরও অংশগ্রহণে উৎসাহিত করতে হবে।’
 
এসময় নির্বাচন কমিশন সচিব কে এম আলী নেওয়াজ বলেন, ‘ভোটগ্রহণে নিরাপত্তা ও দক্ষতার বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। গণমাধ্যমকর্মীদেরও এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।’
 
চট্টগ্রামের নির্বাচনী চিত্র তুলে ধরে তিনি জানান, জেলার ১৬টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার ৬৬ লাখ ৪৮ হাজার ৮৫ জন। ভোটকেন্দ্র ১ হাজার ৯৫৯টি, বুথ ১২ হাজার ৫৪০টি, আর ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা থাকবেন প্রায় ৪৪ হাজার।