ময়মনসিংহ , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পতিত ফ্যাসিবাদকে উৎসাহিত করে, এমন কাজ থেকে বিরত থাকুন জানিয়েছেন রিজভী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির পৃথক অভিযানে ১৪৩টি ভারতীয় মোবাইল ফোন ও বিড়ির সরঞ্জাম জব্দ শিবপুরে মোবাইল কোর্টে দুই মামলায় জরিমানা ও একজনকে ২ মাসের কারাদণ্ড দুর্গাপুরে ১১০ বোতল এসকাফসহ নারী আটক, স্বামী পলাতক আদমদীঘিতে ইউএনও-এসিল্যান্ডের হস্তক্ষেপে ৪০ পরিবারের চলাচলের পথ মুক্ত পূর্বধলা বাজারের উন্নয়নে ড্রেনেজ সংস্কার ও যানজট নিরসনের দাবি ব্যবসায়ীদের দেওয়ানগঞ্জে জেলা প্রশাসকের বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন, সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ জামালপুর জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঢাকা জেলা পুলিশের পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের র‍্যাংক ব্যাচ পরিধান ধামইরহাটে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

তৌকীর আমার জীবনের ‘প্রথম ভিলেন’ জানিয়েছেন আবুল হায়াত

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫৪:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৪১ বার পড়া হয়েছে

নির্মাতা ও অভিনেতা তৌকীর আহমেদকে জীবনের ‘প্রথম ভিলেন’ বলে মন্তব্য করেছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা আবুল হায়াত। তিনি জানিয়েছেন, জীবনে তৌকীর আহমেদই তাকে সবচেয়ে বেশি কাঁদিয়েছেন।

গত রোববার (১৯ এপ্রিল) শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় অনুষ্ঠিত হয় ‘ছয় দশক পেরিয়ে তৌকীর আহমেদ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানমালা। সেখানেই এমন মন্তব্য করেন আবুল হায়াত।

আবুল হায়াত আরও বলেন, বিপাশারও একই রোগ বই পড়া। ও যখন দশম শ্রেণিতে পড়ে তখন কোরআন, বেদ, বাইবেল-এগুলো ওর পড়া শেষ। এখনও সে বই পড়ে। পড়া শেষে আমাকে সে গল্প বলে। এ দুই মানুষ একত্রিত হলো যেদিন সেদিন অনেক কেঁদেছি। তাই আমি এখনও বলি, তৌকীর আমাকে সবচেয়ে বেশি কাঁদিয়েছে।
আবেগে আপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, যেদিন তৌকীর বিয়ে করে বিপাশাকে নিয়ে গেল আমি এত কান্না আমার জীবনে কাঁদিনি। আমার দুই কন্যা। দুই কন্যার বিয়েতেই আমি কেঁদেছি। যার মধ্যে তৌকীর হলো ‘প্রথম ভিলেন’। কিন্তু আমি সুখী। তৌকীরের জীবনে সবকিছু গোছানো ও হিসেব করা।

সবশেষে আবুল হায়াত বলেন, তৌকীর মানুষ হিসেবে কেমন বলি। তার নিজের পরিবারের প্রতি, মা-ভাইবোনদের প্রতি তার যেমন ভক্তি- শ্রদ্ধা, আমাদের প্রতিও তার চেয়ে কম ভক্তি-শ্রদ্ধা নেই। আমরা তার আপন বাবা-মায়ের মতোই। ব্যক্তিজীবনে সে দুই সন্তানের বাবা। দুই সন্তানকেই সে মায়ের মতো লালন-পালন করে। আমি সব সময় বলি, তৌকীর তুমি আমেরিকায় থাকো কি বাংলাদেশে থাকো- এমনি থাকো আর কাজ করে যাও।

বর্ষীয়ান অভিনেতা আবুল হায়াতের সম্পর্কে জামাতা হন নির্মাতা ও অভিনেতা তৌকীর আহমেদ। ১৯৯৩ সালের ২৩ জুলাই আবুল হায়াতের বড় মেয়ে অভিনেত্রী বিপাশা হায়াতকে বিয়ে করেন তৌকীর। ব্যক্তিজীবনে তৌকীর-বিপাশা দম্পতি দুই সন্তানের বাবা-মা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পতিত ফ্যাসিবাদকে উৎসাহিত করে, এমন কাজ থেকে বিরত থাকুন জানিয়েছেন রিজভী

তৌকীর আমার জীবনের ‘প্রথম ভিলেন’ জানিয়েছেন আবুল হায়াত

আপডেট সময় ১১:৫৪:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

নির্মাতা ও অভিনেতা তৌকীর আহমেদকে জীবনের ‘প্রথম ভিলেন’ বলে মন্তব্য করেছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা আবুল হায়াত। তিনি জানিয়েছেন, জীবনে তৌকীর আহমেদই তাকে সবচেয়ে বেশি কাঁদিয়েছেন।

গত রোববার (১৯ এপ্রিল) শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় অনুষ্ঠিত হয় ‘ছয় দশক পেরিয়ে তৌকীর আহমেদ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানমালা। সেখানেই এমন মন্তব্য করেন আবুল হায়াত।

আবুল হায়াত আরও বলেন, বিপাশারও একই রোগ বই পড়া। ও যখন দশম শ্রেণিতে পড়ে তখন কোরআন, বেদ, বাইবেল-এগুলো ওর পড়া শেষ। এখনও সে বই পড়ে। পড়া শেষে আমাকে সে গল্প বলে। এ দুই মানুষ একত্রিত হলো যেদিন সেদিন অনেক কেঁদেছি। তাই আমি এখনও বলি, তৌকীর আমাকে সবচেয়ে বেশি কাঁদিয়েছে।
আবেগে আপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, যেদিন তৌকীর বিয়ে করে বিপাশাকে নিয়ে গেল আমি এত কান্না আমার জীবনে কাঁদিনি। আমার দুই কন্যা। দুই কন্যার বিয়েতেই আমি কেঁদেছি। যার মধ্যে তৌকীর হলো ‘প্রথম ভিলেন’। কিন্তু আমি সুখী। তৌকীরের জীবনে সবকিছু গোছানো ও হিসেব করা।

সবশেষে আবুল হায়াত বলেন, তৌকীর মানুষ হিসেবে কেমন বলি। তার নিজের পরিবারের প্রতি, মা-ভাইবোনদের প্রতি তার যেমন ভক্তি- শ্রদ্ধা, আমাদের প্রতিও তার চেয়ে কম ভক্তি-শ্রদ্ধা নেই। আমরা তার আপন বাবা-মায়ের মতোই। ব্যক্তিজীবনে সে দুই সন্তানের বাবা। দুই সন্তানকেই সে মায়ের মতো লালন-পালন করে। আমি সব সময় বলি, তৌকীর তুমি আমেরিকায় থাকো কি বাংলাদেশে থাকো- এমনি থাকো আর কাজ করে যাও।

বর্ষীয়ান অভিনেতা আবুল হায়াতের সম্পর্কে জামাতা হন নির্মাতা ও অভিনেতা তৌকীর আহমেদ। ১৯৯৩ সালের ২৩ জুলাই আবুল হায়াতের বড় মেয়ে অভিনেত্রী বিপাশা হায়াতকে বিয়ে করেন তৌকীর। ব্যক্তিজীবনে তৌকীর-বিপাশা দম্পতি দুই সন্তানের বাবা-মা।