ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট-এ দৈনিকভিত্তিক শ্রমিকদের কর্মবিরতি, ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জ্বালানির দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই জানিয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী পাইপলাইনে আসছে ৫ হাজার টন ডিজেল ভারত থেকে এক মাসের কম সময়ে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কাজ শুরু করেছি বলেছেন প্রধানমন্ত্রী পূর্বধলায় গণহত্যা দিবস ও মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, কথা রেখেছি বলেছেন মির্জা ফখরুল পাবনা জেলার ফরিদপুরে মরে যাচ্ছে বড়াল নদী, খনন না হলে হারিয়ে যেতে পারে ঐতিহ্য ও জীবিকা প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন গৌরীপুরে মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এনসিপির ৮৭ নেতাকর্মীর গণপদত্যাগ রাঙামাটির জুরাছড়িতে
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ফিলিস্তিনি মুক্তি পাওয়া বন্দীদের শরীরে ভয়াবহ নির্যাতনের চিহ্ন

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:২৩:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
  • ৮৩ বার পড়া হয়েছে

গাজার উত্তরে ধ্বংসস্তূপের পাশে এখন একটি ছোট তাবুতে বসবাস করেন ২৮ বছর বয়সী মাহমুদ আবু ফউল। মায়ের গলা শুনে তিনি হাসেন, কিন্তু দেখতে পান না- কারণ ইসরায়েলের কারাগারে আট মাসের নির্যাতনে তিনি হারিয়েছেন দৃষ্টিশক্তি।

তার এই অন্ধত্ব শুধু একজন তরুণের গল্প নয়; এটি ইসরায়েলের কারাগারগুলোতে বন্দী হাজারো ফিলিস্তিনির ভাগ্যের প্রতিচ্ছবি। সদে তেইমান, রামলে বা নেগেভ- সব কারাগারেই একই চিত্র: মারধর, ক্ষুধা, চিকিৎসা বঞ্চনা, অতপর ফাঁসি।

মাহমুদ বলছিলেন, ‘আমি বারবার চিকিৎসা চেয়েছিলাম, তারা শুধু চোখে কিছু ড্রপ দিয়েছে- যা কোনো কাজই করেনি।’ তিনি দৃষ্টিশক্তি হারালেও হারাননি বলার শক্তি। তার বর্ণনাই এখন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হাতে নতুন প্রমাণ, কীভাবে ইসরায়েলি কারাগারগুলো ধীরে ধীরে হয়ে উঠেছে একেকটি নির্যাতন শিবির।

গাজার যুদ্ধবিরতির পর সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া প্রায় দুই হাজার ফিলিস্তিনির মধ্যে অনেকের শরীরজুড়ে নির্যাতনের চিহ্ন। জাতিসংঘ বলছে, গত এক বছরে ৭৫ জন বন্দী কারাগারে মারা গেছেন। যাদের অনেকে ফাঁসিতে ঝুলে বা পেটানো অবস্থায় প্রাণ হারিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট-এ দৈনিকভিত্তিক শ্রমিকদের কর্মবিরতি, ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান

ফিলিস্তিনি মুক্তি পাওয়া বন্দীদের শরীরে ভয়াবহ নির্যাতনের চিহ্ন

আপডেট সময় ০৯:২৩:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

গাজার উত্তরে ধ্বংসস্তূপের পাশে এখন একটি ছোট তাবুতে বসবাস করেন ২৮ বছর বয়সী মাহমুদ আবু ফউল। মায়ের গলা শুনে তিনি হাসেন, কিন্তু দেখতে পান না- কারণ ইসরায়েলের কারাগারে আট মাসের নির্যাতনে তিনি হারিয়েছেন দৃষ্টিশক্তি।

তার এই অন্ধত্ব শুধু একজন তরুণের গল্প নয়; এটি ইসরায়েলের কারাগারগুলোতে বন্দী হাজারো ফিলিস্তিনির ভাগ্যের প্রতিচ্ছবি। সদে তেইমান, রামলে বা নেগেভ- সব কারাগারেই একই চিত্র: মারধর, ক্ষুধা, চিকিৎসা বঞ্চনা, অতপর ফাঁসি।

মাহমুদ বলছিলেন, ‘আমি বারবার চিকিৎসা চেয়েছিলাম, তারা শুধু চোখে কিছু ড্রপ দিয়েছে- যা কোনো কাজই করেনি।’ তিনি দৃষ্টিশক্তি হারালেও হারাননি বলার শক্তি। তার বর্ণনাই এখন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হাতে নতুন প্রমাণ, কীভাবে ইসরায়েলি কারাগারগুলো ধীরে ধীরে হয়ে উঠেছে একেকটি নির্যাতন শিবির।

গাজার যুদ্ধবিরতির পর সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া প্রায় দুই হাজার ফিলিস্তিনির মধ্যে অনেকের শরীরজুড়ে নির্যাতনের চিহ্ন। জাতিসংঘ বলছে, গত এক বছরে ৭৫ জন বন্দী কারাগারে মারা গেছেন। যাদের অনেকে ফাঁসিতে ঝুলে বা পেটানো অবস্থায় প্রাণ হারিয়েছেন।