ময়মনসিংহ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ২০৬ সংযোগ বিচ্ছিন্ন সরকারি চাকরিজীবীদের সুখবর: জুনেই নতুন পে-স্কেলের গেজেট, আসছে গ্রেড ও পেনশন সুবিধায় বড় পরিবর্তন গৌরীপুরে মাদ্রাসাছাত্র নিখোঁজ, সন্ধানের অপেক্ষায় পরিবার ময়মনসিংহের গৌরীপুরে মামলার জেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ, লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক জুলাই থেকেই কার্যকর হতে যাচ্ছে নবম পে-স্কেল! প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা: অনুমোদনের অপেক্ষায় ৮,১০৬ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন বলেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্মবিরতি শেষে কাজে যোগ দিচ্ছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা দুই পয়েন্ট থেকে ২১ বাংলাদেশিকে ফেরত দিল বিএসএফ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

সেনাবাহিনী চুপচাপ বসে যে ফ্যাসিবাদী শাসন দেখেছে তার মূলে ছিল বিডিআর বিদ্রোহ বললেন মাহমুদুর রহমান

সবশেষ পনেরো বছরে ফ্যাসিবাদের আমলে গুম খুনের নির্দেশ আসতো শেখ হাসিনার কাছ থেকে। এমনকি বিডিআর বিদ্রোহেও হাত ছিল শেখ হাসিনা এবং তার পরিবারের। এমনটা বলেছেন আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘গত ১৫ বছর যেই ফ্যাসিবাদী শাসন আমরা দেখেছি, সেনাবাহিনী চুপচাপ বসে যে ফ্যাসিবাদী শাসন দেখেছে তার মূলে ছিল বিডিআর বিদ্রোহ। আমি বাংলাদেশের একজন নাগরিক এবং গবেষক হিসেবে বিশ্বাস করি বিডিআর বিদ্রোহ না হলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পনেরো বছরের ফ্যাসিবাদী, ভারতের দালাল শাসন বরদাস্ত করতো না। বরদাস্ত করেছে শুধু বিডিআর ম্যাসাকারের জন্য। কাজেই বিডিআর ম্যাসাকারের প্রকৃত বিচার হওয়া আমাদের জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আরেকটি কথা বলা আবশ্যক। বিডিআর বিদ্রোহকে উপলক্ষ করে যেই ম্যাসাকার করা হয়েছিল তাতে ডিরেক্টলি আওয়ামী লীগ এবং শেখ পরিবারের হাত ছিল। প্রত্যেকের নাম এসেছে। কিন্তু কারো বিচার হয়নি। আর আওয়ামী লীগের হাত থাকা মানেই ভারতেরও হাত ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও ভারতের মধ্যে কোনো পার্থক্য নাই। যা আওয়ামী লীগ, তাহাই ভারত। কাজেই এরাই মিলিতভাবে বিডিআর হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মরাল শেষ করে দিয়েছে ঐ ৪৮ ঘন্টার মধ্যে।’

‘ইতিহাস যখন বর্ণনা করবো তখন নিরপেক্ষভাবে ইতিহাস বর্ণনা করবো। এখানে পক্ষপাতিত্বের কোনো সুযোগ নেই। এবং সেই সময়ের বিএনপিকে ভাঙতে ডিজিএফআইকে ব্যবহার করা হয়েছিল। কাজেই ডিজিএফআই এর যেই ডিরেক্ট রাজনীতিতে অংশগ্রহণ এটা শুরু হয়েছিল ১/১১ ওর সরকারের সময়,’ বলেছেন সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ২০৬ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

সেনাবাহিনী চুপচাপ বসে যে ফ্যাসিবাদী শাসন দেখেছে তার মূলে ছিল বিডিআর বিদ্রোহ বললেন মাহমুদুর রহমান

আপডেট সময় ১২:১১:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫

সবশেষ পনেরো বছরে ফ্যাসিবাদের আমলে গুম খুনের নির্দেশ আসতো শেখ হাসিনার কাছ থেকে। এমনকি বিডিআর বিদ্রোহেও হাত ছিল শেখ হাসিনা এবং তার পরিবারের। এমনটা বলেছেন আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘গত ১৫ বছর যেই ফ্যাসিবাদী শাসন আমরা দেখেছি, সেনাবাহিনী চুপচাপ বসে যে ফ্যাসিবাদী শাসন দেখেছে তার মূলে ছিল বিডিআর বিদ্রোহ। আমি বাংলাদেশের একজন নাগরিক এবং গবেষক হিসেবে বিশ্বাস করি বিডিআর বিদ্রোহ না হলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পনেরো বছরের ফ্যাসিবাদী, ভারতের দালাল শাসন বরদাস্ত করতো না। বরদাস্ত করেছে শুধু বিডিআর ম্যাসাকারের জন্য। কাজেই বিডিআর ম্যাসাকারের প্রকৃত বিচার হওয়া আমাদের জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আরেকটি কথা বলা আবশ্যক। বিডিআর বিদ্রোহকে উপলক্ষ করে যেই ম্যাসাকার করা হয়েছিল তাতে ডিরেক্টলি আওয়ামী লীগ এবং শেখ পরিবারের হাত ছিল। প্রত্যেকের নাম এসেছে। কিন্তু কারো বিচার হয়নি। আর আওয়ামী লীগের হাত থাকা মানেই ভারতেরও হাত ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও ভারতের মধ্যে কোনো পার্থক্য নাই। যা আওয়ামী লীগ, তাহাই ভারত। কাজেই এরাই মিলিতভাবে বিডিআর হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মরাল শেষ করে দিয়েছে ঐ ৪৮ ঘন্টার মধ্যে।’

‘ইতিহাস যখন বর্ণনা করবো তখন নিরপেক্ষভাবে ইতিহাস বর্ণনা করবো। এখানে পক্ষপাতিত্বের কোনো সুযোগ নেই। এবং সেই সময়ের বিএনপিকে ভাঙতে ডিজিএফআইকে ব্যবহার করা হয়েছিল। কাজেই ডিজিএফআই এর যেই ডিরেক্ট রাজনীতিতে অংশগ্রহণ এটা শুরু হয়েছিল ১/১১ ওর সরকারের সময়,’ বলেছেন সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।