ময়মনসিংহ , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গজনী সীমান্তে সাড়ে ১৭ লাখ টাকার ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ তারুন্দিয়ার যোগ্য ব্যক্তি আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ তারুন্দিয়ার যোগ্য ব্যক্তি আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ ঈশ্বরগন্জের তারুন্দিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানপ্রার্থী রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ: যোগদানের ২০ দিনেই গৌরীপুরের এসিল্যান্ড প্রত্যাহার কক্সবাজারে সাইফুল হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের আয়োজনে মঞ্চস্থ হবে সেলিম আল দীনের দুই নাটক জাতিসংঘে ট্রাম্পের ইরানকে ‘ধ্বংস’ করার হুমকি, উত্তেজনার মধ্যে পেজেশকিয়ানের ভাষণের অপেক্ষা নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আজমুল হত্যা মামলায় আরও দুই আসামি গ্রেপ্তার শিপ্রার রহস্যজনক মৃত্যুর বিচার দাবিতে যশোরে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন মদনে বিনামূল্যে স্তন ও জরায়ুমুখের ক্যান্সার পরীক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত: ২১৫ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নে বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায় এবং খেলাপি গ্রাহকদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসনীম জাহান।

​ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকা গ্রাহকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে এ বিশেষ অভিযান চালানো হয়। নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পূর্বধলা জোনাল অফিসের আওতাধীন ঘাগড়া ইউনিয়নে পরিচালিত এ অভিযানে বকেয়া বিল পরিশোধে গ্রাহকদের যেমন উদ্বুদ্ধ করা হয়, তেমনি অনাদায়ী গ্রাহকদের বিরুদ্ধে নেওয়া হয় তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা।

​অভিযান চলাকালে নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে ৭৪ জন গ্রাহক মোট ৩ লাখ ২০ হাজার ৮৭১ টাকা বকেয়া বিল পরিশোধ করেন। অন্যদিকে, বারবার তাগিদ দেওয়ার পরও বকেয়া পরিশোধ না করায় ২১৫ জন গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এই বিচ্ছিন্নকৃত সংযোগগুলোর বিপরীতে বকেয়া বিলের পরিমাণ ৭ লাখ ৩৮ হাজার ৪৫৩ টাকা।

​এছাড়া অভিযান চলাকালে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ৩টি বিদ্যুৎ মিটার স্থায়ীভাবে অপসারণ (রিমুভ) করা হয়েছে বলে ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।
​পূর্বধলা জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. শাহিনুর আলম জানান, বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং শতভাগ বকেয়া আদায় নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এই সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গজনী সীমান্তে সাড়ে ১৭ লাখ টাকার ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ

পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত: ২১৫ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

আপডেট সময় ০৯:৫১:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নে বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায় এবং খেলাপি গ্রাহকদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসনীম জাহান।

​ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকা গ্রাহকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে এ বিশেষ অভিযান চালানো হয়। নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পূর্বধলা জোনাল অফিসের আওতাধীন ঘাগড়া ইউনিয়নে পরিচালিত এ অভিযানে বকেয়া বিল পরিশোধে গ্রাহকদের যেমন উদ্বুদ্ধ করা হয়, তেমনি অনাদায়ী গ্রাহকদের বিরুদ্ধে নেওয়া হয় তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা।

​অভিযান চলাকালে নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে ৭৪ জন গ্রাহক মোট ৩ লাখ ২০ হাজার ৮৭১ টাকা বকেয়া বিল পরিশোধ করেন। অন্যদিকে, বারবার তাগিদ দেওয়ার পরও বকেয়া পরিশোধ না করায় ২১৫ জন গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এই বিচ্ছিন্নকৃত সংযোগগুলোর বিপরীতে বকেয়া বিলের পরিমাণ ৭ লাখ ৩৮ হাজার ৪৫৩ টাকা।

​এছাড়া অভিযান চলাকালে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ৩টি বিদ্যুৎ মিটার স্থায়ীভাবে অপসারণ (রিমুভ) করা হয়েছে বলে ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।
​পূর্বধলা জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. শাহিনুর আলম জানান, বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং শতভাগ বকেয়া আদায় নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এই সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।