ময়মনসিংহ , শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে সেমিনার অনুষ্ঠিত উখিয়া সীমান্তে ১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, পালিয়ে গেল ২ কারবারি যুক্তিবাদী সমাজ গড়ে উঠলে অপসংস্কৃতি, ধর্মান্ধতা ও কুসংস্কার দূর হবে বলেছেন এনডিএফ চেয়ারম্যান পূর্বধলায় সারাদেশের ন্যায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের শুভ উদ্বোধন নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলেছেন রিজভী আল্লাহর কাছে তো রেকর্ড হচ্ছেই, বান্দার কাছেও রেকর্ড হচ্ছে বললেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা দেশের সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত বহাল ডেঙ্গু সমস্যা সমাধানে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী লোহাগাড়ায় দুই হাজার পিস ইয়াবা ও আগ্নেয়াস্ত্রসহ দুইজন গ্রেফতার সুনামগঞ্জে শতাধিক শিশুকে সাঁতার প্রশিক্ষণ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ৪ কিশোর আটক নোয়াখালী

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের মারধরে মো. সেলিম (৫০) নামে এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। একইসঙ্গে এ  ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চার কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দাদপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গৌরিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

সুধারাম থানার ওসি মো. তৌহিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত মো. সেলিম ওই গ্রামের প্রয়াত মো. শাহজানের ছেলে। তিনি দাদপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড কৃষক দলের সভাপতি ছিলেন। বাড়ির পাশে তার দোকান আছে।

পরে গতকাল দুপুরে প্রথমে মোবাইলে অন্তরের সঙ্গে সেই কিশোরের বাকবিতণ্ডা হয়। এরপর এদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে ওই কিশোর আরও কয়েকজন কিশোরকে নিয়ে মো. সেলিমের বাড়ির সামনে এসে তার ছেলে অন্তরের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় অন্তরের বড় ভাই শাকিল এগিয়ে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

বাড়িতে এমন শোরগোল শুনে নিজের দোকান থেকে বের হয়ে ছেলেদের রক্ষা করতে এগিয়ে যান সেলিম। এ সময় কিশোররা তাকে ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর করে এবং মাথায় গুরুতর আঘাত করে। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন।

পরে দ্রুত ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বড় ছেলে শাকিল বলেন, পূর্ব বিরোধের জের ধরে কিশোর চক্রের সদস্যরা পরিকল্পিতভাবে আমাদের বাড়িতে হামলা চালায় এবং আমার বাবাকে পিটিয়ে হত্যা করে। আমরা এ নির্মম হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার চাই।

এ বিষয়ে দাদপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি মোহাম্মদ সেলিম বলেন, কৃষি কাজের পাশাপাশি বাড়ি পাশে দোকান করতেন সহজ সরল সেলিম। তিনি কৃষক দলের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ছিলেন। আমরা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছি।

নোয়াখালী জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব সদস্য সচিব জি এস আব্দুজ্জাহের হারুন এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানান। তিনি বলেন, আমরা নোয়াখালী জেলা কৃষক দল এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং অনতিবিলম্বে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের জোর দাবি জানাই।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে সেমিনার অনুষ্ঠিত

বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ৪ কিশোর আটক নোয়াখালী

আপডেট সময় ১০:৫৬:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের মারধরে মো. সেলিম (৫০) নামে এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। একইসঙ্গে এ  ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চার কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দাদপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গৌরিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

সুধারাম থানার ওসি মো. তৌহিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত মো. সেলিম ওই গ্রামের প্রয়াত মো. শাহজানের ছেলে। তিনি দাদপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড কৃষক দলের সভাপতি ছিলেন। বাড়ির পাশে তার দোকান আছে।

পরে গতকাল দুপুরে প্রথমে মোবাইলে অন্তরের সঙ্গে সেই কিশোরের বাকবিতণ্ডা হয়। এরপর এদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে ওই কিশোর আরও কয়েকজন কিশোরকে নিয়ে মো. সেলিমের বাড়ির সামনে এসে তার ছেলে অন্তরের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় অন্তরের বড় ভাই শাকিল এগিয়ে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

বাড়িতে এমন শোরগোল শুনে নিজের দোকান থেকে বের হয়ে ছেলেদের রক্ষা করতে এগিয়ে যান সেলিম। এ সময় কিশোররা তাকে ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর করে এবং মাথায় গুরুতর আঘাত করে। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন।

পরে দ্রুত ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বড় ছেলে শাকিল বলেন, পূর্ব বিরোধের জের ধরে কিশোর চক্রের সদস্যরা পরিকল্পিতভাবে আমাদের বাড়িতে হামলা চালায় এবং আমার বাবাকে পিটিয়ে হত্যা করে। আমরা এ নির্মম হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার চাই।

এ বিষয়ে দাদপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি মোহাম্মদ সেলিম বলেন, কৃষি কাজের পাশাপাশি বাড়ি পাশে দোকান করতেন সহজ সরল সেলিম। তিনি কৃষক দলের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ছিলেন। আমরা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছি।

নোয়াখালী জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব সদস্য সচিব জি এস আব্দুজ্জাহের হারুন এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানান। তিনি বলেন, আমরা নোয়াখালী জেলা কৃষক দল এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং অনতিবিলম্বে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের জোর দাবি জানাই।