ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সংবিধান সংশোধন ছাড়া সংস্কার পরিষদের শপথ সম্ভব নয় বললেন আমীর খসরু মির্জা ফখরুল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন হাসনাত আবদুল্লাহ সেই জার্সি পরেই সংসদে জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি করে বিএনপি সরকারের যাত্রা শুরু বলে মন্তব্য করেছেন সারজিস সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ নেবে না বিএনপি বললেন সালাহউদ্দিন তারেক রহমানসহ বিএনপির সংসদ সদস্যরা শপথ নিলেন জামায়াত আমির শপথ নিতে সংসদ ভবনে বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ না নিলে জামায়াত কোনো শপথই নেবে না জানিয়েছেন তাহের সালাহউদ্দিন আহমদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন বিদ্যুৎ থাকবে না ৯ ঘণ্টা সকাল থেকে যেসব এলাকায়
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

রিয়াল-বার্সা ম্যাচে উল্লাস নিয়ে দ্বন্দ্ব, জুনিয়রদের নির্যাতনের অভিযোগ বাথরুমে আটকে

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৫৭:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার ম্যাচে গোল হওয়ার পর উল্লাস করাকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরে জুনিয়র শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, সিনিয়র শিক্ষার্থীরা হোস্টেলে ঢুকে জুনিয়রদের মারধর করে এবং বাথরুমে আটকে রেখে নির্যাতন চালায়।

গত রোববার (১১ জানুয়ারি) দিবাগত রাত প্রায় ২টার দিকে ফরিদপুর শহরতলীর চুনাঘাটা এলাকায় অবস্থিত ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজির আবাসিক ছাত্র হোস্টেলে এ ঘটনা ঘটে।

হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীরা হলেন মেরিন টেকনোলজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের চতুর্থ সেমিস্টারের ছাত্র আমিরুল ইসলাম (১৮), নিরব হোসেন (১৯) ও জুনায়েদ হোসেন (১৯)। এছাড়া শিপ বিল্ডিং বিভাগের তাহসানসহ একই বর্ষের হাসিন, সজিব ও খতিবুল ইসলামকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

শিপ টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী সাকিব আলী খান বলেন, রাতে রুমে বসে খেলা দেখার সময় গোল হওয়ায় কয়েকজন উল্লাস করে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিনিয়ররা হামলা চালায়। মারধরের একপর্যায়ে কয়েকজনকে বাথরুমে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

জুনিয়র শিক্ষার্থীদের দাবি, ক্যাম্পাসে র‍্যাগিং ও মাদকসেবনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় সিনিয়রদের সঙ্গে তাদের আগে থেকেই বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধ থেকেই পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। হামলার সময় হোস্টেলের আসবাবপত্র ভাঙচুর ও টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

তবে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী পিয়াস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এটি হামলা নয়, দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়েছে। ভুল বোঝাবুঝি থেকেই ঘটনার সূত্রপাত এবং কোনো ভাঙচুর হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র ইনস্ট্রাক্টর প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ জানান, ঘটনাটি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংবিধান সংশোধন ছাড়া সংস্কার পরিষদের শপথ সম্ভব নয় বললেন আমীর খসরু

রিয়াল-বার্সা ম্যাচে উল্লাস নিয়ে দ্বন্দ্ব, জুনিয়রদের নির্যাতনের অভিযোগ বাথরুমে আটকে

আপডেট সময় ০৯:৫৭:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার ম্যাচে গোল হওয়ার পর উল্লাস করাকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরে জুনিয়র শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, সিনিয়র শিক্ষার্থীরা হোস্টেলে ঢুকে জুনিয়রদের মারধর করে এবং বাথরুমে আটকে রেখে নির্যাতন চালায়।

গত রোববার (১১ জানুয়ারি) দিবাগত রাত প্রায় ২টার দিকে ফরিদপুর শহরতলীর চুনাঘাটা এলাকায় অবস্থিত ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজির আবাসিক ছাত্র হোস্টেলে এ ঘটনা ঘটে।

হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীরা হলেন মেরিন টেকনোলজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের চতুর্থ সেমিস্টারের ছাত্র আমিরুল ইসলাম (১৮), নিরব হোসেন (১৯) ও জুনায়েদ হোসেন (১৯)। এছাড়া শিপ বিল্ডিং বিভাগের তাহসানসহ একই বর্ষের হাসিন, সজিব ও খতিবুল ইসলামকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

শিপ টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী সাকিব আলী খান বলেন, রাতে রুমে বসে খেলা দেখার সময় গোল হওয়ায় কয়েকজন উল্লাস করে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিনিয়ররা হামলা চালায়। মারধরের একপর্যায়ে কয়েকজনকে বাথরুমে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

জুনিয়র শিক্ষার্থীদের দাবি, ক্যাম্পাসে র‍্যাগিং ও মাদকসেবনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় সিনিয়রদের সঙ্গে তাদের আগে থেকেই বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধ থেকেই পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। হামলার সময় হোস্টেলের আসবাবপত্র ভাঙচুর ও টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

তবে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী পিয়াস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এটি হামলা নয়, দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়েছে। ভুল বোঝাবুঝি থেকেই ঘটনার সূত্রপাত এবং কোনো ভাঙচুর হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র ইনস্ট্রাক্টর প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ জানান, ঘটনাটি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।