ময়মনসিংহ , শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

জারা রহিম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মামদানির ট্রানজিশন দলে যুক্ত হলেন

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:০৯:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে

নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি তার দায়িত্ব গ্রহণের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সম্পূর্ণ নারী সদস্যদের নিয়ে একটি ট্রানজিশন টিম গঠন করেছেন, যেখানে যুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যোগাযোগ কৌশলবিদ জারা রহিম। দলটি আগামী ১ জানুয়ারি ২০২৬ মামদানির প্রশাসন ক্ষমতা গ্রহণের জন্য নীতিগত নির্দেশনা ও কার্যপরিকল্পনা নির্ধারণে সহায়তা করবে।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি ২০২৫ থেকে মামদানির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জারা রহিম। তিনি মায়া হান্ডা, তাসচা ভ্যান আউকেন এবং ফাইজা আলীর মতো অভিজ্ঞ নারীদের সঙ্গে ট্রানজিশন টিমে যোগ দিয়েছেন। এদের সবাই মামদানির ঐতিহাসিক বিজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাতের নির্বাচনে ব্যাপক ব্যবধানে জয়লাভের পর মামদানির এই নারী নেতৃত্বকেন্দ্রিক টিম গঠনের সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যোগাযোগ কৌশলবিদ জারা রহিম। ছবি: ডেইলি ফ্রন্ট রো

জারা রহিম দক্ষিণ ফ্লোরিডায় বেড়ে ওঠা প্রথম প্রজন্মের আমেরিকান। তার বাবা-মা আশির দশকের শুরুতে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। পেশাগত জীবনে রহিমের অভিজ্ঞতা বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময়। মামদানির নির্বাচনী প্রচারণায় যুক্ত হওয়ার আগে তিনি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের অধীনে ‘গ্রামীণ সেন্টার ফর সোশ্যাল বিজনেস’-এ কাজ করেছেন।বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যোগাযোগ কৌশলবিদ জারা রহিম। ছবি: এক্স

এছাড়া জারা রহিম ২০১৬ সালে হিলারি ক্লিনটনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারণায়ও যুক্ত ছিলেন, যেখানে তার ডিজিটাল যোগাযোগ ও কৌশলগত পরিকল্পনার দক্ষতা ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছিল।বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যোগাযোগ কৌশলবিদ জারা রহিম। ছবি: ফেসবুক

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নিউইয়র্ক সিটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ নারী নেতৃত্বে গঠিত ট্রানজিশন টিমে রহিমের অন্তর্ভুক্তি কেবল বৈচিত্র্যের প্রতীক নয়, বরং দক্ষিণ এশীয় অভিবাসী সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক অগ্রযাত্রার এক নতুন অধ্যায় সূচনা করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জারা রহিম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মামদানির ট্রানজিশন দলে যুক্ত হলেন

আপডেট সময় ০৯:০৯:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি তার দায়িত্ব গ্রহণের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সম্পূর্ণ নারী সদস্যদের নিয়ে একটি ট্রানজিশন টিম গঠন করেছেন, যেখানে যুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যোগাযোগ কৌশলবিদ জারা রহিম। দলটি আগামী ১ জানুয়ারি ২০২৬ মামদানির প্রশাসন ক্ষমতা গ্রহণের জন্য নীতিগত নির্দেশনা ও কার্যপরিকল্পনা নির্ধারণে সহায়তা করবে।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি ২০২৫ থেকে মামদানির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জারা রহিম। তিনি মায়া হান্ডা, তাসচা ভ্যান আউকেন এবং ফাইজা আলীর মতো অভিজ্ঞ নারীদের সঙ্গে ট্রানজিশন টিমে যোগ দিয়েছেন। এদের সবাই মামদানির ঐতিহাসিক বিজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাতের নির্বাচনে ব্যাপক ব্যবধানে জয়লাভের পর মামদানির এই নারী নেতৃত্বকেন্দ্রিক টিম গঠনের সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যোগাযোগ কৌশলবিদ জারা রহিম। ছবি: ডেইলি ফ্রন্ট রো

জারা রহিম দক্ষিণ ফ্লোরিডায় বেড়ে ওঠা প্রথম প্রজন্মের আমেরিকান। তার বাবা-মা আশির দশকের শুরুতে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। পেশাগত জীবনে রহিমের অভিজ্ঞতা বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময়। মামদানির নির্বাচনী প্রচারণায় যুক্ত হওয়ার আগে তিনি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের অধীনে ‘গ্রামীণ সেন্টার ফর সোশ্যাল বিজনেস’-এ কাজ করেছেন।বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যোগাযোগ কৌশলবিদ জারা রহিম। ছবি: এক্স

এছাড়া জারা রহিম ২০১৬ সালে হিলারি ক্লিনটনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারণায়ও যুক্ত ছিলেন, যেখানে তার ডিজিটাল যোগাযোগ ও কৌশলগত পরিকল্পনার দক্ষতা ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছিল।বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যোগাযোগ কৌশলবিদ জারা রহিম। ছবি: ফেসবুক

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নিউইয়র্ক সিটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ নারী নেতৃত্বে গঠিত ট্রানজিশন টিমে রহিমের অন্তর্ভুক্তি কেবল বৈচিত্র্যের প্রতীক নয়, বরং দক্ষিণ এশীয় অভিবাসী সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক অগ্রযাত্রার এক নতুন অধ্যায় সূচনা করেছে।