ময়মনসিংহ , শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঢাকায় বাড়ছে গরমের তীব্রতা: জনজীবনে অস্বস্তির আভাস পুংগলী আমিনা মোস্তফা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদায়, নবীববরণ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে নেএকোণা যাচ্ছেউপজেলা আধুনিকতার যুগে হারিয়ে যাচ্ছে গরু দিয়ে ধান মাড়াইয়ের গ্রামীণ ঐতিহ্য ময়মনসিংহে সুকৃতি প্রভা একক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৬ অনুস্ঠিত মানবিক সংগঠনে “চেষ্টা”র উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত নারীদের সবজি ভ্যান প্রদান রাজ গৌরীপুর আন্ত : ব্যাচ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৬ এ স্ট্রাইকার্সকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ডেস্ট্রয়ার্স-২০ অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি ঘোষণা করল ঢাকার নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখাতে চাই বলেছেন সিইসি পহেলা বৈশাখে কৃষকদের নতুন উপহার: ১০ জেলায় ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বেরোবির দুই শিক্ষক ও শাখা ছাত্রলীগ সভাপতির ১০ বছরের কারাদণ্ড
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ইন্দোনেশীয় হজ ফ্লাইটের জরুরি অবতরণ, বিমানের ইঞ্জিনে আগুন

  • Md. Raduan Ahammed
  • আপডেট সময় ১২:৩৬:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪
  • ৩৫১ বার পড়া হয়েছে

ছবি- সংগৃহীত

ইন্দোনেশিয়া জাতীয় বিমান পরিষেবা সংস্থা গারুদার একটি উড়োজাহাজের ইঞ্জিনে আগুন ধরে যাওয়ার কারণে বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়েছে। উক্ত উড়োজাহাজটিতে ৪৫০ জন হজযাত্রী ও ১৮ জন কেবিনক্রু ছিল। খবর সিএনএন’র।

বুধবার ১৫-ই মে সিএনএন’র  এর একটি প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার বিকেল এই দুর্ঘটনা ঘটে। বোয়িং ৭৪৭-৪০০ সিরিজের উড়োজাহাজটি ইন্দোনেশিয়ার মাকাসার শহর থকে মদিনার উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। এক বিবৃতিতে গারুদার নির্বাহী পরিচালক ইরফান সেতিয়াপুত্রা এক বিবৃতিতে বলেন, ‘বিমানটি টেক অফের পরপরই সেটির একটি ইঞ্জিনে আগুন লাগে। সম্ভবত ফ্লাইট শুরুর আগে সেটি ভালোভাবে পরীক্ষা করা হয়নি। আগুন দেখতে পাওয়া মাত্র পাইলট তাৎক্ষণিকভাবে বিমান অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন। বিমানটিতে ৪৫০ জন যাত্রী ছাড়াও ১৮ জন ক্রু ছিলেন।

তবে তাদের কেউই হতাহত হননি। ইরফান জানিয়েছেন বিমানটি অবতরণের দুই ঘণ্টার মধ্যে যাত্রীদের জন্য নতুন আরেকটি বিমানের বন্দোবস্ত করেছে গারুদা। সেই সঙ্গে মেরামতের জন্য গ্রাউন্ডেড করা হয়েছে আগুন লাগা বিমানটিকে। গারুদার ৬০ শতাংশ শেয়ারের মালিক ইন্দোনেশিয়ার সরকার। করোনা মহামারির সময় ভ্রমণ নিষেধজ্ঞার কারণে ব্যাপকমাত্রায় আর্থিক লোকসানের শিকার হয়েছে এই পরিষেবা সংস্থাটি। সেই ক্ষয়ক্ষতির ধাক্কা এখনও পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। যদিও এমনটি হওয়ার কথা নয়। কারণ, বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ায় শত শত দ্বীপ রয়েছে। এসব দ্বীপের বাসিন্দাদের এক দ্বীপ থেকে অন্য দ্বীপে যেতে বিমানের ওপর নির্ভর করতে হয়। তথ্য সূত্র: সিএনএন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকায় বাড়ছে গরমের তীব্রতা: জনজীবনে অস্বস্তির আভাস

ইন্দোনেশীয় হজ ফ্লাইটের জরুরি অবতরণ, বিমানের ইঞ্জিনে আগুন

আপডেট সময় ১২:৩৬:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪

ইন্দোনেশিয়া জাতীয় বিমান পরিষেবা সংস্থা গারুদার একটি উড়োজাহাজের ইঞ্জিনে আগুন ধরে যাওয়ার কারণে বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়েছে। উক্ত উড়োজাহাজটিতে ৪৫০ জন হজযাত্রী ও ১৮ জন কেবিনক্রু ছিল। খবর সিএনএন’র।

বুধবার ১৫-ই মে সিএনএন’র  এর একটি প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার বিকেল এই দুর্ঘটনা ঘটে। বোয়িং ৭৪৭-৪০০ সিরিজের উড়োজাহাজটি ইন্দোনেশিয়ার মাকাসার শহর থকে মদিনার উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। এক বিবৃতিতে গারুদার নির্বাহী পরিচালক ইরফান সেতিয়াপুত্রা এক বিবৃতিতে বলেন, ‘বিমানটি টেক অফের পরপরই সেটির একটি ইঞ্জিনে আগুন লাগে। সম্ভবত ফ্লাইট শুরুর আগে সেটি ভালোভাবে পরীক্ষা করা হয়নি। আগুন দেখতে পাওয়া মাত্র পাইলট তাৎক্ষণিকভাবে বিমান অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন। বিমানটিতে ৪৫০ জন যাত্রী ছাড়াও ১৮ জন ক্রু ছিলেন।

তবে তাদের কেউই হতাহত হননি। ইরফান জানিয়েছেন বিমানটি অবতরণের দুই ঘণ্টার মধ্যে যাত্রীদের জন্য নতুন আরেকটি বিমানের বন্দোবস্ত করেছে গারুদা। সেই সঙ্গে মেরামতের জন্য গ্রাউন্ডেড করা হয়েছে আগুন লাগা বিমানটিকে। গারুদার ৬০ শতাংশ শেয়ারের মালিক ইন্দোনেশিয়ার সরকার। করোনা মহামারির সময় ভ্রমণ নিষেধজ্ঞার কারণে ব্যাপকমাত্রায় আর্থিক লোকসানের শিকার হয়েছে এই পরিষেবা সংস্থাটি। সেই ক্ষয়ক্ষতির ধাক্কা এখনও পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। যদিও এমনটি হওয়ার কথা নয়। কারণ, বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ায় শত শত দ্বীপ রয়েছে। এসব দ্বীপের বাসিন্দাদের এক দ্বীপ থেকে অন্য দ্বীপে যেতে বিমানের ওপর নির্ভর করতে হয়। তথ্য সূত্র: সিএনএন