ময়মনসিংহ , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পতিত ফ্যাসিবাদকে উৎসাহিত করে, এমন কাজ থেকে বিরত থাকুন জানিয়েছেন রিজভী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক অভিযানে ১৪৩টি ভারতীয় মোবাইল ফোন ও বিড়ির সরঞ্জাম জব্দ শিবপুরে মোবাইল কোর্টে দুই মামলায় জরিমানা ও একজনকে ২ মাসের কারাদণ্ড দুর্গাপুরে ১১০ বোতল এসকাফসহ নারী আটক, স্বামী পলাতক আদমদীঘিতে ইউএনও-এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপে ৪০ পরিবারের চলাচলের পথ মুক্ত পূর্বধলা বাজারের উন্নয়নে ড্রেনেজ সংস্কার ও যানজট নিরসনের দাবি ব্যবসায়ীদের দেওয়ানগঞ্জে জেলা প্রশাসকের বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন, সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ জামালপুর জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঢাকা জেলা পুলিশের পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের র‍্যাংক ব্যাচ পরিধান ধামইরহাটে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ফিলিস্তিনি মুক্তি পাওয়া বন্দীদের শরীরে ভয়াবহ নির্যাতনের চিহ্ন

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:২৩:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৩৯ বার পড়া হয়েছে

গাজার উত্তরে ধ্বংসস্তূপের পাশে এখন একটি ছোট তাবুতে বসবাস করেন ২৮ বছর বয়সী মাহমুদ আবু ফউল। মায়ের গলা শুনে তিনি হাসেন, কিন্তু দেখতে পান না- কারণ ইসরায়েলের কারাগারে আট মাসের নির্যাতনে তিনি হারিয়েছেন দৃষ্টিশক্তি।

তার এই অন্ধত্ব শুধু একজন তরুণের গল্প নয়; এটি ইসরায়েলের কারাগারগুলোতে বন্দী হাজারো ফিলিস্তিনির ভাগ্যের প্রতিচ্ছবি। সদে তেইমান, রামলে বা নেগেভ- সব কারাগারেই একই চিত্র: মারধর, ক্ষুধা, চিকিৎসা বঞ্চনা, অতপর ফাঁসি।

মাহমুদ বলছিলেন, ‘আমি বারবার চিকিৎসা চেয়েছিলাম, তারা শুধু চোখে কিছু ড্রপ দিয়েছে- যা কোনো কাজই করেনি।’ তিনি দৃষ্টিশক্তি হারালেও হারাননি বলার শক্তি। তার বর্ণনাই এখন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হাতে নতুন প্রমাণ, কীভাবে ইসরায়েলি কারাগারগুলো ধীরে ধীরে হয়ে উঠেছে একেকটি নির্যাতন শিবির।

গাজার যুদ্ধবিরতির পর সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া প্রায় দুই হাজার ফিলিস্তিনির মধ্যে অনেকের শরীরজুড়ে নির্যাতনের চিহ্ন। জাতিসংঘ বলছে, গত এক বছরে ৭৫ জন বন্দী কারাগারে মারা গেছেন। যাদের অনেকে ফাঁসিতে ঝুলে বা পেটানো অবস্থায় প্রাণ হারিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পতিত ফ্যাসিবাদকে উৎসাহিত করে, এমন কাজ থেকে বিরত থাকুন জানিয়েছেন রিজভী

ফিলিস্তিনি মুক্তি পাওয়া বন্দীদের শরীরে ভয়াবহ নির্যাতনের চিহ্ন

আপডেট সময় ০৯:২৩:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

গাজার উত্তরে ধ্বংসস্তূপের পাশে এখন একটি ছোট তাবুতে বসবাস করেন ২৮ বছর বয়সী মাহমুদ আবু ফউল। মায়ের গলা শুনে তিনি হাসেন, কিন্তু দেখতে পান না- কারণ ইসরায়েলের কারাগারে আট মাসের নির্যাতনে তিনি হারিয়েছেন দৃষ্টিশক্তি।

তার এই অন্ধত্ব শুধু একজন তরুণের গল্প নয়; এটি ইসরায়েলের কারাগারগুলোতে বন্দী হাজারো ফিলিস্তিনির ভাগ্যের প্রতিচ্ছবি। সদে তেইমান, রামলে বা নেগেভ- সব কারাগারেই একই চিত্র: মারধর, ক্ষুধা, চিকিৎসা বঞ্চনা, অতপর ফাঁসি।

মাহমুদ বলছিলেন, ‘আমি বারবার চিকিৎসা চেয়েছিলাম, তারা শুধু চোখে কিছু ড্রপ দিয়েছে- যা কোনো কাজই করেনি।’ তিনি দৃষ্টিশক্তি হারালেও হারাননি বলার শক্তি। তার বর্ণনাই এখন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হাতে নতুন প্রমাণ, কীভাবে ইসরায়েলি কারাগারগুলো ধীরে ধীরে হয়ে উঠেছে একেকটি নির্যাতন শিবির।

গাজার যুদ্ধবিরতির পর সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া প্রায় দুই হাজার ফিলিস্তিনির মধ্যে অনেকের শরীরজুড়ে নির্যাতনের চিহ্ন। জাতিসংঘ বলছে, গত এক বছরে ৭৫ জন বন্দী কারাগারে মারা গেছেন। যাদের অনেকে ফাঁসিতে ঝুলে বা পেটানো অবস্থায় প্রাণ হারিয়েছেন।