ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পাবনা জেলার ফরিদপুরে মরে যাচ্ছে বড়াল নদী, খনন না হলে হারিয়ে যেতে পারে ঐতিহ্য ও জীবিকা ময়মনসিংহ জেলায় ব্র্যাক এর বিভিন্ন কর্মসূচি ও এন্টারপ্রাইজ পরিদর্শন করেন ব্যারিস্টার জাইমা রহমান গৌরীপুরে থাইল্যান্ডের রঙিন বিটরুট চাষে কৃষক আজিজুলের বাজিমাত! নালিতাবাড়ীতে আকস্মিক হাসপাতাল পরিদর্শনে সংসদ সদস্য ফাহিম চৌধুরী ময়মনসিংহে বিভাগীয় পর্যায়ের ‘অদম্য নারী পুরস্কার’ পেলেন নুরুন নাহার আক্তার অফিসে নেই কোনো কর্মকর্তা ,সারপ্রাইজ ভিজিটে ভূমি প্রতিমন্ত্রী রংপুর ডিসি কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অফিসে আসতে ‘লেট’, সরকার রপ্তানি খাতে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাড় দিলো খামেনির মৃত্যুতে ইরানি শাসনব্যবস্থার পতন ঘটাবে না বলে মন্তব্য করেছেন ফারাহ পাহলভি ইরানিদের ভাগ্য নির্ধারণের অধিকার তাদেরই দিতে হবে বলেছেন ফারাহ পাহলভি
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

গৌরীপুরে থাইল্যান্ডের রঙিন বিটরুট চাষে কৃষক আজিজুলের বাজিমাত!

মাটির নিচে রক্তিম ফসল! কাটলেই বের হয় লাল রঙের মূলান্যায় বিটরুট।কাঁচা খেতেও সুস্বাদু। মাহে রমজানে বিটরুট জুসও মজাদার। থাইল্যান্ডের সেই বিটরুট এখন চাষ হচ্ছে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে।

এ ভিনদেশী ফসল উৎপাদনে এলাকায় বাজিমাত করেছেন কৃষক আজিজুল হক। তিনি উপজেলার সহনাটী ইউনিয়নের পল্টিপাড়া গ্রামের আজু মিয়ার পুত্র।

তিনি জানান, গত বছর মাত্র ৫শতাংশ জমিতে চাষ করেছিলেন। বিক্রিয় হয় প্রায় ৩০হাজার টাকা। খরচ হয়েছিলো মাত্র ১হাজার ৪৬০ টাকা। এবার তিনি ১৭শতাংশ জমিতে বিটরুট চাষ করেছেন।

২শতাংশ জমিনের বিটরুট বিক্রি হয়েছে ১৮হাজার টাকা। আরও প্রায় ৩-৫হাজার টাকা বিক্রি হবে। অপর জমিনে রয়েছে বিশাল বিটরুট। সেখালে বিক্রি হবে প্রায় দুই লাখ টাকা।

আজিজুল হকের পুত্র মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, দেখতেও রঙিন, দামেও ভালো পাচ্ছি। এলাকার অনেকেই খেতে বিটরুট দেখতে আসছে।

এ প্রসঙ্গে উপসহকারী কৃষি অফিসার মো. শরিফুল ইসলাম জানান, প্রথমদিকে এ ফসল কেউ করতে আগ্রহী ছিলো না।

আজিজুল হকের সাফল্যে এখন এলাকার কৃষকদেরও মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা দিয়েছে। আজিজুল হকের অনুপ্রেরণায় পাছার গ্রারেম কছিম উদ্দিনের পুত্র মো. দুলাল মিয়া, পল্টিপাড়ার চানফর আলীর পুত্র আবুল বাসারও বিটরুট চাষ করেছেন।

ধোপাজাঙ্গালিয়ার কৃষক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, চাষ অত্যন্ত সহজ, খরচও কম। অনেক লাভ। যা আগে কৃষকরা জানতো না। এখন অনেকেই এ ফসল চাষ করতে আগ্রহী।

কৃষি অফিসার নিলুফার ইয়াসমিন জলি জানান, এ উপজেলায় প্রথম বিটরুট আবাদ করেছেন কৃষক আজিজুল হক। তার সাফল্য চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। এ ফসল চাষ অত্যন্ত লাভজনক হওয়ায় কৃষকদের মাঝে আগ্রহী বাড়ছে।

আমরাও কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ ও সহযোগিতা কওে আসছি।
কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার আনিছুর রহমান জানান, বিটরুট মূলত পুষ্টিকর সবজি। তবে এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে।

