ময়মনসিংহ , শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ডিসেম্বরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ আসবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী বছরের নভেম্বরে তিস্তা প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী একুশে পাঠচক্রের নিয়মিত আসর অনুষ্ঠিত খুলনায় অবৈধ অটোরিকশা নির্মূলে কেসিসির অভিযান, সহযোগিতায় কেএমপি তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধার নিয়ে যা জানিয়েছে নৌ-পুলিশ মানবতাবিরোধী অপরাধ: হানিফকে মৃত্যুদণ্ডের রায় জাতীয় যুব দিবসে তাৎক্ষণিক ১০০ জনকে চাকরি দেওয়া হবে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে আয়োজিত যুব মেলা স্থগিত করা হয়েছে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে মাঠে ডিবি পুলিশ, তিন ভাগে আইনশৃঙ্খলা পর্যবেক্ষণ ময়মনসিংহে নানা আয়োজনে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

সাত মাসের শিশুকে জিম্মি সুদের টাকা না পাওয়ায় , আটক ৪

গাইবান্ধায় সুদের টাকা আদায়ে সাত মাস বয়সী এক শিশুকে আটকে রাখার অভিযোগে নারীসহ একই পরিবারের চারজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।  শনিবার (৯ আগস্ট) দুপুরে সদর উপজেলার কুপতলা ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- দুর্গাপুর গ্রামের সুজা মিয়া (৪৫), তার স্ত্রী দুলালী বেগম (৪২), ছেলে দুলাল (২২) ও আলাল (১৮)।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুর্গাপুর গ্রামের আব্দুল মতিন কিছুদিন আগে একই গ্রামের সুজা মিয়ার কাছ থেকে সুদের ওপর ৫০ হাজার টাকা নেন। শনিবার সকালে প্রতিবেশী হিসেবে মতিনের ৭ মাসের কন্যাশিশুকে বেড়ানোর কথা বলে বাড়িতে নিয়ে যায় সুজার পরিবার। পরে শিশুটিকে ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানায় তারা।

শিশুটিকে আনতে তার মা পাঁচবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে সুজা মিয়া ও তার পরিবার জানায়, টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত শিশুকে দেওয়া হবে না। স্থানীয় ইউপি সদস্যের সহায়তাও ব্যর্থ হয়, উল্টো শিশুটির পরিবারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

শিশুটির মা ইসমত আরা বলেন, সুজা মিয়ার কাছ থেকে আমার স্বামী সুদের ওপর ৫০ হাজার টাকা নেওয়ায় তারা এমন কাজ করে। সুজা ও তার লোকজনের কাছ থেকে আমার সন্তানকে চাইলে তারা মেরে ফেলার হুমকি দেয়। তারা বলছে টাকা দে আগে না হয় বাচ্চা পাবি না। এদের উপযুক্ত বিচার চাই আমি।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর আলম তালুকদার বলেন, সুদের টাকার জন্য সাত মাসের এক শিশুকে আটকে রাখার ঘটনায় পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাদের মধ্যে চার জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিসেম্বরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ আসবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাত মাসের শিশুকে জিম্মি সুদের টাকা না পাওয়ায় , আটক ৪

আপডেট সময় ১০:৩৪:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫

গাইবান্ধায় সুদের টাকা আদায়ে সাত মাস বয়সী এক শিশুকে আটকে রাখার অভিযোগে নারীসহ একই পরিবারের চারজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।  শনিবার (৯ আগস্ট) দুপুরে সদর উপজেলার কুপতলা ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- দুর্গাপুর গ্রামের সুজা মিয়া (৪৫), তার স্ত্রী দুলালী বেগম (৪২), ছেলে দুলাল (২২) ও আলাল (১৮)।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুর্গাপুর গ্রামের আব্দুল মতিন কিছুদিন আগে একই গ্রামের সুজা মিয়ার কাছ থেকে সুদের ওপর ৫০ হাজার টাকা নেন। শনিবার সকালে প্রতিবেশী হিসেবে মতিনের ৭ মাসের কন্যাশিশুকে বেড়ানোর কথা বলে বাড়িতে নিয়ে যায় সুজার পরিবার। পরে শিশুটিকে ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানায় তারা।

শিশুটিকে আনতে তার মা পাঁচবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে সুজা মিয়া ও তার পরিবার জানায়, টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত শিশুকে দেওয়া হবে না। স্থানীয় ইউপি সদস্যের সহায়তাও ব্যর্থ হয়, উল্টো শিশুটির পরিবারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

শিশুটির মা ইসমত আরা বলেন, সুজা মিয়ার কাছ থেকে আমার স্বামী সুদের ওপর ৫০ হাজার টাকা নেওয়ায় তারা এমন কাজ করে। সুজা ও তার লোকজনের কাছ থেকে আমার সন্তানকে চাইলে তারা মেরে ফেলার হুমকি দেয়। তারা বলছে টাকা দে আগে না হয় বাচ্চা পাবি না। এদের উপযুক্ত বিচার চাই আমি।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর আলম তালুকদার বলেন, সুদের টাকার জন্য সাত মাসের এক শিশুকে আটকে রাখার ঘটনায় পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাদের মধ্যে চার জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।