ময়মনসিংহ , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পূর্বধলায় জনগণের ভালবাসায় সাড়া দিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন মোঃ এরশাদ খাঁন সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী দেশে অর্ধশত কোটি টাকার মালিক মাত্র ১৫ জন! চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ সব বাধা অতিক্রম করে দেশকে এগিয়ে নিতে চায় সরকার বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শাপলা চত্বর হত্যা মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল ২৭ জুলাই জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর অবশেষে পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া আলোচনার মানে হয় না: ককরোচ জনতা পার্টি সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়: দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের বার্তা সরকার রাষ্ট্রীয় সংস্কার বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন শিবির সভাপতি সাদ্দাম মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ: ভারতের রাজপথে এখন জেন-জি প্রজন্মের উত্তাল আন্দোলন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

হালিমের বাটিতে মাছি: হোটেল কর্মচারীকে বাটি ছুড়ে মারলেন জাকসু নেতা

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:১৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬২ বার পড়া হয়েছে

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) বটতলায় একটি খাবারের হোটেলে হালিমে মাছি পাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে হোটেলের এক কর্মচারীর গায়ে হালিমের বাটি ছুড়ে মারার অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তাবিষয়ক সম্পাদক হোসনে মোবারকের বিরুদ্ধে।

গত মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাতের এই ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার রাত ৮টার দিকে একদল শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলার অন্তত ২৫টি দোকান বন্ধ করে দিলে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উভয় পক্ষকে শান্ত করে।

দোকান বন্ধ করাকে কেন্দ্র করে ঘটনাস্থলে শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষ পাল্টাপাল্টি স্লোগান দিতে শুরু করলে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। জাকসু নেতার এই আচরণের প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা সংহতি প্রকাশ করে অভিযুক্ত নেতার বিচার দাবি করেন। অন্যদিকে, ছাত্রশক্তি থেকে নির্বাচিত জাকসুর কার্যকরী সদস্য মোহাম্মদ আলী চিশতিসহ একটি পক্ষ দোকানগুলো খুলে দেওয়ার দাবি জানান। যদিও তারা হোসনে মোবারকের আচরণের বিচার চান, তবে সব দোকান বন্ধ করে দেওয়াকে তারা সঠিক সমাধান বলে মনে করেননি।

অভিযুক্ত জাকসু নেতা হোসনে মোবারক শারীরিক আঘাতের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে খাবারের মানের প্রতিবাদ করেছি। দুর্গন্ধযুক্ত খাবারে মাছি দেখে ক্ষোভ থেকে বাটিটি ছুড়ে মারি, তবে কাউকে শারীরিকভাবে আঘাত করার কোনো উদ্দেশ্য আমার ছিল না।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, খাবারের মান নিশ্চিত করা কেবল জাকসুর একার কাজ নয়, বরং সাধারণ শিক্ষার্থীদেরও যেকোনো অসংগতি দেখলে তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা উচিত।

উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সামাল দিতে আসা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বাটি ছুড়ে মারা এবং দোকান বন্ধ রাখা—এই দুই বিষয়কে কেন্দ্র করেই মূলত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়েছিল। আপাতত পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে। উদ্ভুত সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে আগামীকাল সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পূর্বধলায় জনগণের ভালবাসায় সাড়া দিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন মোঃ এরশাদ খাঁন

হালিমের বাটিতে মাছি: হোটেল কর্মচারীকে বাটি ছুড়ে মারলেন জাকসু নেতা

আপডেট সময় ০৯:১৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) বটতলায় একটি খাবারের হোটেলে হালিমে মাছি পাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে হোটেলের এক কর্মচারীর গায়ে হালিমের বাটি ছুড়ে মারার অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জাকসু) স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তাবিষয়ক সম্পাদক হোসনে মোবারকের বিরুদ্ধে।

গত মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাতের এই ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার রাত ৮টার দিকে একদল শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলার অন্তত ২৫টি দোকান বন্ধ করে দিলে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উভয় পক্ষকে শান্ত করে।

দোকান বন্ধ করাকে কেন্দ্র করে ঘটনাস্থলে শিক্ষার্থীদের দুই পক্ষ পাল্টাপাল্টি স্লোগান দিতে শুরু করলে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। জাকসু নেতার এই আচরণের প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা সংহতি প্রকাশ করে অভিযুক্ত নেতার বিচার দাবি করেন। অন্যদিকে, ছাত্রশক্তি থেকে নির্বাচিত জাকসুর কার্যকরী সদস্য মোহাম্মদ আলী চিশতিসহ একটি পক্ষ দোকানগুলো খুলে দেওয়ার দাবি জানান। যদিও তারা হোসনে মোবারকের আচরণের বিচার চান, তবে সব দোকান বন্ধ করে দেওয়াকে তারা সঠিক সমাধান বলে মনে করেননি।

অভিযুক্ত জাকসু নেতা হোসনে মোবারক শারীরিক আঘাতের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে খাবারের মানের প্রতিবাদ করেছি। দুর্গন্ধযুক্ত খাবারে মাছি দেখে ক্ষোভ থেকে বাটিটি ছুড়ে মারি, তবে কাউকে শারীরিকভাবে আঘাত করার কোনো উদ্দেশ্য আমার ছিল না।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, খাবারের মান নিশ্চিত করা কেবল জাকসুর একার কাজ নয়, বরং সাধারণ শিক্ষার্থীদেরও যেকোনো অসংগতি দেখলে তাৎক্ষণিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা উচিত।

উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সামাল দিতে আসা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বাটি ছুড়ে মারা এবং দোকান বন্ধ রাখা—এই দুই বিষয়কে কেন্দ্র করেই মূলত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়েছিল। আপাতত পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে। উদ্ভুত সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে আগামীকাল সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।