ময়মনসিংহ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জরুরি সহায়তা হিসেবে ১০ হাজার কোটি টাকা ধার চায় ইসলামী ব্যাংক বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর শান্তিরক্ষীরা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ​শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ: আদালতের কাঠগড়ায় ১২ জন সরকার ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্র নীতি পরিচালনা করছে বলে মন্তব্য করেছেন শামা ওবায়েদ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ১৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা আলোচিত নাসির-তামিমা মামলার রায় আজ, নজরে আদালত ​মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে হামলার হুমকি দিলো ইরান, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ২০৬ সংযোগ বিচ্ছিন্ন সরকারি চাকরিজীবীদের সুখবর: জুনেই নতুন পে-স্কেলের গেজেট, আসছে গ্রেড ও পেনশন সুবিধায় বড় পরিবর্তন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

সোমবার সায়েন্সল্যাব মোড়ে গণজমায়েত সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের এক দফা দাবিতে

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২০৩ বার পড়া হয়েছে

কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ জারির এক দফা দাবিতে আগামী সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে বিশাল গণজমায়েতের আয়োজন করেছে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। সেখানে অধ্যাদেশ মঞ্চ স্থাপন করা হবে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত সোয়া ১২টায় সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর আন্দোলনের প্রতিনিধি ও ঢাকা কলেজের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. নাঈম হাওলাদার পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, সাত কলেজের (প্রস্তাবিত ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়) সব শিক্ষার্থীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সাত কলেজের সমন্বয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রণীত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন-২০২৫’ এর খসড়া গত ২৪ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়।
খসড়াটি প্রকাশিত হওয়ার পরপরই সেটি নিয়ে বিভিন্ন পক্ষে-বিপক্ষে নানা তর্ক-বিতর্ক সৃষ্টি হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সব স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কলসালটেশন সভার আয়োজন করে।

সূত্রে জানতে পেরেছি, সব স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে প্রাপ্ত পরামর্শের ভিত্তিতে মন্ত্রণালয় উক্ত খসড়া হালনাগাদ করেছেন। সর্বশেষ গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর শিক্ষা ভবন অভিমুখে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করেন, সেই সভায় ডিসেম্বরের মধ্যে আনুষাঙ্গিক সব কার্যক্রম শেষ করে, জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে অধ্যাদেশ জারি করার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে, রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে সেই কাঙ্ক্ষিত অধ্যাদেশ এখনো জারি হয়নি।

এতে আরও বলা হয়, রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারির এক দফা দাবিতে আগামী সোমবার অর্থাৎ ১৯ জানুয়ারি বেলা ১১টায় রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে বিশাল গণজমায়েতের আয়োজন করা হবে, পাশাপাশি অধ্যাদেশ মঞ্চ স্থাপন করা হবে। অধ্যাদেশ মঞ্চ থেকেই আন্দোলনের পরবর্তী গতিপথ ঘোষণা করা হবে।

এর আগে গত ১৪ ও ১৫ জানুয়ারি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব, টেকনিক্যাল ও তাঁতীবাজার মোড় অবরোধ করা হয়েছিল।

বিজ্ঞপ্তিতে সাত কলেজের (প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি) সব শিক্ষার্থীদের উপরোক্ত কর্মসূচির বিষয়ে অবগত করে বলা হয়।

পাশাপাশি কর্মসূচি সফল করার অভিপ্রায়ে সবাইকে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানোর অনুরোধ ও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, উপরোক্ত কর্মসূচির কারণে সৃষ্টি হওয়া সাময়িক জনদুর্ভোগের জন্য রাজধানীবাসীর কাছে আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি, পাশাপাশি তাদের কাছে আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী, শিক্ষার্থীদের অভিভাবকহীন শিক্ষাজীবন ও মানহীন শিক্ষার গ্লানি থেকে মুক্তির জন্য যে আন্দোলন চলছে সেটি পূরণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যেতে বাধ্য।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সোমবার সায়েন্সল্যাব মোড়ে গণজমায়েত সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের এক দফা দাবিতে

আপডেট সময় ১০:২৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ জারির এক দফা দাবিতে আগামী সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে বিশাল গণজমায়েতের আয়োজন করেছে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। সেখানে অধ্যাদেশ মঞ্চ স্থাপন করা হবে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত সোয়া ১২টায় সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর আন্দোলনের প্রতিনিধি ও ঢাকা কলেজের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. নাঈম হাওলাদার পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, সাত কলেজের (প্রস্তাবিত ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়) সব শিক্ষার্থীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সাত কলেজের সমন্বয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রণীত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন-২০২৫’ এর খসড়া গত ২৪ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়।
খসড়াটি প্রকাশিত হওয়ার পরপরই সেটি নিয়ে বিভিন্ন পক্ষে-বিপক্ষে নানা তর্ক-বিতর্ক সৃষ্টি হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সব স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কলসালটেশন সভার আয়োজন করে।

সূত্রে জানতে পেরেছি, সব স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে প্রাপ্ত পরামর্শের ভিত্তিতে মন্ত্রণালয় উক্ত খসড়া হালনাগাদ করেছেন। সর্বশেষ গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর শিক্ষা ভবন অভিমুখে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করেন, সেই সভায় ডিসেম্বরের মধ্যে আনুষাঙ্গিক সব কার্যক্রম শেষ করে, জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে অধ্যাদেশ জারি করার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে, রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে সেই কাঙ্ক্ষিত অধ্যাদেশ এখনো জারি হয়নি।

এতে আরও বলা হয়, রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারির এক দফা দাবিতে আগামী সোমবার অর্থাৎ ১৯ জানুয়ারি বেলা ১১টায় রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে বিশাল গণজমায়েতের আয়োজন করা হবে, পাশাপাশি অধ্যাদেশ মঞ্চ স্থাপন করা হবে। অধ্যাদেশ মঞ্চ থেকেই আন্দোলনের পরবর্তী গতিপথ ঘোষণা করা হবে।

এর আগে গত ১৪ ও ১৫ জানুয়ারি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব, টেকনিক্যাল ও তাঁতীবাজার মোড় অবরোধ করা হয়েছিল।

বিজ্ঞপ্তিতে সাত কলেজের (প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি) সব শিক্ষার্থীদের উপরোক্ত কর্মসূচির বিষয়ে অবগত করে বলা হয়।

পাশাপাশি কর্মসূচি সফল করার অভিপ্রায়ে সবাইকে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানোর অনুরোধ ও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, উপরোক্ত কর্মসূচির কারণে সৃষ্টি হওয়া সাময়িক জনদুর্ভোগের জন্য রাজধানীবাসীর কাছে আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি, পাশাপাশি তাদের কাছে আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী, শিক্ষার্থীদের অভিভাবকহীন শিক্ষাজীবন ও মানহীন শিক্ষার গ্লানি থেকে মুক্তির জন্য যে আন্দোলন চলছে সেটি পূরণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যেতে বাধ্য।