ময়মনসিংহ , বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নেত্রকোনা সদর সিংহের বাংলা ইউনিয়ন’র চেয়ারম্যান প্রার্থী বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোখলেছুর রহমান খসরু পুলিশের বড় সাফল্য: চট্টগ্রামের তালিকাভুক্ত অপরাধী ডেভিড ইমন আটক শিল্প কারখানার গ্যাস সংকট শিগগিরই কাটবে: ব্যবসায়ীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বড় আশ্বাস ইসিকে স্বাধীনভাবে চোখ কান খুলে দায়িত্ব পালন করতে বলেছি বলেছেন গোলাম পরওয়ার নেত্রকোণায় জেলা প্রশাসকের গণশুনানি অনুষ্ঠিত পূর্বধলায় “জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬” উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত চিকিৎসকের বরাত দিয়ে সার্জিসের হৃদয়বিদারক তথ্য: চিরতরে হারিয়ে গেছে আলিফের চোখের দৃষ্টি! রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা: গুঞ্জনের কেন্দ্রে কেন মির্জা ফখরুল? ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন সুপ্রিম কোর্টের বড় আপডেট: নির্দিষ্ট মামলা ছাড়া শ্যোন অ্যারেস্ট সংক্রান্ত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

গ্যাসগ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মদনপুর-চানপুর এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট ভয়াবহ বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের চার সদস্য চিকিৎসাধীন অবস্থায় একে একে মৃত্যুবরণ করেছেন। মর্মান্তিক এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহতরা হলেন— পরিবারের কর্তা আব্দুল মান্নান (মান্নান মিয়া) (৪৫), তার স্ত্রী সুলতানা বেগম (৩৫), ছেলে সিয়াম (১৯) এবং মেয়ে আফসানা আক্তার মিম (১১)।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিস্ফোরণের ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ হয়ে তারা ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুলতানা বেগম গত ১৩ জুন, আব্দুল মান্নান ১৫ জুন, সিয়াম ১৫ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে এবং সর্বশেষ আফসানা আক্তার মিম সোমবার (১৫ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে মৃত্যুবরণ করেন।

নিহতদের বাড়ি নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার জারিয়া ইউনিয়নের দলদলা গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মান্নান তিন ভাইয়ের মধ্যে তৃতীয় ছিলেন। জীবিকার তাগিদে প্রায় ১০ বছর আগে তিনি ঢাকায় গিয়ে কাঁচামালের ব্যবসা শুরু করেন। তার স্ত্রী সুলতানা বেগম একটি গার্মেন্টস কারখানায় কর্মরত ছিলেন।

তাদের ছেলে সিয়াম চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। আর মেয়ে আফসানা আক্তার মিম স্থানীয় একটি মহিলা মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পারিবারিক সূত্রে আরও জানা যায়, আব্দুল মান্নানের নিজস্ব সম্পদ বলতে গ্রামে প্রায় ৩২ শতাংশ জমি ছিল।

একই পরিবারের চার সদস্যের এমন করুণ মৃত্যুতে স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোনা সদর সিংহের বাংলা ইউনিয়ন’র চেয়ারম্যান প্রার্থী বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোখলেছুর রহমান খসরু

গ্যাসগ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় ১২:৪৯:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মদনপুর-চানপুর এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট ভয়াবহ বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের চার সদস্য চিকিৎসাধীন অবস্থায় একে একে মৃত্যুবরণ করেছেন। মর্মান্তিক এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহতরা হলেন— পরিবারের কর্তা আব্দুল মান্নান (মান্নান মিয়া) (৪৫), তার স্ত্রী সুলতানা বেগম (৩৫), ছেলে সিয়াম (১৯) এবং মেয়ে আফসানা আক্তার মিম (১১)।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিস্ফোরণের ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ হয়ে তারা ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুলতানা বেগম গত ১৩ জুন, আব্দুল মান্নান ১৫ জুন, সিয়াম ১৫ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে এবং সর্বশেষ আফসানা আক্তার মিম সোমবার (১৫ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে মৃত্যুবরণ করেন।

নিহতদের বাড়ি নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার জারিয়া ইউনিয়নের দলদলা গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মান্নান তিন ভাইয়ের মধ্যে তৃতীয় ছিলেন। জীবিকার তাগিদে প্রায় ১০ বছর আগে তিনি ঢাকায় গিয়ে কাঁচামালের ব্যবসা শুরু করেন। তার স্ত্রী সুলতানা বেগম একটি গার্মেন্টস কারখানায় কর্মরত ছিলেন।

তাদের ছেলে সিয়াম চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। আর মেয়ে আফসানা আক্তার মিম স্থানীয় একটি মহিলা মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পারিবারিক সূত্রে আরও জানা যায়, আব্দুল মান্নানের নিজস্ব সম্পদ বলতে গ্রামে প্রায় ৩২ শতাংশ জমি ছিল।

একই পরিবারের চার সদস্যের এমন করুণ মৃত্যুতে স্বজন, প্রতিবেশী ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে।