ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‎ত্রিশালে ডোবা থেকে বৃদ্ধের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার, হত্যাকাণ্ডের আশঙ্কা ‎ নারীদের যাতায়াত সহজ করতে ১৪ রুটে চলবে মহিলা বাস সার্ভিস এনবিআর ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হচ্ছে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী খেলাধুলার মাধ্যমেই নতুন নেতৃত্ব তৈরি হবে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ‎ ‎ত্রিশাল বাজারে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস’ লেনদেন ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে জেলা পুলিশের বিশেষ কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছে সরকার জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মাছের ড্রামে মিলল ১ লাখ ৪০ হাজার ইয়াবা, পাচারকারীরা পলাতক শেরপুরের নকলা পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর (কমিশনার) ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ পূর্বধলায় সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে বাসের নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

অবসর ভাতা ও কল্যাণ সুবিধা প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ সুবিধা প্রদান কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। গত (১৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখে) প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই বৈপ্লবিক কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, এমপি। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের ৬৪টি জেলা সরাসরি যুক্ত হয়ে এই আয়োজনে অংশ নেয়।

​ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের ধারাবাহিকতায় নেত্রকোণা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রান্ত থেকে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুক্ত হয় নেত্রকোণা জেলা। নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট  খন্দকার মুশফিকুর রহমানের সঞ্চালনায় জেলা প্রান্তের অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়।

​উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোণা-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য, রফিকুল ইসলাম হিলালী, নেত্রকোণা জেলা পরিষদের প্রশাসক (অ্যাডভোকেট)  মো: নুরুজ্জামান এবং নেত্রকোণা জেলার পুলিশ সুপার  মো: তরিকুল ইসলাম।

​অনুষ্ঠানের মূল প্রাণ—অবসর ভাতা ও কল্যাণ সুবিধার উপকারভোগী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ স্বশরীরে উপস্থিত থেকে কর্মসূচীকে সাফল্যমণ্ডিত ও পূর্ণতা দান করেন।
​দীর্ঘ ও গৌরবোজ্জ্বল কর্মজীবনের স্বীকৃতিস্বরূপ শিক্ষক-কর্মচারীদের এই প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা প্রদান কর্মসূচীকে শিক্ষকসমাজের প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্বশীলতা ও সম্মানের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। উপস্থিত বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই সময়োপযোগী উদ্যোগ অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ভবিষ্যৎ জীবনযাত্রায় কাঙ্ক্ষিত স্বস্তি, আর্থিক নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য বয়ে আনবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎ত্রিশালে ডোবা থেকে বৃদ্ধের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার, হত্যাকাণ্ডের আশঙ্কা ‎

অবসর ভাতা ও কল্যাণ সুবিধা প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট সময় ১২:২৮:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ সুবিধা প্রদান কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। গত (১৫ আগস্ট ২০২৬ তারিখে) প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই বৈপ্লবিক কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, এমপি। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের ৬৪টি জেলা সরাসরি যুক্ত হয়ে এই আয়োজনে অংশ নেয়।

​ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের ধারাবাহিকতায় নেত্রকোণা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রান্ত থেকে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুক্ত হয় নেত্রকোণা জেলা। নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট  খন্দকার মুশফিকুর রহমানের সঞ্চালনায় জেলা প্রান্তের অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়।

​উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোণা-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য, রফিকুল ইসলাম হিলালী, নেত্রকোণা জেলা পরিষদের প্রশাসক (অ্যাডভোকেট)  মো: নুরুজ্জামান এবং নেত্রকোণা জেলার পুলিশ সুপার  মো: তরিকুল ইসলাম।

​অনুষ্ঠানের মূল প্রাণ—অবসর ভাতা ও কল্যাণ সুবিধার উপকারভোগী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ স্বশরীরে উপস্থিত থেকে কর্মসূচীকে সাফল্যমণ্ডিত ও পূর্ণতা দান করেন।
​দীর্ঘ ও গৌরবোজ্জ্বল কর্মজীবনের স্বীকৃতিস্বরূপ শিক্ষক-কর্মচারীদের এই প্রাপ্য আর্থিক সুবিধা প্রদান কর্মসূচীকে শিক্ষকসমাজের প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্বশীলতা ও সম্মানের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। উপস্থিত বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই সময়োপযোগী উদ্যোগ অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ভবিষ্যৎ জীবনযাত্রায় কাঙ্ক্ষিত স্বস্তি, আর্থিক নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য বয়ে আনবে।