ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আগামী বছর ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে ৪টি নতুন বই জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী অটোরিকশার কারণে ঢাকার স্বাভাবিক গতি ব্যাহত জানিয়েছেন সড়ক মন্ত্রী জ্বালানি তেলের দাম কমে স্থিতিশীল হলে সমন্বয়ের কথা ভাববে সরকার জানিয়েছেন জাহেদ উর রহমান নেত্রকোনায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেট ভাঙতেই লটারিতে বদলি জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী চার দিনের সরকারি সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পূর্বধলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত ​লটারির মাধ্যমে ১৮ সাব-রেজিস্ট্রার নির্বাচিত: বদলিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনতে অনন্য উদ্যোগ পাহাড় কাটার দায়ে লামার ফাইতংয়ে ১৩ ইটভাটাকে ২৯ লাখ টাকা জরিমানা নির্ধারিত দামে এলপিজি পাওয়া না গেলে ব্যবস্থা নেবে সরকার জানিয়েছেন ডা. জাহেদ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

জ্বালানি তেলের দাম কমে স্থিতিশীল হলে সমন্বয়ের কথা ভাববে সরকার জানিয়েছেন জাহেদ উর রহমান

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে স্থিতিশীল অবস্থায় এলে দেশে তেলের দাম কমানোর বিষয়টি সরকার বিবেচনা করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বর্তমানে কিছুটা কমলেও এই পতন কতটা টেকসই, তা এখনই বলা কঠিন। কারণ, ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনও অস্থিতিশীল। তবে তেলের দাম কমমূল্যে স্থিতিশীল হলে সরকার অবশ্যই বিষয়টি বিবেচনা করবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্প্রতি বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে আসার বিষয়টি তুলে ধরে এক সাংবাদিক জানতে চান, তেলের দাম যখন ব্যারেলপ্রতি ১০২ ডলারের কাছাকাছি ছিল, তখন দেশে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। বর্তমানে তা কমে এসেছে। এ অবস্থায় দেশের বাজারে তেলের দাম কত দ্রুত সমন্বয় করা হবে?

তিনি বলেন, যেদিন আমরা তেলের মূল্য বাড়ালাম, তখন নিউজ কি হয়েছিল? তেলের মূল্য কমছে। ওইদিনই তেলের মূল্য একটু কমেছিল। মজার ব্যাপার, তার তিন-চার দিন পর আবার তেলের মূল্য বেড়েছে। আবার ১০৬-১০৭ এ চলে গিয়েছে।

তেলের বর্তমান দর কমার কারণ হিসেবে ইউরোপের দেশগুলোর কৌশলগত মজুত থেকে তেল বাজারে ছাড়ার বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি। জাহেদ উর রহমান বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপকে তাদের কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো বড় পরিমাণ তেল বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা একটা ডেটা পেলাম, কিন্তু ডেটার কারণটা যদি খুঁজি আপনারা খুঁজলেই দেখবেন ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো তাদের স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ থেকে একটা বড় রিজার্ভ বাজারে ছেড়েছেন।

তেলের দাম বর্তমান পর্যায়ে দীর্ঘ সময় স্থিতিশীল থাকবে কি না, তা নিয়ে সতর্ক থাকার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিও এখনও পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়নি। সেখানে সামরিক উত্তেজনা ও সংঘাতের আশঙ্কা রয়েছে। ফলে বর্তমান বাজারদরকে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীল দাম হিসেবে ধরে নেওয়া কঠিন। তবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমমূল্যে স্থিতিশীল হলে সরকার দেশের বাজারে দাম সমন্বয়ের বিষয়টি বিবেচনা করবে।

জাহেদ উর রহমান বলেন, তেলের মূল্য মোটামুটি একটা স্টেবল অবস্থায় এবং যদি কমমূল্যে স্টেবল হয়, তখন অবশ্যই, অবশ্যই সরকার বিবেচনা করবে।

তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দাম ও মূল্যস্ফীতির মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। জ্বালানির দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়ে এবং বিনিয়োগ কমে যেতে পারে। এতে কর্মসংস্থানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, এই যে মূল্যস্ফীতি হচ্ছে, এই যে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে ইনভেস্টমেন্ট কম হচ্ছে, এর প্রধান সাফারার তো জনগণ এবং জনগণ মানে সরকার।

তিনি বলেন, একটি দেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ কমে গেলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি কমে যায়। এতে মানুষ চাকরি হারাতে পারে, নতুন চাকরির সুযোগ কমে এবং বিদ্যমান কর্মীদের বেতনও বাড়ে না। ফলে বিষয়টি সরকারের জন্যও ইতিবাচক নয়।

তিনি আরও বলেন, সরকার সেনসিটিভ আছে, মূল্যটা যদি পরিস্থিতি হয় আমরা তো উল্টোটাও বিবেচনা করব।

সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি তেলের পাশাপাশি তিস্তা মহাপরিকল্পনা, সেন্টমার্টিনের পর্যটন ও পরিবেশ রক্ষা এবং পরিবেশ নিয়ে বেসরকারি উদ্যোগের সঙ্গে সরকারের সহযোগিতার বিষয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আগ্রহী এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। তবে প্রকল্পের অর্থায়ন চীন করবে, বাংলাদেশ করবে নাকি অন্য কোনো দেশ করবে এটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

তিনি বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনার প্রাথমিক ধারণায় নদীশাসন, ভাঙন রোধ ও ভূমি পুনরুদ্ধারের বিষয়টি ছিল। নতুন পরিকল্পনায় বর্ষার পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে ব্যবহারের বিষয়টিও যুক্ত করার সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে।

চীনের সহযোগিতা প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান বলেন, তিস্তা প্রকল্পের কারিগরি বিষয়গুলোতে চীনের সহযোগিতা নিয়ে সমঝোতার মতো একটি অবস্থান হয়েছে। তবে প্রকল্প শেষ পর্যন্ত কাকে দিয়ে এবং কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

সেন্টমার্টিন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দ্বীপটির পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষায় পর্যটকদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা রাখার সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে। দ্বীপটির ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানো এবং এর ইকোসিস্টেম ও অস্তিত্ব রক্ষার জন্য এ ধরনের ব্যবস্থা জরুরি।

এক প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, সাংবাদিক পেটানোর ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে অপরাধের ধরন অনুযায়ী ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আগামী বছর ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে ৪টি নতুন বই জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী

জ্বালানি তেলের দাম কমে স্থিতিশীল হলে সমন্বয়ের কথা ভাববে সরকার জানিয়েছেন জাহেদ উর রহমান

আপডেট সময় ০৩:০৩:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে স্থিতিশীল অবস্থায় এলে দেশে তেলের দাম কমানোর বিষয়টি সরকার বিবেচনা করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বর্তমানে কিছুটা কমলেও এই পতন কতটা টেকসই, তা এখনই বলা কঠিন। কারণ, ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনও অস্থিতিশীল। তবে তেলের দাম কমমূল্যে স্থিতিশীল হলে সরকার অবশ্যই বিষয়টি বিবেচনা করবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্প্রতি বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে আসার বিষয়টি তুলে ধরে এক সাংবাদিক জানতে চান, তেলের দাম যখন ব্যারেলপ্রতি ১০২ ডলারের কাছাকাছি ছিল, তখন দেশে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। বর্তমানে তা কমে এসেছে। এ অবস্থায় দেশের বাজারে তেলের দাম কত দ্রুত সমন্বয় করা হবে?

