ময়মনসিংহ , বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সূর্যগ্রহণের সময় করণীয়: মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহ ও বিশেষ আমলসমূহ নিষিদ্ধ হলেও ভারতীয়রা ভিপিএন ব্যবহার করে এখনো আমার গান শোনেন বললেন আতিফ আসলাম নেত্রকোণায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জনস্বার্থে জেলা প্রশাসনের বিশেষ মোবাইল কোর্ট অভিযান ট্রাফিক বিভাগের ৩১ পুলিশ সদস্যকে কেএমপি কমিশনারের পুরস্কার নেত্রকোণার শ্রেষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তা পূর্বধলার পুলিশ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান নেত্রকোণায় স্কাউটসের নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত: সমাজসেবা পুরস্কার পেলেন স্কাউট সদস্যরা ধোবাউড়ায় নিতাই নদীতে অবৈধ ড্রেজারের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান, বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর প্রশাসন ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হবে নতুন বাস্তবতায়, ১৭ বছরের ধারায় নয় বলেছেন তথ্য উপদেষ্টা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ছোট করার চেষ্টা করছে স্বাধীনতাবিরোধীরা বলে মন্তব্য করেছেন রিজভী বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী এখনো চূড়ান্ত হয়নি জানিয়েছেন চিফ হুইপ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্ব আগামী ১২ আগস্ট

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

রোমাঞ্চকর ক্ষণের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব। আগামী ১২ আগস্ট আকাশে দেখা যাবে এক বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণ। ২০২৪ সালের এপ্রিলের পর বিশ্বজুড়ে এটিই প্রথম পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, যা ১৯৯৯ সালের পর ইউরোপের মূল ভূখণ্ডে প্রথমবার দৃশ্যমান হবে। 

আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ২ মিনিট ১৮ সেকেন্ড পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে পূর্ণগ্রাসের এই চিত্র।

পূর্ণগ্রাসের পথ: প্রচ্ছায়া আর্কটিক অঞ্চল থেকে শুরু হয়ে পশ্চিম আইসল্যান্ড, উত্তর-পূর্ব পর্তুগাল এবং উত্তর স্পেন অতিক্রম করবে। স্পেনের লিওন, বুর্গোস, ভায়াদোলিদ, সানতান্দের, বিলবাও, জারাগোজা, ভ্যালেন্সিয়া ও পালমা শহর থেকে এই বিরল দৃশ্য সবচেয়ে ভালোভাবে দেখা যাবে।

বিশ্বব্যাপী দৃশ্যমানতা: ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় দেড় কোটি মানুষ পূর্ণগ্রাসের পথে অবস্থান করবেন, যাদের বেশিরভাগই স্পেনের বাসিন্দা। এ ছাড়া বিশ্বজুড়ে প্রায় ৯৮ কোটি মানুষ—অর্থাৎ প্রতি আটজনের একজনের বেশি—সূর্যের আংশিক বা পূর্ণ রূপ প্রত্যক্ষ করতে পারবেন।

চাঁদ যখন পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে সূর্যের আলো পুরোপুরি বা আংশিকভাবে ঢেকে দেয়, তখন সূর্যগ্রহণ ঘটে। চাঁদের ছায়া সূর্যের পুরো চাকতিকে ঢেকে ফেললে তাকে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ বলা হয়। সূর্যের ব্যাস চাঁদের চেয়ে প্রায় ৪০০ গুণ বড় হলেও এটি পৃথিবী থেকে চাঁদের তুলনায় প্রায় ৪০০ গুণ দূরে অবস্থিত। ফলে পৃথিবী থেকে দুটিকেই আকাশে প্রায় সমান আকারের মনে হয় এবং পূর্ণ সূর্যগ্রহণ সম্ভব হয়।

