ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
এক স্থানে ডিলার পয়েন্ট, অন্য স্থানে গুদাম: পীরগঞ্জে সার কিনতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে কৃষকরা কেরানীগঞ্জে ৬০ পুরিয়া হেরোইনসহ শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেফতার সীমান্তে বিজিবির কঠোর অভিযান: উদ্ধার ৫ হাজার পিস ভারতীয় ইলেকট্রিক রেজিস্টর যুব উন্নয়ন ও মানবিক সেবায় পূর্বধলায় স্বর্ণ সুধা যুব উন্নয়ন সমিতি ময়মনসিংহের গৌরীপুরে গুজিখার কেরামতিয়া মসজিদের উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জশনে জুলুস ও আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত নেপালে ত্রাণ-উদ্ধার কার্যক্রমে সহায়তার জন্য প্রস্তুত বাংলাদেশ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশায় বিশ্ববাজারে ফের কমল জ্বালানি তেলের দাম আজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় স্কুলশিক্ষার্থী অন্তঃসত্ত্বা, বিএনপি নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলা
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

​পাহাড়ধসে ৫ জনের মৃত্যু, নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের ৩ জন

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:১৬:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ৬৩ বার পড়া হয়েছে

বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগরে পাহাড়ধসের ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনসহ মোট ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একটি পরিবারের স্বামী-স্ত্রী ও তাদের পাঁচ বছরের সন্তান এবং অন্য পরিবারের স্বামী-স্ত্রী রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার ( ৯ জুলাই) সকালে জেলার পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার সংবাদ মাধ্যমকে এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, লামার একই এলাকায় পৃথক দুই ঘটনায় নিহত হয়েছে শিশুসহ ৫জন। মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

পুলিশ জানায়, প্রথম ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার ভোর আনুমানিক চারটার দিকে লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়া (পাগলির ঝিরি) এলাকায়। ওই সময় পাহাড়ধসে মাটির নিচে চাপা পড়ে নিজ বসতঘরে ঘুমিয়ে থাকা একই পরিবারের তিন সদস্য নিহত হন।

স্থানীয় বাসিন্দারা শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যদের সহায়তায় তিনজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্র জানায়, এর প্রায় দেড় ঘণ্টা পর, ভোর আনুমানিক ৫টা ৪০ মিনিটে একই ইউনিয়নের মিশনপাড়া এলাকায় আরেকটি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এতে মাটি ও ঘরের দেয়ালের নিচে চাপা পড়ে স্বামী-স্ত্রী মো. জুয়েল (৩৪) ও কুলছুমা আক্তার (২৫) নিহত হন। তাঁরা একতলা পাকা ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন।

স্থানীয় লোকজন, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা তাদের মরদেহ উদ্ধার করেন।

দুই ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ উদ্ধারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জেলা পুলিশের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি আরও বেড়েছে। পাশাপাশি নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়া, জনজীবন ও সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার কিছু বাসিন্দা এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনাগ্রহী। তাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে প্রশাসনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে লামা উপজেলার সার্বিক পরিস্থিতির ওপর গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতির পরিবর্তন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে টানা বর্ষণের মধ্যে পাহাড়ের পাদদেশ ও ঝুঁকিপূর্ণ ঢালে বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এক স্থানে ডিলার পয়েন্ট, অন্য স্থানে গুদাম: পীরগঞ্জে সার কিনতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে কৃষকরা

​পাহাড়ধসে ৫ জনের মৃত্যু, নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের ৩ জন

আপডেট সময় ১২:১৬:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

বান্দরবানের লামা উপজেলার আজিজনগরে পাহাড়ধসের ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনসহ মোট ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একটি পরিবারের স্বামী-স্ত্রী ও তাদের পাঁচ বছরের সন্তান এবং অন্য পরিবারের স্বামী-স্ত্রী রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার ( ৯ জুলাই) সকালে জেলার পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার সংবাদ মাধ্যমকে এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, লামার একই এলাকায় পৃথক দুই ঘটনায় নিহত হয়েছে শিশুসহ ৫জন। মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

পুলিশ জানায়, প্রথম ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার ভোর আনুমানিক চারটার দিকে লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়া (পাগলির ঝিরি) এলাকায়। ওই সময় পাহাড়ধসে মাটির নিচে চাপা পড়ে নিজ বসতঘরে ঘুমিয়ে থাকা একই পরিবারের তিন সদস্য নিহত হন।

স্থানীয় বাসিন্দারা শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যদের সহায়তায় তিনজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্র জানায়, এর প্রায় দেড় ঘণ্টা পর, ভোর আনুমানিক ৫টা ৪০ মিনিটে একই ইউনিয়নের মিশনপাড়া এলাকায় আরেকটি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। এতে মাটি ও ঘরের দেয়ালের নিচে চাপা পড়ে স্বামী-স্ত্রী মো. জুয়েল (৩৪) ও কুলছুমা আক্তার (২৫) নিহত হন। তাঁরা একতলা পাকা ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন।

স্থানীয় লোকজন, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা তাদের মরদেহ উদ্ধার করেন।

দুই ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ উদ্ধারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জেলা পুলিশের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি আরও বেড়েছে। পাশাপাশি নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়া, জনজীবন ও সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার কিছু বাসিন্দা এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনাগ্রহী। তাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে প্রশাসনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে লামা উপজেলার সার্বিক পরিস্থিতির ওপর গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতির পরিবর্তন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে টানা বর্ষণের মধ্যে পাহাড়ের পাদদেশ ও ঝুঁকিপূর্ণ ঢালে বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।