ময়মনসিংহ , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মেডিকেল শিক্ষার্থীদের দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটির দাবি, যা : প্রধানমন্ত্রী ময়মনসিংহের গৌরীপুরে পাগলা কুকুরের তাণ্ডব, ১০-১২ জন আহত; জনমনে আতঙ্ক পূর্বধলায় এসিড নিক্ষেপ মামলার প্রধান আসামি সাগর গ্রেফতার পূর্বধলায় হাসপাতাল থেকে দালাল চক্রের ৩ সদস্য আটক, জরিমানা ও ৫ নারীর মুচলেকা ঢামেকের ৮০ বছর পূর্তি: শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সেলফি তুললেন প্রধানমন্ত্রী ইরানকে চিরতরে নিশ্চিহ্ন করার হুমকি দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প ৩ কোটির অবৈধ লেনদেন, ধরা পড়ল মাগুরার অনলাইন জুয়াড়ি জ্বালানি সংকটে বিপর্যস্ত কিউবা: ভেঙে পড়েছে জাতীয় বিদ্যুৎ অবকাঠামো ব্রাজিল সমর্থকদের কাছে ভিনিসিউসের ক্ষমা প্রার্থনা ট্রেনে যাত্রীবেশে ভয়ংকর ছিনতাই: ১১ নারী সদস্য গ্রেপ্তার
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ: ‘টাকার বিনিময়ে ম্যাচ হেরেছি’, অভিযোগ মিশর কোচের

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
  • ৩৪ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে প্রায় বিদায়ের মুখে ঠেলে দিয়েও শেষ পর্যন্ত হতাশা নিয়েই বিশ্বকাপ শেষ করতে হয়েছে মিশরকে। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ ১৩ মিনিটে টানা তিন গোল হজম করে ৩-২ ব্যবধানে হেরে শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেয় আফ্রিকার দলটি। 

তবে ম্যাচ শেষে রেফারির কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন মিশরের প্রধান কোচ হোসাম হাসান। তার দাবি, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো তাদের বিপক্ষেই গেছে।

হাসানের ভাষায়, ‘আমি দেশে ফিরে যাচ্ছি এবং বিশ্বকাপের আর কোনো ম্যাচ দেখব না। আমাদের সঙ্গে যা হয়েছে, তা মোটেও ন্যায়সঙ্গত নয়। আমরা একটি পেনাল্টি পাওয়ার কথা ছিল, একটি গোলও বাতিল করা হয়েছে। কেন বাতিল করা হলো, আমি জানি না।’

ম্যাচের ৬২তম মিনিটে মোস্তফা জিকোর জালে পাঠানো বল ভিএআর পর্যালোচনার পর বিল্ডআপে ফাউলের অভিযোগে বাতিল করা হয়। পরে ম্যাচের শেষ দিকে হামদি ফাথিকে ফাউল করা হয়েছে বলে পেনাল্টির আবেদন জানালেও তাতে সাড়া দেননি রেফারি। সেই আক্রমণ থেকেই পাল্টা কাউন্টারে যোগ করা সময়ে জয়সূচক গোল করে আর্জেন্টিনা।

ম্যাচ পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তই হারের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে বলে মনে করেন হাসান। তিনি বলেন, ‘আমাদের গোলগুলো ভুল থেকে হতে পারে। কিন্তু সবচেয়ে বড় ভুল করেছেন যারা সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্বে ছিলেন। আমরা যেটা প্রাপ্য ছিল, সেটা পাইনি।’

হারের কষ্ট গোপন করেননি এই কোচ। সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি এমন একজন মানুষ, যে হার একেবারেই পছন্দ করে না। আর আজকের মতো অন্যায্য পরাজয় হলে সমর্থকদের শুধু বলতে পারি, দয়া করে হতাশ হবেন না। আমরা তাদের আরও আনন্দ দিতে চেয়েছিলাম।’

বিতর্ক থাকলেও নিজের খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্ট হাসান। তার মন্তব্য, ‘যা আমাকে আনন্দ দিয়েছে, তা হলো খেলোয়াড়রা ম্যাচ পরিকল্পনা দারুণভাবে বাস্তবায়ন করেছে। তারা অসাধারণ পরিশ্রম করেছে।’

ম্যাচজুড়ে রক্ষণাত্মক কৌশলের বদলে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছিল মিশর। সেই পরিকল্পনায় শুরুতেই দুই গোলের লিডও নেয় তারা। প্রথমার্ধে গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইরের একের পর এক দারুণ সেভ আর্জেন্টিনাকে গোলবঞ্চিত রাখতে বড় ভূমিকা রাখে।

দেশীয় লিগনির্ভর দল নিয়েও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সঙ্গে সমানতালে লড়াই করতে পারায় গর্ব প্রকাশ করেন মিশর কোচ।

