ময়মনসিংহ , বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ, উদ্বোধন কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির কার্যক্রম নজরুল বর্ষ উপলক্ষে হামদর্দ পাবলিক কলেজে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা চট্টগ্রামে জিয়া মঞ্চের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত খুলনার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশারি বিতরণ সেলিম আল দীন স্মরণে জবি নাট্যকলা বিভাগের আয়োজন শিল্পকলায়, উপস্থিত ভারতীয় হাই কমিশন নজরুলের সাম্য ও মানবতার চেতনায় সমাজ গড়ার আহ্বান: কালীগঞ্জে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে ৪ হাজার ৯৭০ পিস ইয়াবাসহ যাত্রী গ্রেপ্তার জামালগঞ্জে অতিরিক্ত টোল আদায়ের প্রতিবাদে নৌযান শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের মতবিনিময় নেত্রকোনায় ১১ শিক্ষকের পদ শূন্য, ৪১৩ শিক্ষার্থীর পাঠদান ব্যাহত জামালপুরে শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিয়ে পুলিশ সুপারের সঙ্গে পূজা কমিটির মতবিনিময়
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

বর্ষাকালে পরিবারের সবাইকে সুস্থ ও নিরাপদ রাখতে সচেতনতা

এখন বর্ষাকাল চলছে, আর প্রতিবছর আমাদের বাংলাদেশে অসংখ্য ছোট বাচ্চা পানিতে ডুবে মারা যায়, যার সবচেয়ে বেশি ঘটনা ঘটে এই বর্ষার সময়।

এই সময় চারিদিকে অনেক পানি থাকায় অনেক ছোট বাচ্চারা সেই পানিতে ডুবে মারা যায়, খালি হয় অনেক মায়ের কোল। এই সময় আপনারা আপনাদের ছোট্ট বাচ্চাদের সর্বোচ্চ সাবধানে রাখবেন যেনো তাঁরা কোনভাবেই অরক্ষিতভাবে জলাশয়ের কাছে না যায়। আর অবস্যই আপনারা আপনাদের বাচ্চাদের সাঁতার সেখার বয়স হবার সাথে সাথে সাঁতার শিখিয়ে দিবেন। কারণ আমাদের বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ এখানে নদনদীসহ চারিদিকেই অসংখ্য পুকুর, খাল, ডোবা জলাশয় থাকে। তাই সাতার না সেখান কোন অজুহাত নেই। শিশু বাচ্চাকে সাতার শেখানো আবশ্যক।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং ঘরের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা সবচেয়ে জরুরি। এই সময়ে ডেঙ্গু, ডায়রিয়া, টাইফয়েড এবং ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ বেড়ে যায়।পরিবারের সুরক্ষায় যে বিষয়গুলো মেনে চলা উচিত, তাঁর একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো: স্বাস্থ্য ও খাবার দাবারবিশুদ্ধ পানি: পানি ফুটিয়ে বা ফিল্টার করে পান করুন। রান্নার কাজেও নিরাপদ পানি ব্যবহার নিশ্চিত করুন। টাটকা খাবার: বাসি বা রাস্তার খোলা খাবার পুরোপুরি বর্জন করুন। সবসময় গরম ও টাটকা খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। মৌসুমি ফল: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন-সি যুক্ত টক ফল এবং মৌসুমি শাকসবজি খান। হাত ধোয়া: বাইরে থেকে ফিরলে এবং খাবার খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে নিন।ঘরবাড়ি ও চারপাশের পরিচ্ছন্নতামশা নিয়ন্ত্রণ: ঘরের কোথাও যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। দিনে বা রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি ব্যবহার করুন।আলো-বাতাস: ঘরের স্যাঁতসেঁতে ভাব দূর করতে ভারী পর্দার বদলে হালকা পর্দা ব্যবহার করুন, যেন ঘরে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো ঢোকে আসবাব ও ফ্রিজ: ফ্রিজের ভেতর-বাইরে নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন। ঘরের কোণা ও বাথরুম শুকনো রাখার চেষ্টা করুন যেন ছত্রাক না জন্মায়। শিশু ও বয়স্কদের বিশেষ যত্নভিজে গেলে: বৃষ্টিতে ভিজলে ঘরে ফিরে দ্রুত মাথা ও শরীর ভালো করে মুছে নিন।

