ময়মনসিংহ , শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মেডিকেল শিক্ষার্থীদের দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটির দাবি, যা : প্রধানমন্ত্রী ময়মনসিংহের গৌরীপুরে পাগলা কুকুরের তাণ্ডব, ১০-১২ জন আহত; জনমনে আতঙ্ক পূর্বধলায় এসিড নিক্ষেপ মামলার প্রধান আসামি সাগর গ্রেফতার পূর্বধলায় হাসপাতাল থেকে দালাল চক্রের ৩ সদস্য আটক, জরিমানা ও ৫ নারীর মুচলেকা ঢামেকের ৮০ বছর পূর্তি: শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সেলফি তুললেন প্রধানমন্ত্রী ইরানকে চিরতরে নিশ্চিহ্ন করার হুমকি দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ৩ কোটির অবৈধ লেনদেন, ধরা পড়ল মাগুরার অনলাইন জুয়াড়ি জ্বালানি সংকটে বিপর্যস্ত কিউবা: ভেঙে পড়েছে জাতীয় বিদ্যুৎ অবকাঠামো ব্রাজিল সমর্থকদের কাছে ভিনিসিউসের ক্ষমা প্রার্থনা ট্রেনে যাত্রীবেশে ভয়ংকর ছিনতাই: ১১ নারী সদস্য গ্রেপ্তার
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

পূর্বধলায় হাসপাতাল থেকে দালাল চক্রের ৩ সদস্য আটক, জরিমানা ও ৫ নারীর মুচলেকা

​নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের (মোবাইল কোর্ট) এই অভিযানে চক্রের তিন সদস্যকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া একই অভিযানে আটক হওয়া পাঁচ নারীকে ভবিষ্যতে দালালি না করার শর্তে মুচলেকা নিয়ে মুক্তি দেওয়া হয়।

গত ​বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ অভিযান পরিচালনা করেন পূর্বধলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)মোঃ শফিকুল ইসলাম।

অভিযান পরিচালনাকালে আরও উপস্থিত ছিলেন
​পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন
​উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহমুদুল হাসান মামুন
​আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. বিশ্বপ্রিয় মজুমদার এবং পুলিশ প্রশাসনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
​আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযানে আটক নাছির উদ্দীন (২৫), জুবায়ের (৩০) ও মিদুল (২৫) নিজেদের দোষ স্বীকার করায় প্রত্যেককে ৫০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাদের সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
​অন্যদিকে, আটক হওয়া ছাবিনা (৩৫), মোমেনা (৪০), ফাতেমা খাতুন (৬০), রেনু (৪০) ও রেজিয়া (৪৫) ভবিষ্যতে হাসপাতাল এলাকায় কোনো ধরনের দালালি কার্যক্রমে জড়িত হবেন না এই মর্মে লিখিত মুচলেকা দিলে তাদের সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়।
​উপজেলা প্রশাসনের বক্তব্য:
সাধারণ রোগীদের হয়রানি বন্ধ করা ও দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য দূর করে হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম স্বচ্ছ রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল এলাকা সম্পূর্ণ দালালমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসনের এমন অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মেডিকেল শিক্ষার্থীদের দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটির দাবি, যা : প্রধানমন্ত্রী

পূর্বধলায় হাসপাতাল থেকে দালাল চক্রের ৩ সদস্য আটক, জরিমানা ও ৫ নারীর মুচলেকা

আপডেট সময় ০৩:০৪:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

​নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের (মোবাইল কোর্ট) এই অভিযানে চক্রের তিন সদস্যকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং জরিমানা অনাদায়ে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া একই অভিযানে আটক হওয়া পাঁচ নারীকে ভবিষ্যতে দালালি না করার শর্তে মুচলেকা নিয়ে মুক্তি দেওয়া হয়।

গত ​বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ অভিযান পরিচালনা করেন পূর্বধলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)মোঃ শফিকুল ইসলাম।

অভিযান পরিচালনাকালে আরও উপস্থিত ছিলেন
​পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন
​উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহমুদুল হাসান মামুন
​আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. বিশ্বপ্রিয় মজুমদার এবং পুলিশ প্রশাসনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
​আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযানে আটক নাছির উদ্দীন (২৫), জুবায়ের (৩০) ও মিদুল (২৫) নিজেদের দোষ স্বীকার করায় প্রত্যেককে ৫০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাদের সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
​অন্যদিকে, আটক হওয়া ছাবিনা (৩৫), মোমেনা (৪০), ফাতেমা খাতুন (৬০), রেনু (৪০) ও রেজিয়া (৪৫) ভবিষ্যতে হাসপাতাল এলাকায় কোনো ধরনের দালালি কার্যক্রমে জড়িত হবেন না এই মর্মে লিখিত মুচলেকা দিলে তাদের সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়।
​উপজেলা প্রশাসনের বক্তব্য:
সাধারণ রোগীদের হয়রানি বন্ধ করা ও দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য দূর করে হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম স্বচ্ছ রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল এলাকা সম্পূর্ণ দালালমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসনের এমন অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।