ময়মনসিংহ , সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাবেক রাষ্ট্রপতি লন্ডনে শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেছেন, এমন তথ্য নেই বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোনো এক সময় বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ফুটবল খেলবে জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জগন্নাথপুরে জাকজমকপূর্ণ নৌকা বাইচে জনস্রোত, সেমিফাইনাল শেষে স্থগিত ফাইনাল ঝালকাঠির বাসন্ডা বেইলি সেতু: ১০ বছর ধরে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’, জোড়াতালিতে চলছে দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ বাই সাইকেলে ঘুরে ক্রাচে ভর করে পত্রিকা বিলি করে পূর্বধলার কাশেম এইচএসসির স্থগিত পরীক্ষা: অংশ নিতে যা করতে হবে শিক্ষার্থীদের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির প্রথম কার্যদিবস আজ: শুরু হলো নতুন দায়িত্ব পালন অপেক্ষার অবসান? জেনে নিন কবে প্রকাশ হতে পারে এসএসসি ও সমমানের ফল বাংলাদেশিরা ভিসা ছাড়াই এশিয়ার যে ৬ দেশে ভ্রমণ করতে পারবেন পূর্বধলায় কালী মন্দিরের দুই কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত; সম্প্রীতি ও উন্নয়নের বার্তা
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

নেত্রকোনার পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়: স্মৃতির ক্যানভাসে আলোকপাত

ইটের পর ইট, পাথরের পর পাথর গেঁথে একটা দালান হয়তো তৈরি করা যায়, কিন্তু সেখানে ‘আবেগ’ ফুটিয়ে তুলতে প্রয়োজন হয় হাজারো প্রাণের স্পন্দন। নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ঠিক তেমনই এক আবেগের নাম। এটি কেবল একটি বিদ্যাপীঠ নয়, বরং হাজার হাজার শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকের স্মৃতি, জ্ঞান, গর্ব আর অফুরন্ত প্রত্যাশার এক জীবন্ত দলিল।

​স্মৃতির অ্যালবামে আলো-আঁধারের মেলা পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ ​বিদ্যালয়ের করিডোর, সবুজ চত্বর আর চেনা ক্লাসরুমগুলো যেন একেকটি স্মৃতির জাদুঘর। বেলাশেষে যখন আলো-আঁধারের মিলন মেলা বসে, তখন প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মনের অ্যালবামে ভেসে ওঠে ফেলে আসা দিনগুলো। টিফিনের ঘণ্টার সেই চিরচেনা শব্দ, বন্ধুদের সাথে খুনসুটি, আর শিক্ষকদের শাসন-স্নেহের মিশ্রণ—সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত নস্টালজিয়া গ্রাস করে এই চত্বরে পা রাখা প্রতিটি মানুষকে।

​কখনো আনন্দের আলো, কখনো বা বিদায়ের বিষাদ—এই দুইয়ের দোলাচলেই কেটেছে এবং কাটছে হাজারো তরুণের সোনালী কৈশোর।​অপেক্ষার ভোর, অপেক্ষার সকাল
​জীবনের তাগিদে মানুষ ছিটকে পড়ে পৃথিবীর নানা প্রান্তে, কিন্তু হৃদয়ের একটা বড় অংশ পড়ে থাকে এই পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি , পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের আঙিনায়। প্রতিটি নতুন ভোরের আলো এখানে নতুন সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে আসে। কখনো সেই সকালটা হয় উৎসবের, পাওয়ার আনন্দে সুন্দর; আবার কখনো কোনো প্রিয় মুখ হারানোর বেদনায় বা ব্যর্থতার

গ্লানিতে তা হয়ে ওঠে কিছুটা অসুন্দর।​”তবুও জীবন থেমে থাকে না। আলো-আঁধারের এই খেলায়, সুন্দর আর অসুন্দরের মাঝে সমন্বয় করেই জীবন চলে জীবনের নিজস্ব গতিতে।”
​ঐতিহ্যের আলো ছড়াচ্ছে যে বিদ্যাপীঠশত প্রতিকূলতার মাঝেও পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় তার গৌরবের ধারা বজায় রেখে চলেছে। এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশ-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন অসংখ্য গুণী মানুষ, যারা প্রতিনিয়ত সমৃদ্ধ করছেন সমাজ ও রাষ্ট্রকে।