নাসার তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীতে প্রতি বছর দুই থেকে পাঁচটি সূর্যগ্রহণ (আংশিক, বলয়গ্রাস, পূর্ণগ্রাস ও সংকর) দেখা যায়। তবে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ তুলনামূলক বিরল; প্রতি এক শতকে গড়ে প্রায় ৬৬ বার বা দেড় বছর পরপর এটি ঘটে থাকে। মোট সূর্যগ্রহণের মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ আংশিক, এক-তৃতীয়াংশ বলয়গ্রাস, এক-চতুর্থাংশের কিছু বেশি পূর্ণগ্রাস এবং মাত্র ৫ শতাংশ সংকর ধরনের হয়ে থাকে।

বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত অঞ্চলে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাওয়ায় কোটি কোটি মানুষ এই মহাজাগতিক ঘটনাটি উপভোগ করার অপেক্ষায় রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সূর্যগ্রহণের সময় করণীয়: মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহ ও বিশেষ আমলসমূহ

বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্ব আগামী ১২ আগস্ট

আপডেট সময় ১১:০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

রোমাঞ্চকর ক্ষণের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব। আগামী ১২ আগস্ট আকাশে দেখা যাবে এক বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণ। ২০২৪ সালের এপ্রিলের পর বিশ্বজুড়ে এটিই প্রথম পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ, যা ১৯৯৯ সালের পর ইউরোপের মূল ভূখণ্ডে প্রথমবার দৃশ্যমান হবে। 

আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ২ মিনিট ১৮ সেকেন্ড পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে পূর্ণগ্রাসের এই চিত্র।

পূর্ণগ্রাসের পথ: প্রচ্ছায়া আর্কটিক অঞ্চল থেকে শুরু হয়ে পশ্চিম আইসল্যান্ড, উত্তর-পূর্ব পর্তুগাল এবং উত্তর স্পেন অতিক্রম করবে। স্পেনের লিওন, বুর্গোস, ভায়াদোলিদ, সানতান্দের, বিলবাও, জারাগোজা, ভ্যালেন্সিয়া ও পালমা শহর থেকে এই বিরল দৃশ্য সবচেয়ে ভালোভাবে দেখা যাবে।

বিশ্বব্যাপী দৃশ্যমানতা: ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় দেড় কোটি মানুষ পূর্ণগ্রাসের পথে অবস্থান করবেন, যাদের বেশিরভাগই স্পেনের বাসিন্দা। এ ছাড়া বিশ্বজুড়ে প্রায় ৯৮ কোটি মানুষ—অর্থাৎ প্রতি আটজনের একজনের বেশি—সূর্যের আংশিক বা পূর্ণ রূপ প্রত্যক্ষ করতে পারবেন।

চাঁদ যখন পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে সূর্যের আলো পুরোপুরি বা আংশিকভাবে ঢেকে দেয়, তখন সূর্যগ্রহণ ঘটে। চাঁদের ছায়া সূর্যের পুরো চাকতিকে ঢেকে ফেললে তাকে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ বলা হয়। সূর্যের ব্যাস চাঁদের চেয়ে প্রায় ৪০০ গুণ বড় হলেও এটি পৃথিবী থেকে চাঁদের তুলনায় প্রায় ৪০০ গুণ দূরে অবস্থিত। ফলে পৃথিবী থেকে দুটিকেই আকাশে প্রায় সমান আকারের মনে হয় এবং পূর্ণ সূর্যগ্রহণ সম্ভব হয়।

নাসার তথ্য অনুযায়ী, পৃথিবীতে প্রতি বছর দুই থেকে পাঁচটি সূর্যগ্রহণ (আংশিক, বলয়গ্রাস, পূর্ণগ্রাস ও সংকর) দেখা যায়। তবে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ তুলনামূলক বিরল; প্রতি এক শতকে গড়ে প্রায় ৬৬ বার বা দেড় বছর পরপর এটি ঘটে থাকে। মোট সূর্যগ্রহণের মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ আংশিক, এক-তৃতীয়াংশ বলয়গ্রাস, এক-চতুর্থাংশের কিছু বেশি পূর্ণগ্রাস এবং মাত্র ৫ শতাংশ সংকর ধরনের হয়ে থাকে।

বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত অঞ্চলে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাওয়ায় কোটি কোটি মানুষ এই মহাজাগতিক ঘটনাটি উপভোগ করার অপেক্ষায় রয়েছেন।