তিনি বলেন, ‘আমাদের বেশিরভাগ খেলোয়াড়ই মিশরের ঘরোয়া লিগে খেলে। অন্য অনেক দলের ফুটবলার ইউরোপে পেশাদার পরিবেশে খেলেন। তারপরও মোহামেদ সালাহ ও ওমর মারমুশ ছাড়া প্রায় পুরোপুরি দেশীয় লিগের খেলোয়াড়দের নিয়ে আমরা সবার সঙ্গে সমানভাবে লড়েছি। এতে আমি খুবই সন্তুষ্ট।’

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মেডিকেল শিক্ষার্থীদের দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটির দাবি, যা : প্রধানমন্ত্রী

রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ: ‘টাকার বিনিময়ে ম্যাচ হেরেছি’, অভিযোগ মিশর কোচের

আপডেট সময় ১২:৪৫:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে প্রায় বিদায়ের মুখে ঠেলে দিয়েও শেষ পর্যন্ত হতাশা নিয়েই বিশ্বকাপ শেষ করতে হয়েছে মিশরকে। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ ১৩ মিনিটে টানা তিন গোল হজম করে ৩-২ ব্যবধানে হেরে শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেয় আফ্রিকার দলটি। 

তবে ম্যাচ শেষে রেফারির কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন মিশরের প্রধান কোচ হোসাম হাসান। তার দাবি, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো তাদের বিপক্ষেই গেছে।

হাসানের ভাষায়, ‘আমি দেশে ফিরে যাচ্ছি এবং বিশ্বকাপের আর কোনো ম্যাচ দেখব না। আমাদের সঙ্গে যা হয়েছে, তা মোটেও ন্যায়সঙ্গত নয়। আমরা একটি পেনাল্টি পাওয়ার কথা ছিল, একটি গোলও বাতিল করা হয়েছে। কেন বাতিল করা হলো, আমি জানি না।’

ম্যাচের ৬২তম মিনিটে মোস্তফা জিকোর জালে পাঠানো বল ভিএআর পর্যালোচনার পর বিল্ডআপে ফাউলের অভিযোগে বাতিল করা হয়। পরে ম্যাচের শেষ দিকে হামদি ফাথিকে ফাউল করা হয়েছে বলে পেনাল্টির আবেদন জানালেও তাতে সাড়া দেননি রেফারি। সেই আক্রমণ থেকেই পাল্টা কাউন্টারে যোগ করা সময়ে জয়সূচক গোল করে আর্জেন্টিনা।

ম্যাচ পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তই হারের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে বলে মনে করেন হাসান। তিনি বলেন, ‘আমাদের গোলগুলো ভুল থেকে হতে পারে। কিন্তু সবচেয়ে বড় ভুল করেছেন যারা সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্বে ছিলেন। আমরা যেটা প্রাপ্য ছিল, সেটা পাইনি।’

হারের কষ্ট গোপন করেননি এই কোচ। সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি এমন একজন মানুষ, যে হার একেবারেই পছন্দ করে না। আর আজকের মতো অন্যায্য পরাজয় হলে সমর্থকদের শুধু বলতে পারি, দয়া করে হতাশ হবেন না। আমরা তাদের আরও আনন্দ দিতে চেয়েছিলাম।’

বিতর্ক থাকলেও নিজের খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্ট হাসান। তার মন্তব্য, ‘যা আমাকে আনন্দ দিয়েছে, তা হলো খেলোয়াড়রা ম্যাচ পরিকল্পনা দারুণভাবে বাস্তবায়ন করেছে। তারা অসাধারণ পরিশ্রম করেছে।’

ম্যাচজুড়ে রক্ষণাত্মক কৌশলের বদলে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছিল মিশর। সেই পরিকল্পনায় শুরুতেই দুই গোলের লিডও নেয় তারা। প্রথমার্ধে গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইরের একের পর এক দারুণ সেভ আর্জেন্টিনাকে গোলবঞ্চিত রাখতে বড় ভূমিকা রাখে।

দেশীয় লিগনির্ভর দল নিয়েও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সঙ্গে সমানতালে লড়াই করতে পারায় গর্ব প্রকাশ করেন মিশর কোচ।

তিনি বলেন, ‘আমাদের বেশিরভাগ খেলোয়াড়ই মিশরের ঘরোয়া লিগে খেলে। অন্য অনেক দলের ফুটবলার ইউরোপে পেশাদার পরিবেশে খেলেন। তারপরও মোহামেদ সালাহ ও ওমর মারমুশ ছাড়া প্রায় পুরোপুরি দেশীয় লিগের খেলোয়াড়দের নিয়ে আমরা সবার সঙ্গে সমানভাবে লড়েছি। এতে আমি খুবই সন্তুষ্ট।’