ময়মনসিংহ , সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত জারি আবারও বাড়লো তেলের দাম যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের পালটাপালটি হামলায় দুদকের নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেলেন নাজমুল আলম পটুয়াখালী লাখ টাকায় সন্তান বিক্রি করে বাবার আইফোন কেনা, সেই শিশুপুত্র উদ্ধার বিলিয়ন ডলারের বোয়িং কিনছে বাংলাদেশ, ‘অসাধারণ চুক্তি’ : সার্জিও গোর “মেট্রোরেল প্রকল্পে বিশাল ব্যয় বৃদ্ধি”: দুই নতুন প্রকল্পে যুক্ত হচ্ছে আরও ২ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা জীবনসংগ্রামের স্বীকৃতি মিললেও থাকার ঘর নেই সুমীর বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে শেরপুরে চালু হলো আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক কসাইখানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেঞ্চ গোয়ালঘরে রাখার অভিযোগ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে ত্রুটি মাত্র ১.২ শতাংশ জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

“মেট্রোরেল প্রকল্পে বিশাল ব্যয় বৃদ্ধি”: দুই নতুন প্রকল্পে যুক্ত হচ্ছে আরও ২ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা

ঢাকায় এমআরটি লাইন-১ ও এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর) প্রকল্পের ব্যয় দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকল্প দুটির প্রাথমিক ব্যয় ৯৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ধরা হলেও সংশোধিত প্রস্তাবে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৯৮৯ কোটি টাকা। প্রস্তাব দুটি বর্তমানে পরিকল্পনা কমিশনের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

এমআরটি লাইন-১ কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পাতালপথে এবং নর্দ্দা থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত উড়ালপথে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ২০১৯ সালে প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা। সংশোধিত প্রস্তাবে তা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা। ৩১ কিলোমিটারের বেশি দীর্ঘ এ প্রকল্পে ২১টি স্টেশন নির্মাণ করা হবে। প্রতি কিলোমিটারে ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ৩ হাজার ৮৬৬ কোটি টাকা।

অন্যদিকে, এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর) সাভার থেকে গাবতলী, মিরপুর ও গুলশান হয়ে ভাটারা পর্যন্ত নির্মিত হবে। প্রকল্পটিতে পাতাল ও উড়ালপথের সমন্বয় থাকবে। ২০১৯ সালে এর ব্যয় ধরা হয়েছিল ৪১ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা। সংশোধিত প্রস্তাবে ব্যয় বাড়িয়ে প্রায় ৯৩ হাজার ১৯১ কোটি টাকা করা হয়েছে। ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রকল্পে ১৪টি স্টেশন থাকবে। প্রতি কিলোমিটারে ব্যয় পড়বে প্রায় ৪ হাজার ৬৬০ কোটি টাকা।

ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) সূত্র জানিয়েছে, বিস্তারিত নকশায় পরিবর্তন, নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি, টাকার অবমূল্যায়ন, প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব এবং বিভিন্ন কারিগরি পরিবর্তনের কারণে প্রকল্প দুটির ব্যয় বেড়েছে।

এ ছাড়া জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকার ঋণের শর্ত এবং দরপত্রে সীমিত প্রতিযোগিতার বিষয়টিও প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধির কারণ হিসেবে আলোচনায় এসেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, জাপানি কোম্পানিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা সীমিত থাকায় দরপত্রের ব্যয় বেড়েছে।

প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নে অর্থায়ন করছে জাইকা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত জারি

“মেট্রোরেল প্রকল্পে বিশাল ব্যয় বৃদ্ধি”: দুই নতুন প্রকল্পে যুক্ত হচ্ছে আরও ২ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা

আপডেট সময় ১০:০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকায় এমআরটি লাইন-১ ও এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর) প্রকল্পের ব্যয় দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকল্প দুটির প্রাথমিক ব্যয় ৯৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ধরা হলেও সংশোধিত প্রস্তাবে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৯৮৯ কোটি টাকা। প্রস্তাব দুটি বর্তমানে পরিকল্পনা কমিশনের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

এমআরটি লাইন-১ কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পাতালপথে এবং নর্দ্দা থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত উড়ালপথে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। ২০১৯ সালে প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা। সংশোধিত প্রস্তাবে তা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার ৭৯৪ কোটি টাকা। ৩১ কিলোমিটারের বেশি দীর্ঘ এ প্রকল্পে ২১টি স্টেশন নির্মাণ করা হবে। প্রতি কিলোমিটারে ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ৩ হাজার ৮৬৬ কোটি টাকা।

অন্যদিকে, এমআরটি লাইন-৫ (উত্তর) সাভার থেকে গাবতলী, মিরপুর ও গুলশান হয়ে ভাটারা পর্যন্ত নির্মিত হবে। প্রকল্পটিতে পাতাল ও উড়ালপথের সমন্বয় থাকবে। ২০১৯ সালে এর ব্যয় ধরা হয়েছিল ৪১ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা। সংশোধিত প্রস্তাবে ব্যয় বাড়িয়ে প্রায় ৯৩ হাজার ১৯১ কোটি টাকা করা হয়েছে। ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রকল্পে ১৪টি স্টেশন থাকবে। প্রতি কিলোমিটারে ব্যয় পড়বে প্রায় ৪ হাজার ৬৬০ কোটি টাকা।

ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) সূত্র জানিয়েছে, বিস্তারিত নকশায় পরিবর্তন, নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি, টাকার অবমূল্যায়ন, প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব এবং বিভিন্ন কারিগরি পরিবর্তনের কারণে প্রকল্প দুটির ব্যয় বেড়েছে।

এ ছাড়া জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকার ঋণের শর্ত এবং দরপত্রে সীমিত প্রতিযোগিতার বিষয়টিও প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধির কারণ হিসেবে আলোচনায় এসেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, জাপানি কোম্পানিগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা সীমিত থাকায় দরপত্রের ব্যয় বেড়েছে।

প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নে অর্থায়ন করছে জাইকা।