তিনি বলেন, যেদিন আমরা তেলের মূল্য বাড়ালাম, তখন নিউজ কি হয়েছিল? তেলের মূল্য কমছে। ওইদিনই তেলের মূল্য একটু কমেছিল। মজার ব্যাপার, তার তিন-চার দিন পর আবার তেলের মূল্য বেড়েছে। আবার ১০৬-১০৭ এ চলে গিয়েছে।

তেলের বর্তমান দর কমার কারণ হিসেবে ইউরোপের দেশগুলোর কৌশলগত মজুত থেকে তেল বাজারে ছাড়ার বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি। জাহেদ উর রহমান বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপকে তাদের কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো বড় পরিমাণ তেল বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা একটা ডেটা পেলাম, কিন্তু ডেটার কারণটা যদি খুঁজি আপনারা খুঁজলেই দেখবেন ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো তাদের স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ থেকে একটা বড় রিজার্ভ বাজারে ছেড়েছেন।

তেলের দাম বর্তমান পর্যায়ে দীর্ঘ সময় স্থিতিশীল থাকবে কি না, তা নিয়ে সতর্ক থাকার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিও এখনও পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়নি। সেখানে সামরিক উত্তেজনা ও সংঘাতের আশঙ্কা রয়েছে। ফলে বর্তমান বাজারদরকে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীল দাম হিসেবে ধরে নেওয়া কঠিন। তবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমমূল্যে স্থিতিশীল হলে সরকার দেশের বাজারে দাম সমন্বয়ের বিষয়টি বিবেচনা করবে।

জাহেদ উর রহমান বলেন, তেলের মূল্য মোটামুটি একটা স্টেবল অবস্থায় এবং যদি কমমূল্যে স্টেবল হয়, তখন অবশ্যই, অবশ্যই সরকার বিবেচনা করবে।

তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দাম ও মূল্যস্ফীতির মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। জ্বালানির দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়ে এবং বিনিয়োগ কমে যেতে পারে। এতে কর্মসংস্থানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, এই যে মূল্যস্ফীতি হচ্ছে, এই যে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে ইনভেস্টমেন্ট কম হচ্ছে, এর প্রধান সাফারার তো জনগণ এবং জনগণ মানে সরকার।

তিনি বলেন, একটি দেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ কমে গেলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি কমে যায়। এতে মানুষ চাকরি হারাতে পারে, নতুন চাকরির সুযোগ কমে এবং বিদ্যমান কর্মীদের বেতনও বাড়ে না। ফলে বিষয়টি সরকারের জন্যও ইতিবাচক নয়।

তিনি আরও বলেন, সরকার সেনসিটিভ আছে, মূল্যটা যদি পরিস্থিতি হয় আমরা তো উল্টোটাও বিবেচনা করব।

সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি তেলের পাশাপাশি তিস্তা মহাপরিকল্পনা, সেন্টমার্টিনের পর্যটন ও পরিবেশ রক্ষা এবং পরিবেশ নিয়ে বেসরকারি উদ্যোগের সঙ্গে সরকারের সহযোগিতার বিষয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আগ্রহী এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। তবে প্রকল্পের অর্থায়ন চীন করবে, বাংলাদেশ করবে নাকি অন্য কোনো দেশ করবে এটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

তিনি বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনার প্রাথমিক ধারণায় নদীশাসন, ভাঙন রোধ ও ভূমি পুনরুদ্ধারের বিষয়টি ছিল। নতুন পরিকল্পনায় বর্ষার পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে ব্যবহারের বিষয়টিও যুক্ত করার সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে।

চীনের সহযোগিতা প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান বলেন, তিস্তা প্রকল্পের কারিগরি বিষয়গুলোতে চীনের সহযোগিতা নিয়ে সমঝোতার মতো একটি অবস্থান হয়েছে। তবে প্রকল্প শেষ পর্যন্ত কাকে দিয়ে এবং কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

সেন্টমার্টিন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দ্বীপটির পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষায় পর্যটকদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা রাখার সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে। দ্বীপটির ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানো এবং এর ইকোসিস্টেম ও অস্তিত্ব রক্ষার জন্য এ ধরনের ব্যবস্থা জরুরি।

এক প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, সাংবাদিক পেটানোর ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে অপরাধের ধরন অনুযায়ী ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।