ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিভাগীয় কমিশনার পরিদর্শন করলেন পাবনার আটঘরিয়া ভূমি অফিস আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম দেশের বাজারে যতবার ইচ্ছা হবে, যখন ইচ্ছা হবে, আমি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্যালুট জানাবো বললেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক পানির পাইপলাইনে বিষ প্রয়োগ ‘সাবভার্সিভ অ্যাক্টিভিটিজ’বলে মন্তব্য করেছেন এসপি মাসুদ শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড মামলা: ট্রাইব্যুনালে আজ অভিযোগ দাখিল চূড়ান্ত অনুমোদনের পথে নবম পে-স্কেল: শিগগিরই কার্যকরের জোরালো প্রস্তুতি মদনে ভুয়া বায়া দলিলে জমি রেজিস্ট্রি করার অভিযোগ: দলিল লেখক রহিছ মিয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিশ কেন্দুয়ায় নতুন ইউএনও সানজিদা চৌধুরী রংপুর প্রাণিসম্পদ অফিসে কী ঘটছে এসব?
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

বেতন ২ গ্রেড বাড়ানোর প্রস্তাব প্রাথমিক শিক্ষকদের , ব্যয় বাড়বে ৮৩২ কোটি

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৬০ বার পড়া হয়েছে

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন দুই ধাপ বাড়িয়ে ১১তম গ্রেডে উন্নীত করার প্রস্তাব প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো হয়েছে। এই প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে বছরে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হবে প্রায় ৮৩১ কোটি ৯১ লাখ টাকা। 

সম্প্রতি মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, গত ৪ নভেম্বর এই প্রস্তাবটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে লিখিতভাবে পাঠানো হয়। এর আগে একই প্রস্তাব অর্থ বিভাগেও পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে সহকারী শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডে বেতন পান; নতুন কাঠামোয় তারা ১১তম গ্রেডে উন্নীত হলে প্রত্যেকের বেতন গড়ে কয়েক হাজার টাকা করে বাড়বে।

প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের কাজের পরিমাণ ও গুণগত মান আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। পাশাপাশি প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১০ম গ্রেডে উন্নীত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সম্মতি থাকায় সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেডে উন্নীত করা যৌক্তিক।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি ও পেশাগত মর্যাদা বিবেচনায় নিয়েই এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবং এখন অর্থ বিভাগ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অনুমোদনের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ৬৫ হাজার ৫৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ ৮৪ হাজার। এই কর্মবিরতির কারণে দ্বিতীয় দিনেও এসব বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল সরকার প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১১তম থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করে এবং ১৩তম গ্রেডের শিক্ষকদের ১২তম গ্রেডে উন্নীত করার উদ্যোগ নেয়। তবে এতে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে সহকারী শিক্ষকরা আবারও আন্দোলনে নেমেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিভাগীয় কমিশনার পরিদর্শন করলেন পাবনার আটঘরিয়া ভূমি অফিস

বেতন ২ গ্রেড বাড়ানোর প্রস্তাব প্রাথমিক শিক্ষকদের , ব্যয় বাড়বে ৮৩২ কোটি

আপডেট সময় ১০:০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন দুই ধাপ বাড়িয়ে ১১তম গ্রেডে উন্নীত করার প্রস্তাব প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো হয়েছে। এই প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে বছরে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হবে প্রায় ৮৩১ কোটি ৯১ লাখ টাকা। 

সম্প্রতি মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, গত ৪ নভেম্বর এই প্রস্তাবটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে লিখিতভাবে পাঠানো হয়। এর আগে একই প্রস্তাব অর্থ বিভাগেও পাঠানো হয়েছিল। বর্তমানে সহকারী শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডে বেতন পান; নতুন কাঠামোয় তারা ১১তম গ্রেডে উন্নীত হলে প্রত্যেকের বেতন গড়ে কয়েক হাজার টাকা করে বাড়বে।

প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের কাজের পরিমাণ ও গুণগত মান আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। পাশাপাশি প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১০ম গ্রেডে উন্নীত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সম্মতি থাকায় সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১১তম গ্রেডে উন্নীত করা যৌক্তিক।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি ও পেশাগত মর্যাদা বিবেচনায় নিয়েই এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবং এখন অর্থ বিভাগ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অনুমোদনের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ৬৫ হাজার ৫৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ ৮৪ হাজার। এই কর্মবিরতির কারণে দ্বিতীয় দিনেও এসব বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল সরকার প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১১তম থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করে এবং ১৩তম গ্রেডের শিক্ষকদের ১২তম গ্রেডে উন্নীত করার উদ্যোগ নেয়। তবে এতে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে সহকারী শিক্ষকরা আবারও আন্দোলনে নেমেছেন।