ময়মনসিংহ , শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মোহনগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৩ যুবকের কারাদণ্ড সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠালেন মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি আজ থেকে দেশব্যাপী শুরু হলো ওরাল কলেরা টিকাদান কর্মসূচি, প্রথম ডোজ চলবে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উখিয়ায় প্রাইভেটকারসহ ২ হাজার ইয়াবাসহ চালক গ্রেপ্তার দুদক কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেলেন কর প্রশাসক ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া বীরগঞ্জে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে স্কুল ক্যাম্পাসের গাছ কেটে বিক্রি: প্রধান শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে ক্ষোভ পূর্বধলায় চায়না দোয়ারী জালে মাছ শিকারের মহোৎসব: হুমকির মুখে দেশীয় মৎস্য সম্পদ ডোমারে ৫০ পিস ট্যাপেন্টাডল ও ৯ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ বাঞ্ছারামপুরে নদীর জায়গা দখল করে তৈরি অবৈধ মাছের ঘের উচ্ছেদ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় আজ বিশ্ব বাবা দিবস

‘বাবা’ কেবল একটি শব্দ নয়, একটি ভরসার স্থান, এক টুকরো বটবৃক্ষ। সন্তানের মাথার ওপর তপ্ত রোদে শীতল ছায়া দেওয়া সেই মানুষটিকে ভালোবাসার দিন আজ। আজ জুন মাসের তৃতীয় রোববার, বিশ্ব বাবা দিবস। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও নানা আনুষ্ঠানিকতা, শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে।

​যদিও বাবার প্রতি সন্তানের ভালোবাসা কোনো নির্দিষ্ট দিনের ফ্রেমে বন্দি নয়, তবুও প্রতি বছর এই দিনটি আসে বাবাদের বিশেষভাবে সম্মান জানাতে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে বাস্তব জীবন সবখানেই আজ সন্তানরা তাদের বাবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন।

দিবসের ইতিহাস,
​ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, ১৯১০ সালের ১৯ জুন প্রথম বাবা দিবস উদযাপিত হয় আমেরিকার ওয়াশিংটন স্টেটের স্পোকেন শহরের ওল্ড সেন্ট্রাল চার্চে। ডোড স্মার্ট নামের এক নারীর একক প্রচেষ্টায় দিবসটি সূচিত হয়। ১৯৯৬ সালে তাঁর মা সন্তান প্রসবের সময় মারা গেলে বাবা উইলিয়াম স্মার্ট তাঁকেসহ তাঁর ৬ ভাইবোনকে একাই বড় করেন। বাবার এই অসামান্য ত্যাগকে সম্মান জানাতেই ডোড স্মার্ট এই উদ্যোগ নেন। পরবর্তীতে ১৯৬৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি. জনসন জুন মাসের তৃতীয় রোববারকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বাবা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন।

বাংলাদেশে উদযাপন,
​আজকের এই বিশেষ দিনে বাবার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের নানা চিত্র দেখা যাচ্ছে। কেউ বাবাকে ফুল, পছন্দের পোশাক কিংবা কার্ড উপহার দিচ্ছেন, আবার কেউ দূর প্রবাস বা কর্মস্থল থেকে ফোনে বাবার কণ্ঠ শুনে আবেগাপ্লুত হচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো আজ সেজেছে বাবা ও সন্তানের স্মৃতিকাতর সব ছবিতে।

​তবে যাদের বাবা আজ আর ইহজগতে নেই, তাদের জন্য দিনটি পরম বেদনার। অনেক সন্তানই আজ মাটির নিচে শুয়ে থাকা বাবার মাগফেরাত কামনায় মসজিদ, মন্দির ও উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা করছেন। বৃদ্ধাশ্রমে থাকা বাবাদের খোঁজ নিতেও দেখা গেছে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকে।
​”পৃথিবীর সব বাবার ত্যাগ আর ভালোবাসা হোক সম্মানিত। সন্তান হিসেবে আমাদের দায়িত্ব কেবল একটি দিনে নয়, জীবনের প্রতিটি ক্ষণে বাবার পাশে থাকা, তাঁদের মুখে হাসি ফোটানো।”

​একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনে এবং সন্তানের নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য বাবারা আজীবন যে ত্যাগ স্বীকার করেন, আজকের দিনে তাঁদের প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও বিনম্র সালাম। বিশ্বের সকল বাবার জীবন হোক সুন্দর ও সুস্থ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মোহনগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৩ যুবকের কারাদণ্ড

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় আজ বিশ্ব বাবা দিবস

আপডেট সময় ১১:৫৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

‘বাবা’ কেবল একটি শব্দ নয়, একটি ভরসার স্থান, এক টুকরো বটবৃক্ষ। সন্তানের মাথার ওপর তপ্ত রোদে শীতল ছায়া দেওয়া সেই মানুষটিকে ভালোবাসার দিন আজ। আজ জুন মাসের তৃতীয় রোববার, বিশ্ব বাবা দিবস। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও নানা আনুষ্ঠানিকতা, শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় দিবসটি উদযাপিত হচ্ছে।

​যদিও বাবার প্রতি সন্তানের ভালোবাসা কোনো নির্দিষ্ট দিনের ফ্রেমে বন্দি নয়, তবুও প্রতি বছর এই দিনটি আসে বাবাদের বিশেষভাবে সম্মান জানাতে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে বাস্তব জীবন সবখানেই আজ সন্তানরা তাদের বাবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন।

দিবসের ইতিহাস,
​ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, ১৯১০ সালের ১৯ জুন প্রথম বাবা দিবস উদযাপিত হয় আমেরিকার ওয়াশিংটন স্টেটের স্পোকেন শহরের ওল্ড সেন্ট্রাল চার্চে। ডোড স্মার্ট নামের এক নারীর একক প্রচেষ্টায় দিবসটি সূচিত হয়। ১৯৯৬ সালে তাঁর মা সন্তান প্রসবের সময় মারা গেলে বাবা উইলিয়াম স্মার্ট তাঁকেসহ তাঁর ৬ ভাইবোনকে একাই বড় করেন। বাবার এই অসামান্য ত্যাগকে সম্মান জানাতেই ডোড স্মার্ট এই উদ্যোগ নেন। পরবর্তীতে ১৯৬৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি. জনসন জুন মাসের তৃতীয় রোববারকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বাবা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন।

বাংলাদেশে উদযাপন,
​আজকের এই বিশেষ দিনে বাবার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের নানা চিত্র দেখা যাচ্ছে। কেউ বাবাকে ফুল, পছন্দের পোশাক কিংবা কার্ড উপহার দিচ্ছেন, আবার কেউ দূর প্রবাস বা কর্মস্থল থেকে ফোনে বাবার কণ্ঠ শুনে আবেগাপ্লুত হচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো আজ সেজেছে বাবা ও সন্তানের স্মৃতিকাতর সব ছবিতে।

​তবে যাদের বাবা আজ আর ইহজগতে নেই, তাদের জন্য দিনটি পরম বেদনার। অনেক সন্তানই আজ মাটির নিচে শুয়ে থাকা বাবার মাগফেরাত কামনায় মসজিদ, মন্দির ও উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা করছেন। বৃদ্ধাশ্রমে থাকা বাবাদের খোঁজ নিতেও দেখা গেছে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকে।
​”পৃথিবীর সব বাবার ত্যাগ আর ভালোবাসা হোক সম্মানিত। সন্তান হিসেবে আমাদের দায়িত্ব কেবল একটি দিনে নয়, জীবনের প্রতিটি ক্ষণে বাবার পাশে থাকা, তাঁদের মুখে হাসি ফোটানো।”

​একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনে এবং সন্তানের নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য বাবারা আজীবন যে ত্যাগ স্বীকার করেন, আজকের দিনে তাঁদের প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও বিনম্র সালাম। বিশ্বের সকল বাবার জীবন হোক সুন্দর ও সুস্থ।