ময়মনসিংহ , শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শেরপুরে ২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: মূলহোতা ওষুধ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার রাজশাহী সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মদ জব্দ ময়মনসিংহের গৌরীপুরে, ভ্যাকসিন সায়েন্টিস্ট বদরুজ্জামানকে সংবর্ধনা দিল গৌরীপুর প্রেসক্লাব নালিতাবাড়ী সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৬৯ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ চরখরিচা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের প্যাভিলিয়ন ভেঙে রড-ইট বিক্রির অভিযোগ আনসার-ভিডিপির সংস্কার ও অগ্রযাত্রার দুই বছর পূর্তি পূর্বধলায় স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক পরিচয়ে নিয়োগের অভিযোগ: বঞ্চিত প্রার্থীদের বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি গণভোটের রায় প্রতিষ্ঠিত হলে অলি আহমেদ রাষ্ট্রপতি হতেন বললেন জামায়াত রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ে ‘বিকল্প’ হিসেবে প্রচারণায় আমি বিব্রত-বিরক্ত জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত মুশফিক
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

শেরপুরে ২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: মূলহোতা ওষুধ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

শেরপুরে সাধারণ মানুষের প্রায় ২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতারক চক্রের মূলহোতা মো. মমিনুল ইসলাম হিমুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত মমিনুল পেশায় একজন ওষুধ ব্যবসায়ী। প্রায় ২০ থেকে ২৫ দিন আত্মগোপনে থাকার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

​ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওষুধ ব্যবসার আড়ালে মমিনুল ইসলাম হিমু বিভিন্ন ব্যক্তিকে ব্যবসায় বিনিয়োগ ও অংশীদারত্বের প্রস্তাব দিতেন। একই সঙ্গে আকর্ষণীয় লভ্যাংশ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শেরপুরের বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। হিমুর দেওয়া প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করে অনেকে নিজেদের সঞ্চয় ও মূলধন তার কাছে বিনিয়োগ করেন।

​অভিযোগ রয়েছে, এভাবে প্রায় ২ কোটি টাকা সংগ্রহের পর হঠাৎ আত্মগোপনে চলে যান মমিনুল। পাওনা টাকা ফেরত না পেয়ে এবং তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে না পেরে ভুক্তভোগীরা আইনগত ব্যবস্থা নেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠায়।

​পুলিশের একটি সূত্র জানায়, অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থের প্রকৃত পরিমাণ, অর্থ কোথায় সরানো হয়েছে এবং এ ঘটনায় অন্য কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

​এদিকে, প্রতারণার শিকার ব্যক্তিরা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি আত্মসাৎকৃত অর্থ দ্রুত উদ্ধার করে ফেরত পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তবে বিষয়টি আদালত ও পুলিশের তদন্তাধীন থাকায় অভিযোগের চূড়ান্ত সততা বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে ২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: মূলহোতা ওষুধ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

শেরপুরে ২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: মূলহোতা ওষুধ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ১১:৩১:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

শেরপুরে সাধারণ মানুষের প্রায় ২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতারক চক্রের মূলহোতা মো. মমিনুল ইসলাম হিমুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত মমিনুল পেশায় একজন ওষুধ ব্যবসায়ী। প্রায় ২০ থেকে ২৫ দিন আত্মগোপনে থাকার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

​ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওষুধ ব্যবসার আড়ালে মমিনুল ইসলাম হিমু বিভিন্ন ব্যক্তিকে ব্যবসায় বিনিয়োগ ও অংশীদারত্বের প্রস্তাব দিতেন। একই সঙ্গে আকর্ষণীয় লভ্যাংশ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শেরপুরের বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। হিমুর দেওয়া প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করে অনেকে নিজেদের সঞ্চয় ও মূলধন তার কাছে বিনিয়োগ করেন।

​অভিযোগ রয়েছে, এভাবে প্রায় ২ কোটি টাকা সংগ্রহের পর হঠাৎ আত্মগোপনে চলে যান মমিনুল। পাওনা টাকা ফেরত না পেয়ে এবং তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে না পেরে ভুক্তভোগীরা আইনগত ব্যবস্থা নেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠায়।

​পুলিশের একটি সূত্র জানায়, অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থের প্রকৃত পরিমাণ, অর্থ কোথায় সরানো হয়েছে এবং এ ঘটনায় অন্য কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

​এদিকে, প্রতারণার শিকার ব্যক্তিরা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি আত্মসাৎকৃত অর্থ দ্রুত উদ্ধার করে ফেরত পাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তবে বিষয়টি আদালত ও পুলিশের তদন্তাধীন থাকায় অভিযোগের চূড়ান্ত সততা বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।