ময়মনসিংহ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ২০৬ সংযোগ বিচ্ছিন্ন সরকারি চাকরিজীবীদের সুখবর: জুনেই নতুন পে-স্কেলের গেজেট, আসছে গ্রেড ও পেনশন সুবিধায় বড় পরিবর্তন গৌরীপুরে মাদ্রাসাছাত্র নিখোঁজ, সন্ধানের অপেক্ষায় পরিবার ময়মনসিংহের গৌরীপুরে মামলার জেরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ, লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক জুলাই থেকেই কার্যকর হতে যাচ্ছে নবম পে-স্কেল! প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা: অনুমোদনের অপেক্ষায় ৮,১০৬ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন বলেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্মবিরতি শেষে কাজে যোগ দিচ্ছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা দুই পয়েন্ট থেকে ২১ বাংলাদেশিকে ফেরত দিল বিএসএফ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে মাহমুদুর রহমান ট্রাইব্যুনালে

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২২:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১২০ বার পড়া হয়েছে

জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়েছেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।

আজ সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১১টায় ট্রাইব্যুনালে আসেন তিনি। এদিন ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলের সামনে তার সাক্ষ্যগ্রহণ হবে। তবে মামলার পরবর্তী দিন মঙ্গলবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সাক্ষ্য দেবেন বলে প্রসিকিউশন জানিয়েছে।

গত ২ সেপ্টেম্বর ৩৬ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন এ মামলার আসামি থেকে রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। তার জেরা শেষ হয় ৪ সেপ্টেম্বর। মামলার তদন্তে তিনি জানিয়েছিলেন, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের নির্দেশে জুলাই-আগস্টে গণহত্যা চালানো হয়েছে এবং ক্ষমা চেয়ে তিনি ট্রাইব্যুনালের সামনে অজানা অনেক তথ্যও উন্মোচন করেন।

গত ১০ জুলাই ট্রাইব্যুনাল আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনা, কামাল ও মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করে। মামলায় পাঁচটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র মোট ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার, যার মধ্যে তথ্যসূত্র দুই হাজার ১৮ পৃষ্ঠা, জব্দতালিকা ও দালিলিক প্রমাণাদি চার হাজার পাঁচ পৃষ্ঠা এবং শহীদদের তালিকার বিবরণ দুই হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠা। সাক্ষী হিসেবে রয়েছেন ৮১ জন। এছাড়া, ১২ মে চিফ প্রসিকিউটরের কাছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ২০৬ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে মাহমুদুর রহমান ট্রাইব্যুনালে

আপডেট সময় ১১:২২:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়েছেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।

আজ সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১১টায় ট্রাইব্যুনালে আসেন তিনি। এদিন ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলের সামনে তার সাক্ষ্যগ্রহণ হবে। তবে মামলার পরবর্তী দিন মঙ্গলবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সাক্ষ্য দেবেন বলে প্রসিকিউশন জানিয়েছে।

গত ২ সেপ্টেম্বর ৩৬ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন এ মামলার আসামি থেকে রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। তার জেরা শেষ হয় ৪ সেপ্টেম্বর। মামলার তদন্তে তিনি জানিয়েছিলেন, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের নির্দেশে জুলাই-আগস্টে গণহত্যা চালানো হয়েছে এবং ক্ষমা চেয়ে তিনি ট্রাইব্যুনালের সামনে অজানা অনেক তথ্যও উন্মোচন করেন।

গত ১০ জুলাই ট্রাইব্যুনাল আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনা, কামাল ও মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করে। মামলায় পাঁচটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র মোট ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার, যার মধ্যে তথ্যসূত্র দুই হাজার ১৮ পৃষ্ঠা, জব্দতালিকা ও দালিলিক প্রমাণাদি চার হাজার পাঁচ পৃষ্ঠা এবং শহীদদের তালিকার বিবরণ দুই হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠা। সাক্ষী হিসেবে রয়েছেন ৮১ জন। এছাড়া, ১২ মে চিফ প্রসিকিউটরের কাছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।