​পুরনো স্মৃতিগুলোকে বুকে ধারণ করে এবং নতুন প্রজন্মের চোখে সাফল্যের স্বপ্ন বুনে দিয়ে এই বিদ্যাপীঠ দাঁড়িয়ে আছে স্বমহিমায়। দিন বদলায়, মানুষ বদলায়, কিন্তু এই চত্বরকে ঘিরে প্রাক্তন ও বর্তমানদের আবেগ রয়ে যায় একদম অপরিবর্তিত।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাবেক রাষ্ট্রপতি লন্ডনে শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেছেন, এমন তথ্য নেই বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নেত্রকোনার পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়: স্মৃতির ক্যানভাসে আলোকপাত

আপডেট সময় ১০:০৪:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

ইটের পর ইট, পাথরের পর পাথর গেঁথে একটা দালান হয়তো তৈরি করা যায়, কিন্তু সেখানে ‘আবেগ’ ফুটিয়ে তুলতে প্রয়োজন হয় হাজারো প্রাণের স্পন্দন। নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ঠিক তেমনই এক আবেগের নাম। এটি কেবল একটি বিদ্যাপীঠ নয়, বরং হাজার হাজার শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকের স্মৃতি, জ্ঞান, গর্ব আর অফুরন্ত প্রত্যাশার এক জীবন্ত দলিল।

​স্মৃতির অ্যালবামে আলো-আঁধারের মেলা পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ ​বিদ্যালয়ের করিডোর, সবুজ চত্বর আর চেনা ক্লাসরুমগুলো যেন একেকটি স্মৃতির জাদুঘর। বেলাশেষে যখন আলো-আঁধারের মিলন মেলা বসে, তখন প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মনের অ্যালবামে ভেসে ওঠে ফেলে আসা দিনগুলো। টিফিনের ঘণ্টার সেই চিরচেনা শব্দ, বন্ধুদের সাথে খুনসুটি, আর শিক্ষকদের শাসন-স্নেহের মিশ্রণ—সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত নস্টালজিয়া গ্রাস করে এই চত্বরে পা রাখা প্রতিটি মানুষকে।

​কখনো আনন্দের আলো, কখনো বা বিদায়ের বিষাদ—এই দুইয়ের দোলাচলেই কেটেছে এবং কাটছে হাজারো তরুণের সোনালী কৈশোর।​অপেক্ষার ভোর, অপেক্ষার সকাল
​জীবনের তাগিদে মানুষ ছিটকে পড়ে পৃথিবীর নানা প্রান্তে, কিন্তু হৃদয়ের একটা বড় অংশ পড়ে থাকে এই পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি , পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের আঙিনায়। প্রতিটি নতুন ভোরের আলো এখানে নতুন সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে আসে। কখনো সেই সকালটা হয় উৎসবের, পাওয়ার আনন্দে সুন্দর; আবার কখনো কোনো প্রিয় মুখ হারানোর বেদনায় বা ব্যর্থতার

গ্লানিতে তা হয়ে ওঠে কিছুটা অসুন্দর।​”তবুও জীবন থেমে থাকে না। আলো-আঁধারের এই খেলায়, সুন্দর আর অসুন্দরের মাঝে সমন্বয় করেই জীবন চলে জীবনের নিজস্ব গতিতে।”
​ঐতিহ্যের আলো ছড়াচ্ছে যে বিদ্যাপীঠশত প্রতিকূলতার মাঝেও পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় তার গৌরবের ধারা বজায় রেখে চলেছে। এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশ-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন অসংখ্য গুণী মানুষ, যারা প্রতিনিয়ত সমৃদ্ধ করছেন সমাজ ও রাষ্ট্রকে।

​পুরনো স্মৃতিগুলোকে বুকে ধারণ করে এবং নতুন প্রজন্মের চোখে সাফল্যের স্বপ্ন বুনে দিয়ে এই বিদ্যাপীঠ দাঁড়িয়ে আছে স্বমহিমায়। দিন বদলায়, মানুষ বদলায়, কিন্তু এই চত্বরকে ঘিরে প্রাক্তন ও বর্তমানদের আবেগ রয়ে যায় একদম অপরিবর্তিত।