ব্রহ্মপুত্রের প্রেয়সি কাঁচামাটিয়া।প্রায় ২০ নটিকেল আঁকাবাকা নদীপথ ।দু পাশে প্রতিবেশি গ্রাম।গ্রামের মাঝে নদী।কাচামাটিয়া এখন নীরব,জমাট কচুরিপানায় ভরা সবুজ নদী।ধীরগতির অলস স্রোত। গৌরীপুরের অনন্তগঞ্জ থেকে বের হয়ে ভাংনামারি, ডৌহাখলা,তারুন্দিয়া, ঈশ্বরগঞ্জের বুক চিরে সোহাগী, আঠারবাড়ির পাশ দিয়ে নান্দাইলে গিয়ে সম্ভবত হারিয়ে গেছে কাঁচামাটিয়া।হয়তো বলা যায়, সে নদীর শেষ নেই, অসমাপ্ত নদী।
নদীর নাম কাচামাটিয়া। নামটি রোমাঞ্চকর। নদীর বৈশিষ্ট্য এর মাটি কালো। বিরল কালোমাটির কাঁচামাটিয়া।তবে ঈশ্বরগঞ্জের নদীর মাটি কেন কালো সে এক অনন্ত জিজ্ঞাসা!এই নদী সভ্যতার সমান্তরাল সংস্কৃতির অংশ। এই নদীর পারে কবি আব্দুল হাই মাশরিকির কবর।জীবন সংস্কৃতিতে এই নদীর প্রভাব বিমুর্ত। কালো মাটিয়া আসলে খনিজ সম্পদ।
ঐতিহ্য বাহী কাচামাটিয়া অববাহিকায় জনগণের অগ্রযাএায় প্রয়োজন পরিকল্পিত উন্নয়ন।ইতিহাস ঐতিহ্য থেকে হারিয়ে গেছে কাচামাটিয়া নদী। ইতিমধ্যে ইশ্বরগন্জে কাঁচামাটিয়া নদী রক্ষার বি এফ জীর মানববন্ধন ও স্মারক লিপি প্রদান করা হয়েছে ময়মনসিংহ জেলা প্রাশাসক বারাবরে।
ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বুক চিরে প্রবাহিত গ্রামীণ নদী। জমাট কচুরিপানা ভরা নদী ঈশ্বরগঞ্জের ভূখণ্ডে এই নদী সভ্যতার সমস্তবাল সাংস্কৃতির অংশ। জীবন সংস্কৃতিতে এই নদীর প্রভাব বিমুত।বিরল কালো মাটির কাঁচামাটিয়া। কালো মাটি আসলে খনিজ সম্পদ। অতীতে এটি রহস্য কালক্রমে নদীর তীরের কৃষওবর্ম মৃওিকার পাড়ে এখন বিবতন দৃশ্যমান। দূর অতীতে এই নদীকে ঘিরেই ঈশ্বরগঞ্জের গন্জ হয়ে উঠা।ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে নদী পথের অতীতে অনবদ্য অধ্যায়।
বড় বড় পাল তুলা নৌকা চলা নদীটি,বেদে বহরের নৌকায় লোকায়ত বাংলার আবহে নদীটি ঈশ্বরগঞ্জের ঐতিহ্যের ইতিহাসের ধারক। ঈশ্বরগঞ্জের ফ্রেশক্লাব ও সাংবাদিক সমাজের লিখনিতে ঈশ্বরগঞ্জের আদি ইতিহাস সংস্কৃতি ঐতিহ্য বেরিয়ে আসবে কাঁচা মাটিয়ার মানুষ দৃশ্যপট। চলবে,

আনোয়ারুল কাদির 


















