ময়মনসিংহ , শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী দেশে অর্ধশত কোটি টাকার মালিক মাত্র ১৫ জন! চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ সব বাধা অতিক্রম করে দেশকে এগিয়ে নিতে চায় সরকার বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শাপলা চত্বর হত্যা মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল ২৭ জুলাই জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর অবশেষে পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া আলোচনার মানে হয় না: ককরোচ জনতা পার্টি সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময়: দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের বার্তা সরকার রাষ্ট্রীয় সংস্কার বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন শিবির সভাপতি সাদ্দাম মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ: ভারতের রাজপথে এখন জেন-জি প্রজন্মের উত্তাল আন্দোলন মনোহরদীতে পানের বরজ: যেন এক জীবন্ত ‘নগদ ব্যাংক’
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

যেসব অভ্যাসের কারণে কিডনিতে বাসা বাঁধছে পাথর

কিডনি আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলির একটি। এটি শরীরের বর্জ্য পদার্থ ছেঁকে বের করে দেয় এবং পানি-লবণের ভারসাম্য রক্ষা করে। তাই কিডনিকে সুস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি। তবে আমাদের কিছু জীবনযাপন প্রণালী কিডনির স্বাস্থ্যকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

মেয়ো ক্লিনিক প্রসিডিংস নামের একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় উঠে এসেছে, যারা নাইট শিফটে নিয়মিত কাজ করেন, তাদের কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ১৫% বেশি অন্যদের তুলনায়।

গবেষণায় কী জানা গেছে?
চীনের সান ইয়াত সেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এপিডেমিয়োলজি বিভাগের প্রধান ড. ইয়িন ইয়াং-এর নেতৃত্বে চালানো গবেষণাটিতে অংশ নেন প্রায় ২,২০,০০০ জন। গবেষণাটি চালানো হয় দীর্ঘ ১৩.৭ বছর ধরে। এই সময়ের মধ্যে গবেষকরা অংশগ্রহণকারীদের কাজের ধরন, শিফটের সময়সূচি, কাজের ঘনত্ব ও দৈর্ঘ্য; সব কিছু বিশ্লেষণ করেন।

তারা দেখতে পান, নিয়মিত নাইট শিফটে কাজ করা ব্যক্তিদের কিডনিতে স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

কায়িক পরিশ্রম না করা,
পানি কম খাওয়া,
ঘুমের ঘাটতি,
ধূমপানের প্রবণতা,
এই সব নাইট শিফটের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং কিডনি স্টোনের ঝুঁকি বাড়ায়।

কেন নাইট শিফট ক্ষতিকর?
নাইট শিফটে কাজ করলে শরীরের সার্কাডিয়ান রিদম (দৈনিক দেহঘড়ি) ব্যাহত হয়। এতে হরমোন নিঃসরণ, হজমের গতি ও ঘুমের গুণমান প্রভাবিত হয়।

যার ফলে শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াগুলিতে সমস্যা দেখা দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদে কিডনির স্বাস্থ্যের ওপর খারাপ প্রভাব পড়ে।

কী করবেন?
নিয়মিত পানি পান করুন, দিনে অন্তত ৮–১০ গ্লাস
ঘুম ঠিক রাখুন – প্রতিদিন পর্যাপ্ত ও নিরবচ্ছিন্ন ঘুম জরুরি
সুষম খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ুন
ধূমপান ও অতিরিক্ত ক্যাফেইন এড়িয়ে চলুন

সূত্র : এবিপি

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী

যেসব অভ্যাসের কারণে কিডনিতে বাসা বাঁধছে পাথর

আপডেট সময় ১১:০৬:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

কিডনি আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলির একটি। এটি শরীরের বর্জ্য পদার্থ ছেঁকে বের করে দেয় এবং পানি-লবণের ভারসাম্য রক্ষা করে। তাই কিডনিকে সুস্থ রাখা অত্যন্ত জরুরি। তবে আমাদের কিছু জীবনযাপন প্রণালী কিডনির স্বাস্থ্যকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

মেয়ো ক্লিনিক প্রসিডিংস নামের একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় উঠে এসেছে, যারা নাইট শিফটে নিয়মিত কাজ করেন, তাদের কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ১৫% বেশি অন্যদের তুলনায়।

গবেষণায় কী জানা গেছে?
চীনের সান ইয়াত সেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এপিডেমিয়োলজি বিভাগের প্রধান ড. ইয়িন ইয়াং-এর নেতৃত্বে চালানো গবেষণাটিতে অংশ নেন প্রায় ২,২০,০০০ জন। গবেষণাটি চালানো হয় দীর্ঘ ১৩.৭ বছর ধরে। এই সময়ের মধ্যে গবেষকরা অংশগ্রহণকারীদের কাজের ধরন, শিফটের সময়সূচি, কাজের ঘনত্ব ও দৈর্ঘ্য; সব কিছু বিশ্লেষণ করেন।

তারা দেখতে পান, নিয়মিত নাইট শিফটে কাজ করা ব্যক্তিদের কিডনিতে স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

কায়িক পরিশ্রম না করা,
পানি কম খাওয়া,
ঘুমের ঘাটতি,
ধূমপানের প্রবণতা,
এই সব নাইট শিফটের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং কিডনি স্টোনের ঝুঁকি বাড়ায়।

কেন নাইট শিফট ক্ষতিকর?
নাইট শিফটে কাজ করলে শরীরের সার্কাডিয়ান রিদম (দৈনিক দেহঘড়ি) ব্যাহত হয়। এতে হরমোন নিঃসরণ, হজমের গতি ও ঘুমের গুণমান প্রভাবিত হয়।

যার ফলে শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াগুলিতে সমস্যা দেখা দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদে কিডনির স্বাস্থ্যের ওপর খারাপ প্রভাব পড়ে।

কী করবেন?
নিয়মিত পানি পান করুন, দিনে অন্তত ৮–১০ গ্লাস
ঘুম ঠিক রাখুন – প্রতিদিন পর্যাপ্ত ও নিরবচ্ছিন্ন ঘুম জরুরি
সুষম খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ুন
ধূমপান ও অতিরিক্ত ক্যাফেইন এড়িয়ে চলুন

সূত্র : এবিপি