ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
​আলিমে রেজিস্ট্রেশন বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর: সময় বাড়ালো মাদ্রাসা বোর্ড স্বাস্থ্যখাতে জনবল সংকট মোকাবিলায় তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা সরকারি চাকরিতে নতুন পে-স্কেল: বেতন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সম্ভাবনা স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পূরণে সরকার কাজ করছে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী কৃষক ১০ হাজার টাকার কৃষি ঋণের জন্য কোমরে দড়ি পড়ে, আর হাজার কোটি টাকার ক্ষমতাশালী গ্রহীতাদের বেলায় আইন তার নিজের গতি হারিয়ে ফেলে? এনসিপির সমাবেশে হামলা: দোষীদের শাস্তির দাবি গোলাম পরওয়ারের কলেজগুলোর জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন নিয়ম ৬ দিনের বিরতি শেষে আজ ফের বসছে জাতীয় সংসদ অধিবেশন ​ঢাকাসহ ১৭ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস: দুপুরের মধ্যেই বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

‘মার খেয়ে ফিরবেন না, পালটা মারুন ‘: মিঠুন চক্রবর্তী

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১৮:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫
  • ২২৭ বার পড়া হয়েছে

বিজেপি নেতা হিসেবে রাজনীতির মাঠে বেশ উঠেপরেই নেমেছেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। এরমধ্যে ভোটের মঞ্চে মাঝেমধ্যেই তার বিভিন্ন মন্তব্য আলোচনার জন্ম দিচ্ছে। 

আনন্দবাজারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি পশ্চিম বাংলার আরামবাগে একটি রাজনৈতিক সভায় গিয়ে ফের গরম মন্তব্য করেছেন এ অভিনেতা। তিনি বলেছেন, ‘মার খেয়ে বাড়ি ফিরবেন না। পালটা মার দিন। পারলে মারবেন।’

শুক্রবার রাজ্যের তৃণমূল সরকারের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।

মঞ্চে দাঁড়িয়ে একের পর এক তোপ দেগে মিঠুন বলেন, এই সরকার দুর্নীতিগ্রস্ত, রাজ্যে নারীদের কোনো সুরক্ষা নেই। ভোটার তালিকায় ভুয়া নাম ঢুকিয়ে গণতন্ত্রকে লুট করছে তৃণমূল।

এই বক্তব্যের মাধ্যমে বিজেপি কার্যত রাজ্যে এনআরসি এবং ভোটার যাচাই ঘিরে নতুন বার্তা দিতে চাইল বলেই রাজনৈতিক মহলের মত।

তবে পালটা ঘুঁটি সাজিয়ে তৃণমূল সংসদ সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘মিঠুন চক্রবর্তীকে আমি অভিনেতা হিসেবে শ্রদ্ধা করি, কিন্তু রাজনীতিতে তিনি একজন জোকার। বাংলার মাটির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। তৃণমূলের টিকিটে একবার রাজ্যসভার সদস্য হয়েছিলেন, পরে ইডি-সিবিআইয়ের ভয়ে পদ ছেড়ে পালিয়েছেন।’

ভোটের মুখে আবারও রাজনৈতিক হিংসা, নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও ভুয়া ভোটার ইস্যুকে সামনে এনে বিজেপি তাদের পুরোনো আক্রমণাত্মক ছন্দে। আর সেই সুরেই হুংকার দিলেন মিঠুন চক্রবর্তী।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারকা প্রভাব কাজে লাগিয়ে রাজ্যজুড়ে জনসংযোগ বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে বিজেপি। মিঠুনের মুখে এবার যে সরাসরি সংঘর্ষের ভাষা উঠে এল, তা রাজ্যের শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী আবহে কাঁপন ধরাতে যথেষ্ট।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

​আলিমে রেজিস্ট্রেশন বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর: সময় বাড়ালো মাদ্রাসা বোর্ড

‘মার খেয়ে ফিরবেন না, পালটা মারুন ‘: মিঠুন চক্রবর্তী

আপডেট সময় ১০:১৮:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫

বিজেপি নেতা হিসেবে রাজনীতির মাঠে বেশ উঠেপরেই নেমেছেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। এরমধ্যে ভোটের মঞ্চে মাঝেমধ্যেই তার বিভিন্ন মন্তব্য আলোচনার জন্ম দিচ্ছে। 

আনন্দবাজারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি পশ্চিম বাংলার আরামবাগে একটি রাজনৈতিক সভায় গিয়ে ফের গরম মন্তব্য করেছেন এ অভিনেতা। তিনি বলেছেন, ‘মার খেয়ে বাড়ি ফিরবেন না। পালটা মার দিন। পারলে মারবেন।’

শুক্রবার রাজ্যের তৃণমূল সরকারের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।

মঞ্চে দাঁড়িয়ে একের পর এক তোপ দেগে মিঠুন বলেন, এই সরকার দুর্নীতিগ্রস্ত, রাজ্যে নারীদের কোনো সুরক্ষা নেই। ভোটার তালিকায় ভুয়া নাম ঢুকিয়ে গণতন্ত্রকে লুট করছে তৃণমূল।

এই বক্তব্যের মাধ্যমে বিজেপি কার্যত রাজ্যে এনআরসি এবং ভোটার যাচাই ঘিরে নতুন বার্তা দিতে চাইল বলেই রাজনৈতিক মহলের মত।

তবে পালটা ঘুঁটি সাজিয়ে তৃণমূল সংসদ সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘মিঠুন চক্রবর্তীকে আমি অভিনেতা হিসেবে শ্রদ্ধা করি, কিন্তু রাজনীতিতে তিনি একজন জোকার। বাংলার মাটির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। তৃণমূলের টিকিটে একবার রাজ্যসভার সদস্য হয়েছিলেন, পরে ইডি-সিবিআইয়ের ভয়ে পদ ছেড়ে পালিয়েছেন।’

ভোটের মুখে আবারও রাজনৈতিক হিংসা, নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও ভুয়া ভোটার ইস্যুকে সামনে এনে বিজেপি তাদের পুরোনো আক্রমণাত্মক ছন্দে। আর সেই সুরেই হুংকার দিলেন মিঠুন চক্রবর্তী।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারকা প্রভাব কাজে লাগিয়ে রাজ্যজুড়ে জনসংযোগ বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে বিজেপি। মিঠুনের মুখে এবার যে সরাসরি সংঘর্ষের ভাষা উঠে এল, তা রাজ্যের শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী আবহে কাঁপন ধরাতে যথেষ্ট।