শেরপুরের নকলা উপজেলায় ভ্যানচালক আব্দুল মন্নাছ হত্যা মামলার প্রায় তিন বছর পর রহস্যের জট খুলেছে। তথ্যপ্রযুক্তি ও বিভিন্ন তদন্তসূত্র বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডে জড়িত তিনজনকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
পিবিআইয়ের দাবি, এক নারীকে প্রলোভন হিসেবে ব্যবহার করে আব্দুল মন্নাছকে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়া হয়। পরে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ বাঘমারী বিলের কাদা ও কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। এরপর তাঁর ভ্যান নিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পরে ভ্যানের ব্যাটারি ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ বিক্রি করে পাওয়া টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় তারা।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে শেরপুর জেলা শহরের পুরাতন গরুহাটি এলাকায় পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পিবিআই শেরপুরের পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত।
পিবিআই সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় নকলার পাঠাকাটা এলাকায় নিজ বাড়িতে ছিলেন ভ্যানচালক আব্দুল মন্নাছ। ওই সময় একটি নারীকে ব্যবহার করে তাকে বাড়ি থেকে ডেকে বের করা হয়। পরে তাঁর পরিচি�

জেলা প্রতিনিধি শেরপুর 


