সম্ভব হলে কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করিয়ে দিন। পোশাক: শিশুদের সবসময় শুকনো এবং আরামদায়ক পোশাক পরিয়ে রাখুন। বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি: জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে ছাতা, রেইনকোট এবং ওয়াটারপ্রুফ জুতো ব্যবহার করুন। প্রাথমিক চিকিৎসা: ঘরে পর্যাপ্ত খাবার স্যালাইন, জ্বর ও ঠান্ডার ওষুধ এবং মশা তাড়ানোর স্প্রে বা ক্রিম মজুত রাখুন।বর্ষার দিনগুলোতে ঘরে বসে পরিবারের সাথে আনন্দময় সময় কাটাতে দাবা, লুডুর মতো ইনডোর গেম খেলতে পারেন। রোগবালাইয়ের লক্ষণ গুরুতর হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ, উদ্বোধন কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির কার্যক্রম

বর্ষাকালে পরিবারের সবাইকে সুস্থ ও নিরাপদ রাখতে সচেতনতা

আপডেট সময় ০৯:৪৩:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

এখন বর্ষাকাল চলছে, আর প্রতিবছর আমাদের বাংলাদেশে অসংখ্য ছোট বাচ্চা পানিতে ডুবে মারা যায়, যার সবচেয়ে বেশি ঘটনা ঘটে এই বর্ষার সময়।

এই সময় চারিদিকে অনেক পানি থাকায় অনেক ছোট বাচ্চারা সেই পানিতে ডুবে মারা যায়, খালি হয় অনেক মায়ের কোল। এই সময় আপনারা আপনাদের ছোট্ট বাচ্চাদের সর্বোচ্চ সাবধানে রাখবেন যেনো তাঁরা কোনভাবেই অরক্ষিতভাবে জলাশয়ের কাছে না যায়। আর অবস্যই আপনারা আপনাদের বাচ্চাদের সাঁতার সেখার বয়স হবার সাথে সাথে সাঁতার শিখিয়ে দিবেন। কারণ আমাদের বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ এখানে নদনদীসহ চারিদিকেই অসংখ্য পুকুর, খাল, ডোবা জলাশয় থাকে। তাই সাতার না সেখান কোন অজুহাত নেই। শিশু বাচ্চাকে সাতার শেখানো আবশ্যক।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং ঘরের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা সবচেয়ে জরুরি। এই সময়ে ডেঙ্গু, ডায়রিয়া, টাইফয়েড এবং ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ বেড়ে যায়।পরিবারের সুরক্ষায় যে বিষয়গুলো মেনে চলা উচিত, তাঁর একটি তালিকা নিচে দেওয়া হলো: স্বাস্থ্য ও খাবার দাবারবিশুদ্ধ পানি: পানি ফুটিয়ে বা ফিল্টার করে পান করুন। রান্নার কাজেও নিরাপদ পানি ব্যবহার নিশ্চিত করুন। টাটকা খাবার: বাসি বা রাস্তার খোলা খাবার পুরোপুরি বর্জন করুন। সবসময় গরম ও টাটকা খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। মৌসুমি ফল: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন-সি যুক্ত টক ফল এবং মৌসুমি শাকসবজি খান। হাত ধোয়া: বাইরে থেকে ফিরলে এবং খাবার খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে নিন।ঘরবাড়ি ও চারপাশের পরিচ্ছন্নতামশা নিয়ন্ত্রণ: ঘরের কোথাও যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। দিনে বা রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি ব্যবহার করুন।আলো-বাতাস: ঘরের স্যাঁতসেঁতে ভাব দূর করতে ভারী পর্দার বদলে হালকা পর্দা ব্যবহার করুন, যেন ঘরে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো ঢোকে আসবাব ও ফ্রিজ: ফ্রিজের ভেতর-বাইরে নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন। ঘরের কোণা ও বাথরুম শুকনো রাখার চেষ্টা করুন যেন ছত্রাক না জন্মায়। শিশু ও বয়স্কদের বিশেষ যত্নভিজে গেলে: বৃষ্টিতে ভিজলে ঘরে ফিরে দ্রুত মাথা ও শরীর ভালো করে মুছে নিন।

সম্ভব হলে কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করিয়ে দিন। পোশাক: শিশুদের সবসময় শুকনো এবং আরামদায়ক পোশাক পরিয়ে রাখুন। বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি: জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে ছাতা, রেইনকোট এবং ওয়াটারপ্রুফ জুতো ব্যবহার করুন। প্রাথমিক চিকিৎসা: ঘরে পর্যাপ্ত খাবার স্যালাইন, জ্বর ও ঠান্ডার ওষুধ এবং মশা তাড়ানোর স্প্রে বা ক্রিম মজুত রাখুন।বর্ষার দিনগুলোতে ঘরে বসে পরিবারের সাথে আনন্দময় সময় কাটাতে দাবা, লুডুর মতো ইনডোর গেম খেলতে পারেন। রোগবালাইয়ের লক্ষণ গুরুতর হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।