যা শরীরের জন্য যেমন উপকারী, তেমনি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, রক্তস্বল্পতা দূর করা, লিভার পরিষ্কার, হজম শক্তি, হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো, মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ানো, ক্যানসার প্রতিরোধসহ বিভিন্ন রোগ নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে থাকে।

একই গ্রামের কৃষক আব্দুল লতিফ জানান, আজিজুল হকসহ অনেকেই বিটরুটে সাফল্য পেয়েছে। আজিজুল হক চাচা খেত দেখতে আসলাম। ভালো লেগেছে। আগামী মৌসুমে আমিও চাষ করবো।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

পাবনা জেলার ফরিদপুরে মরে যাচ্ছে বড়াল নদী, খনন না হলে হারিয়ে যেতে পারে ঐতিহ্য ও জীবিকা

গৌরীপুরে থাইল্যান্ডের রঙিন বিটরুট চাষে কৃষক আজিজুলের বাজিমাত!

আপডেট সময় ১২:১৭:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

মাটির নিচে রক্তিম ফসল! কাটলেই বের হয় লাল রঙের মূলান্যায় বিটরুট।কাঁচা খেতেও সুস্বাদু। মাহে রমজানে বিটরুট জুসও মজাদার। থাইল্যান্ডের সেই বিটরুট এখন চাষ হচ্ছে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে।

এ ভিনদেশী ফসল উৎপাদনে এলাকায় বাজিমাত করেছেন কৃষক আজিজুল হক। তিনি উপজেলার সহনাটী ইউনিয়নের পল্টিপাড়া গ্রামের আজু মিয়ার পুত্র।

তিনি জানান, গত বছর মাত্র ৫শতাংশ জমিতে চাষ করেছিলেন। বিক্রিয় হয় প্রায় ৩০হাজার টাকা। খরচ হয়েছিলো মাত্র ১হাজার ৪৬০ টাকা। এবার তিনি ১৭শতাংশ জমিতে বিটরুট চাষ করেছেন।

২শতাংশ জমিনের বিটরুট বিক্রি হয়েছে ১৮হাজার টাকা। আরও প্রায় ৩-৫হাজার টাকা বিক্রি হবে। অপর জমিনে রয়েছে বিশাল বিটরুট। সেখালে বিক্রি হবে প্রায় দুই লাখ টাকা।

আজিজুল হকের পুত্র মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, দেখতেও রঙিন, দামেও ভালো পাচ্ছি। এলাকার অনেকেই খেতে বিটরুট দেখতে আসছে।

এ প্রসঙ্গে উপসহকারী কৃষি অফিসার মো. শরিফুল ইসলাম জানান, প্রথমদিকে এ ফসল কেউ করতে আগ্রহী ছিলো না।

আজিজুল হকের সাফল্যে এখন এলাকার কৃষকদেরও মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা দিয়েছে। আজিজুল হকের অনুপ্রেরণায় পাছার গ্রারেম কছিম উদ্দিনের পুত্র মো. দুলাল মিয়া, পল্টিপাড়ার চানফর আলীর পুত্র আবুল বাসারও বিটরুট চাষ করেছেন।

ধোপাজাঙ্গালিয়ার কৃষক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, চাষ অত্যন্ত সহজ, খরচও কম। অনেক লাভ। যা আগে কৃষকরা জানতো না। এখন অনেকেই এ ফসল চাষ করতে আগ্রহী।

কৃষি অফিসার নিলুফার ইয়াসমিন জলি জানান, এ উপজেলায় প্রথম বিটরুট আবাদ করেছেন কৃষক আজিজুল হক। তার সাফল্য চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। এ ফসল চাষ অত্যন্ত লাভজনক হওয়ায় কৃষকদের মাঝে আগ্রহী বাড়ছে।

আমরাও কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ ও সহযোগিতা কওে আসছি।
কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার আনিছুর রহমান জানান, বিটরুট মূলত পুষ্টিকর সবজি। তবে এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে।

যা শরীরের জন্য যেমন উপকারী, তেমনি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, রক্তস্বল্পতা দূর করা, লিভার পরিষ্কার, হজম শক্তি, হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো, মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ানো, ক্যানসার প্রতিরোধসহ বিভিন্ন রোগ নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে থাকে।

একই গ্রামের কৃষক আব্দুল লতিফ জানান, আজিজুল হকসহ অনেকেই বিটরুটে সাফল্য পেয়েছে। আজিজুল হক চাচা খেত দেখতে আসলাম। ভালো লেগেছে। আগামী মৌসুমে আমিও চাষ করবো।