ময়মনসিংহ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক জুলাই থেকেই কার্যকর হতে যাচ্ছে নবম পে-স্কেল! প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা: অনুমোদনের অপেক্ষায় ৮,১০৬ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন বলেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্মবিরতি শেষে কাজে যোগ দিচ্ছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা দুই পয়েন্ট থেকে ২১ বাংলাদেশিকে ফেরত দিল বিএসএফ পূর্বধলায় ৪৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ​টাইগারদের বড় পরীক্ষা: আজ অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি বাংলাদেশ সাময়িক যুদ্ধবিরতি: ইসরায়েলের সঙ্গে হামলা বন্ধে একমত ইরান ভয়াবহ কম্পন ইরানে: আঘাত হানল ৫ মাত্রার ভূমিকম্প
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ফিলিস্তিনি মুক্তি পাওয়া বন্দীদের শরীরে ভয়াবহ নির্যাতনের চিহ্ন

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:২৩:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
  • ১০৭ বার পড়া হয়েছে

গাজার উত্তরে ধ্বংসস্তূপের পাশে এখন একটি ছোট তাবুতে বসবাস করেন ২৮ বছর বয়সী মাহমুদ আবু ফউল। মায়ের গলা শুনে তিনি হাসেন, কিন্তু দেখতে পান না- কারণ ইসরায়েলের কারাগারে আট মাসের নির্যাতনে তিনি হারিয়েছেন দৃষ্টিশক্তি।

তার এই অন্ধত্ব শুধু একজন তরুণের গল্প নয়; এটি ইসরায়েলের কারাগারগুলোতে বন্দী হাজারো ফিলিস্তিনির ভাগ্যের প্রতিচ্ছবি। সদে তেইমান, রামলে বা নেগেভ- সব কারাগারেই একই চিত্র: মারধর, ক্ষুধা, চিকিৎসা বঞ্চনা, অতপর ফাঁসি।

মাহমুদ বলছিলেন, ‘আমি বারবার চিকিৎসা চেয়েছিলাম, তারা শুধু চোখে কিছু ড্রপ দিয়েছে- যা কোনো কাজই করেনি।’ তিনি দৃষ্টিশক্তি হারালেও হারাননি বলার শক্তি। তার বর্ণনাই এখন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হাতে নতুন প্রমাণ, কীভাবে ইসরায়েলি কারাগারগুলো ধীরে ধীরে হয়ে উঠেছে একেকটি নির্যাতন শিবির।

গাজার যুদ্ধবিরতির পর সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া প্রায় দুই হাজার ফিলিস্তিনির মধ্যে অনেকের শরীরজুড়ে নির্যাতনের চিহ্ন। জাতিসংঘ বলছে, গত এক বছরে ৭৫ জন বন্দী কারাগারে মারা গেছেন। যাদের অনেকে ফাঁসিতে ঝুলে বা পেটানো অবস্থায় প্রাণ হারিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ফেরাতে উদ্যোগ: আলিমের সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক

ফিলিস্তিনি মুক্তি পাওয়া বন্দীদের শরীরে ভয়াবহ নির্যাতনের চিহ্ন

আপডেট সময় ০৯:২৩:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

গাজার উত্তরে ধ্বংসস্তূপের পাশে এখন একটি ছোট তাবুতে বসবাস করেন ২৮ বছর বয়সী মাহমুদ আবু ফউল। মায়ের গলা শুনে তিনি হাসেন, কিন্তু দেখতে পান না- কারণ ইসরায়েলের কারাগারে আট মাসের নির্যাতনে তিনি হারিয়েছেন দৃষ্টিশক্তি।

তার এই অন্ধত্ব শুধু একজন তরুণের গল্প নয়; এটি ইসরায়েলের কারাগারগুলোতে বন্দী হাজারো ফিলিস্তিনির ভাগ্যের প্রতিচ্ছবি। সদে তেইমান, রামলে বা নেগেভ- সব কারাগারেই একই চিত্র: মারধর, ক্ষুধা, চিকিৎসা বঞ্চনা, অতপর ফাঁসি।

মাহমুদ বলছিলেন, ‘আমি বারবার চিকিৎসা চেয়েছিলাম, তারা শুধু চোখে কিছু ড্রপ দিয়েছে- যা কোনো কাজই করেনি।’ তিনি দৃষ্টিশক্তি হারালেও হারাননি বলার শক্তি। তার বর্ণনাই এখন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হাতে নতুন প্রমাণ, কীভাবে ইসরায়েলি কারাগারগুলো ধীরে ধীরে হয়ে উঠেছে একেকটি নির্যাতন শিবির।

গাজার যুদ্ধবিরতির পর সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া প্রায় দুই হাজার ফিলিস্তিনির মধ্যে অনেকের শরীরজুড়ে নির্যাতনের চিহ্ন। জাতিসংঘ বলছে, গত এক বছরে ৭৫ জন বন্দী কারাগারে মারা গেছেন। যাদের অনেকে ফাঁসিতে ঝুলে বা পেটানো অবস্থায় প্রাণ হারিয়েছেন।