ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও সাব-রেজিস্ট্রার দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য থাকায় ভূমি সেবা ব্যাহত শিক্ষামন্ত্রীর ঝটিকা অভিযান: না জানিয়েই কেন্দ্র পরিদর্শনে যাওয়ার ঘোষণা জ্বালানি দামের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিবহন ভাড়া নির্ধারণ হবে জানিয়েছেন ডা. জাহেদ আদালতে হাজির না হওয়ায় মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে পরোয়ানা তৌকীর আমার জীবনের ‘প্রথম ভিলেন’ জানিয়েছেন আবুল হায়াত ​বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে পর্তুগালের প্রতি আহ্বান প্রশাসনহীন নালিতাবাড়ী: থেমে ছে উন্নয়ন : বেড়েছে ভোগান্তি ” ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক বক্তব্যে পাকিস্তানের তীব্র প্রতিবাদ ও সতর্কতা পূর্বধলায় মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ, কারণ দর্শানোর নোটিশ দেশজুড়ে শুরু হলো এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

“এনসিপিতে যোগ দিয়েই মেয়র পদে লড়াইয়ের ঘোষণা মনজুর আলমের”

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মনজুর আলমের বাসায় গিয়েছিলেন এনসিপি নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। ওই বাসার সামনে একদল যুবক জড়ো হয়ে নিজেদের জুলাই যোদ্ধা পরিচয় দিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহকে নানা প্রশ্ন করেন। এবিষয়ে বিবিসির সঙ্গে কথা বলেছেন সাবেক মেয়র মনজুর। তাকে এনসিপি থেকে মেয়র পদে নির্বাচনে করবেন কিনা প্রশ্ন করা হয়।

প্রশ্নের জবাবে মনজুর আলম বলেন, মানুষ এটা নিয়ে কানাঘুষা করতেছেন। আমি তো কাউকে বলি নাই আমি নির্বাচন করব। এ নিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহর সাঙ্গে কোনো কথা হয়নি বলেও বিবিসি বাংলার কাছে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে হাসনাত আব্দুল্লাহ সাহেবের একটি প্রোগ্রাম ছিল। তিনি চট্টগ্রামে এসে আমাকে ফোন দিয়েছিলেন দুপুরে। বলেছিলেন আমার বাসায় আসবেন। আমি তাকে দুপুরে খাওয়ার আমন্ত্রণ জানাই।

সাবেক এই মেয়র জানান, বিকাল ৩টার দিকে হাসনাত আব্দুল্লাহ তার বাসায় আসেন এবং দুপুরের খাবারও খান।

মনজুর আলম বলেন, এর কিছুক্ষণ পরে লোকাল কিছু ছেলে বাইরে জড়ো হয়েছিল। পরে হাসনাত আব্দুল্লাহ নিজে গিয়ে তাদের কাছে কথা বলে সাড়ে ৫টা থেকে ৬টার দিকে চলে যান।

জড়ো হওয়া ওই ব্যক্তিদের অনেককে মনজুর আলমকে আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে আখ্যা দিতে শোনা যায়। এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মনজুর আলম বিবিসি বাংলাকে বলেন, আমার নামে তো কোনো মামলাও নাই। আমি আওয়ামী লীগও করি না। আমি আওয়ামী লীগের দোসর কোথা থেকে হইলাম?

তিনি বলেন, আমি তো বিএনপির মেয়র ছিলাম। আমি কী আওয়ামী লীগে যোগ দিছিলাম নাকি? আওয়ামী লীগের তো আমি কিছুই ছিলাম না।

তিনি আরও বলেন, এখানে যারা এসেছিল সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং তাদের সবার বাসা আশপাশের এলাকায়।

মনজুর আলম জানান, ২০১৫ সালের নির্বাচনের পর তিনি রাজনীতি থেকে অবসর নিয়েছেন। এখন তিনি সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গে জড়িত।

উল্লেখ্য, মনজুর আলম ২০১০ সালে বিএনপির সমর্থন নিয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। ২০১৫ সাল পর্যন্ত তিনি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও সাব-রেজিস্ট্রার দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য থাকায় ভূমি সেবা ব্যাহত

“এনসিপিতে যোগ দিয়েই মেয়র পদে লড়াইয়ের ঘোষণা মনজুর আলমের”

আপডেট সময় ১১:১৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মনজুর আলমের বাসায় গিয়েছিলেন এনসিপি নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। ওই বাসার সামনে একদল যুবক জড়ো হয়ে নিজেদের জুলাই যোদ্ধা পরিচয় দিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহকে নানা প্রশ্ন করেন। এবিষয়ে বিবিসির সঙ্গে কথা বলেছেন সাবেক মেয়র মনজুর। তাকে এনসিপি থেকে মেয়র পদে নির্বাচনে করবেন কিনা প্রশ্ন করা হয়।

প্রশ্নের জবাবে মনজুর আলম বলেন, মানুষ এটা নিয়ে কানাঘুষা করতেছেন। আমি তো কাউকে বলি নাই আমি নির্বাচন করব। এ নিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহর সাঙ্গে কোনো কথা হয়নি বলেও বিবিসি বাংলার কাছে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামে হাসনাত আব্দুল্লাহ সাহেবের একটি প্রোগ্রাম ছিল। তিনি চট্টগ্রামে এসে আমাকে ফোন দিয়েছিলেন দুপুরে। বলেছিলেন আমার বাসায় আসবেন। আমি তাকে দুপুরে খাওয়ার আমন্ত্রণ জানাই।

সাবেক এই মেয়র জানান, বিকাল ৩টার দিকে হাসনাত আব্দুল্লাহ তার বাসায় আসেন এবং দুপুরের খাবারও খান।

মনজুর আলম বলেন, এর কিছুক্ষণ পরে লোকাল কিছু ছেলে বাইরে জড়ো হয়েছিল। পরে হাসনাত আব্দুল্লাহ নিজে গিয়ে তাদের কাছে কথা বলে সাড়ে ৫টা থেকে ৬টার দিকে চলে যান।

জড়ো হওয়া ওই ব্যক্তিদের অনেককে মনজুর আলমকে আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে আখ্যা দিতে শোনা যায়। এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মনজুর আলম বিবিসি বাংলাকে বলেন, আমার নামে তো কোনো মামলাও নাই। আমি আওয়ামী লীগও করি না। আমি আওয়ামী লীগের দোসর কোথা থেকে হইলাম?

তিনি বলেন, আমি তো বিএনপির মেয়র ছিলাম। আমি কী আওয়ামী লীগে যোগ দিছিলাম নাকি? আওয়ামী লীগের তো আমি কিছুই ছিলাম না।

তিনি আরও বলেন, এখানে যারা এসেছিল সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং তাদের সবার বাসা আশপাশের এলাকায়।

মনজুর আলম জানান, ২০১৫ সালের নির্বাচনের পর তিনি রাজনীতি থেকে অবসর নিয়েছেন। এখন তিনি সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গে জড়িত।

উল্লেখ্য, মনজুর আলম ২০১০ সালে বিএনপির সমর্থন নিয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। ২০১৫ সাল পর্যন্ত তিনি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।