ময়মনসিংহ , বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গঠনমূলক সমালোচনা ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি দুর্গাপূজায় টানা পাঁচদিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা, প্রজ্ঞাপন জারি পূজায় মদ খেয়ে নাচানাচি করলে ঘাড় ধরে নিয়ে আসব: ফেনীর পুলিশ সুপার ডিসেম্বরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ‘অপতৎপরতা’ কঠোরভাবে দমন করা হবে জানিয়েছেন ডিবিপ্রধান নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে উপাচার্যের মতবিনিময় নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও আবাসন সংকট নিয়ে আলোচনা নেত্রকোনার দুর্গাপুরে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৫০ বছরের ব্যক্তি গ্রেপ্তার দেশকে অস্থির করার জন্য পতিত দোসররা নানাভাবে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন রিজভী শারদীয় দুর্গাপূজায় সর্বাত্মক নিরাপত্তার আশ্বাস রেঞ্জ ডিআইজি জাহিদুল হাসানের নালিতাবাড়ী সীমান্তে ১ লাখ ৪২ হাজার টাকার ভারতীয় মদ জব্দ প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে ‘শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক’ সম্মাননা পেলেন পাবনার মো: ইমরান হুসাইন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.
রাজধানীতে আগুনে পুড়ে ৪৬ জনের মৃত্যু

আগুনে নাই হয়ে গেল শুল্ক কর্মকর্তার পুরো পরিবার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৫০:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪
  • ৪৬৭ বার পড়া হয়েছে

শুল্ক কর্মকর্তা শাহজালাল উদ্দিন, স্ত্রী মেহেরুন নিসা ও তাঁদের একমাত্র মেয়ে ফাইরুজ কাশেম জামিরা। এই পারিবারিক ছবি এখন কেবলই স্মৃতি। ঢাকার বেইলি রোডের আগুনে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে।ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক কর্মকর্তা শাহজালাল উদ্দিন (৩৫) স্ত্রী মেহেরুন নিসা (২৪) ও একমাত্র মেয়ে ফাইরুজ কাশেম জামিরাকে (৪) নিয়ে থাকতেন ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কাস্টম কোয়ার্টারে। গ্রামের বাড়ি কক্সবাজার যাওয়ার জন্য দুই দিনের ছুটি নিয়ে ঢাকায় আসেন। বাড়ির পথে রওনা হওয়ার আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে তিনি রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনের একটি রেস্তোরাঁয় যান। আগুনে পুড়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে মেয়ে, জামাতা ও নাতনির পরিচয় শনাক্ত করেন মুক্তার আলম হেলালি। তিনি মেহেরুন নিসার বাবা। ঘটনাস্থল থেকে তিনি মুঠোফোনে বলেন, ‘আমার জামাতা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের পোর্টে কাস্টমস ইন্সপেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিল। দুই দিনের ছুটি নিয়ে গ্রামের বাড়ি কক্সবাজার যাওয়ার জন্য তারা তিনজন ঢাকায় আসে। বাসের টিকিটও কেটেছিল। মেয়ে আর নাতনিকে নিয়ে আমার জামাতা রেস্তোরাঁয় যায়। এরপর তারা আর ফিরে আসেনি।’

শাহজালাল উদ্দিনের বাড়ি কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের পশ্চিম মরিচ্যায়। তাঁর বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম।

গতকাল রাতে শাহজালালের বড় ভাই উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান সাজু বলেন, তাঁর ছোট ভাই তিনজনের মরদেহ আনতে ঢাকার পথে রওনা দিয়েছেন। পাঁচ ভাই ও এক বোনের মধ্যে শাহজালাল দ্বিতীয়। তাঁদের গ্রামের বাড়িতে তিনজনের দাফনের প্রস্তুতি চলছে।

শাহজালাল উদ্দিনের বাড়ি কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের পশ্চিম মরিচ্যায়। তাঁর বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম।

গতকাল রাতে শাহজালালের বড় ভাই উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান সাজু বলেন, তাঁর ছোট ভাই তিনজনের মরদেহ আনতে ঢাকার পথে রওনা দিয়েছেন। পাঁচ ভাই ও এক বোনের মধ্যে শাহজালাল দ্বিতীয়। তাঁদের গ্রামের বাড়িতে তিনজনের দাফনের প্রস্তুতি চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গঠনমূলক সমালোচনা ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি

রাজধানীতে আগুনে পুড়ে ৪৬ জনের মৃত্যু

আগুনে নাই হয়ে গেল শুল্ক কর্মকর্তার পুরো পরিবার

আপডেট সময় ০২:৫০:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪

শুল্ক কর্মকর্তা শাহজালাল উদ্দিন (৩৫) স্ত্রী মেহেরুন নিসা (২৪) ও একমাত্র মেয়ে ফাইরুজ কাশেম জামিরাকে (৪) নিয়ে থাকতেন ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কাস্টম কোয়ার্টারে। গ্রামের বাড়ি কক্সবাজার যাওয়ার জন্য দুই দিনের ছুটি নিয়ে ঢাকায় আসেন। বাড়ির পথে রওনা হওয়ার আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে তিনি রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনের একটি রেস্তোরাঁয় যান। আগুনে পুড়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে মেয়ে, জামাতা ও নাতনির পরিচয় শনাক্ত করেন মুক্তার আলম হেলালি। তিনি মেহেরুন নিসার বাবা। ঘটনাস্থল থেকে তিনি মুঠোফোনে বলেন, ‘আমার জামাতা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের পোর্টে কাস্টমস ইন্সপেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিল। দুই দিনের ছুটি নিয়ে গ্রামের বাড়ি কক্সবাজার যাওয়ার জন্য তারা তিনজন ঢাকায় আসে। বাসের টিকিটও কেটেছিল। মেয়ে আর নাতনিকে নিয়ে আমার জামাতা রেস্তোরাঁয় যায়। এরপর তারা আর ফিরে আসেনি।’

শাহজালাল উদ্দিনের বাড়ি কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের পশ্চিম মরিচ্যায়। তাঁর বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম।

গতকাল রাতে শাহজালালের বড় ভাই উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান সাজু বলেন, তাঁর ছোট ভাই তিনজনের মরদেহ আনতে ঢাকার পথে রওনা দিয়েছেন। পাঁচ ভাই ও এক বোনের মধ্যে শাহজালাল দ্বিতীয়। তাঁদের গ্রামের বাড়িতে তিনজনের দাফনের প্রস্তুতি চলছে।

শাহজালাল উদ্দিনের বাড়ি কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের পশ্চিম মরিচ্যায়। তাঁর বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম।

গতকাল রাতে শাহজালালের বড় ভাই উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান সাজু বলেন, তাঁর ছোট ভাই তিনজনের মরদেহ আনতে ঢাকার পথে রওনা দিয়েছেন। পাঁচ ভাই ও এক বোনের মধ্যে শাহজালাল দ্বিতীয়। তাঁদের গ্রামের বাড়িতে তিনজনের দাফনের প্রস্তুতি চলছে।